নাসিরনগরে শসা খাওয়া নিয়ে টেটাযুদ্ধ আহত অর্ধশতাদিক
- আপডেট সময় : ০৫:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫
- / ৩৪৫ বার পড়া হয়েছে
মঙ্গলবার (১০ জুন) সকালে শসা খাওয়া’কে কেন্দ্র করে ভয়াবহ গ্রামীন সংঘর্ষ হয়েছে নাসিরনগরে। টানা ৩ঘন্টা চলেছে টেটাযৃদ্ধ । উভয়পক্ষ মিলে আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক লোক। গুরুতর আহত ৬ জনতে রেফার করা হয়েছে উন্নত চিকিৎসার জন্য ।
ঘটনার সুত্রপাত ৯ জুন দুপুরে।জানা যায়, উপজেলার শ্রীঘর দক্ষিণ গ্রামের টেনু মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া গরু চড়াতে গিয়ে বন্ধুদের নিয়ে শসা চুরি করে খায় একই গ্রামের জুলহাস মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়ার শসা জমি থেকে । এ নিয়ে বচসা বাজে দুই পক্ষের মাঝে। কথা কাটাকাটির এক পযায়ে শুরু হয় হাতাহাতি । বিকেলের মধ্যেই সৃষ্ঠ বিবাদ ডালপালা মেলে রুপ নেয় গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বে। সরকার বাড়ির সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এটিএম মনিরুজ্জামান সরকারের গ্রুপ ও বড় হাটি তালুকদার বাড়ির লিটন মিয়ার গ্রুপ জড়িয়ে পড়ে প্রকাশ্যে বিবাদে। শুরু হয় হুমকি ধমকি ও প্রতিশোধের হুংকার। থমথমে পরিস্থিতি নেমে আসে এলাকায় । পুলিশ প্রশাসন জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে রাতে কয়েকদফা চেষ্টা করে বিবাদ নিরসনের । কিন্তু সবচেষ্টা বিফল করে সকালে সুয উদয়ের সাথে সাথে দানা মিয়ার বাড়ির পাশে মাঠে দুই পক্ষ নেমে যায় টেটা যুদ্ধে, চলে বেলা প্রায় ৮টা পযন্ত । উভয় পক্ষ মিলে আহত হয়েছে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক লোক । আহতদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তন্মধ্যে গুরুতর আহত জালাল মিযা(৪০), শাহালম(৩৫),রাফি মিয়া (১১), আমিরআলী (৩৫) দুলাল মিয়া (৩০) নামে ০৫জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে। পাশ্ববর্তী হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কাজী সামছুল আরেফিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ পযন্ত শ্রীঘর গ্রামের ৫/০৬ জন আক্রান্ত ব্যাক্তি চিকিৎসা নিয়েছেন তার হাসপাতালে তন্মধ্যে ১জনকে রেফার করা হয়েছে উন্নত চিকিৎসার জন্য।
বুড়িশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল চৌধুরী বলেন,” তুচ্ছ ঘটনা …. শসা খাওয়া নিয়ে ঘটে সংঘর্ষ। সংঘাত নিরসনের চেষ্টা করা হয়েছে, হঠাৎ করে সকালে আবার একটা মারামারি লেগে গেছে । এখন ২পক্ষরে আমরা আনাইছি, পরিবেশ শান্ত আছে ।” নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: খাইরুল আলম জানান, ” ঘটনাস্থলের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রনে আছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ০৬ জনকে আটক করা হয়েছে । স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সমঝোতার জন্য উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করছেন।
সংবাদটি শেয়ার করুন

























