ঢাকা ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পৌরসভার বিধি না মেনে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, কাজ বন্ধে লাল ব্যানার টানাল পৌর কর্তৃপক্ষ চার বছর পর শিপ্রা রানী হত্যা রহস্যের উন্মোচন, পিবিআইয়ের জালে মূল ঘাতক কাজল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধা নিবেদন সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট হারুন-আল-রশিদের মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের শোক মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হলো বিএনপি নেতা হারুন আল রশিদকে আশুগঞ্জে বিষাক্ত সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের ইন্তেকাল কসবায় জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন: নাগরিক সেবা, আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বারোপ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালের কণ্ঠের সাংবাদিককে সংবর্ধনা সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রমিক দল নেতার মৃত্যু

সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রমিক দল নেতার মৃত্যু

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • / ৪৪ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ডাকা সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষের ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক শ্রমিক দল নেতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি সুলতানপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার জানায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে সোমবার বিকেলে এলাকায় একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
বৈঠকে জাহাঙ্গীর আলম ও আতাউল্লাহর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ হামলায় জাহাঙ্গীর আলমসহ ৫ থেকে ৬ জন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিব উর রেজা বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।”

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রমিক দল নেতার মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:৪০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ডাকা সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষের ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক শ্রমিক দল নেতার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি সুলতানপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার জানায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে সোমবার বিকেলে এলাকায় একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
বৈঠকে জাহাঙ্গীর আলম ও আতাউল্লাহর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ হামলায় জাহাঙ্গীর আলমসহ ৫ থেকে ৬ জন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিব উর রেজা বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।”