ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অসহায় পাপনের জীবনে আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়ালেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

অসহায় পাপনের জীবনে আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়ালেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪৩ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার পর চাকরি ফিরে পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতিবন্ধী পাপন। জেলা পরিষদের প্রশাসক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজের উদ্যোগে তার হারানো চাকরি পুনর্বহাল হওয়ায় পরিবারে ফিরেছে স্বস্তি। চাকরি ফিরে পাওয়ার পর প্রথম বেতন হাতে নিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাতে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাপন।

জানা যায়, পাপন একসময় নবীনগর ডাকবাংলোয় দায়িত্ব পালন করতেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নানা কারণে তিনি চাকরি হারান। চাকরিটি ছিল তার পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। চাকরি হারানোর পর দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটি আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটায়।

পাপনের এই দুরবস্থার কথা জানতে পেরে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। পরে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তার চাকরি পুনর্বহালের ব্যবস্থা করা হয়। এতে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ ফিরে পান পাপন।

সম্প্রতি প্রথম বেতন হাতে পাওয়ার পর জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করতে যান পাপন। এ সময় তিনি সালাম জানিয়ে চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেন।
চাকরি ফিরে পাওয়ার এই ঘটনা পাপনের পরিবারের জন্য শুধু আর্থিক স্বস্তিই নয়, নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার একটি সুযোগ তৈরি করেছে। দীর্ঘদিন পর নিজের কর্মস্থলে ফিরতে পেরে পাপনও সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের মতে, অসহায় ও কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবিকার সুযোগ করে দেওয়া সমাজে মানবিকতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করে। পাপনের চাকরি ফিরে পাওয়ার ঘটনাটিও তার একটি উদাহরণ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

অসহায় পাপনের জীবনে আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়ালেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ

আপডেট সময় : ০৮:৪১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার পর চাকরি ফিরে পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতিবন্ধী পাপন। জেলা পরিষদের প্রশাসক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজের উদ্যোগে তার হারানো চাকরি পুনর্বহাল হওয়ায় পরিবারে ফিরেছে স্বস্তি। চাকরি ফিরে পাওয়ার পর প্রথম বেতন হাতে নিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাতে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাপন।

জানা যায়, পাপন একসময় নবীনগর ডাকবাংলোয় দায়িত্ব পালন করতেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নানা কারণে তিনি চাকরি হারান। চাকরিটি ছিল তার পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। চাকরি হারানোর পর দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটি আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটায়।

পাপনের এই দুরবস্থার কথা জানতে পেরে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। পরে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তার চাকরি পুনর্বহালের ব্যবস্থা করা হয়। এতে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ ফিরে পান পাপন।

সম্প্রতি প্রথম বেতন হাতে পাওয়ার পর জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করতে যান পাপন। এ সময় তিনি সালাম জানিয়ে চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেন।
চাকরি ফিরে পাওয়ার এই ঘটনা পাপনের পরিবারের জন্য শুধু আর্থিক স্বস্তিই নয়, নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার একটি সুযোগ তৈরি করেছে। দীর্ঘদিন পর নিজের কর্মস্থলে ফিরতে পেরে পাপনও সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের মতে, অসহায় ও কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবিকার সুযোগ করে দেওয়া সমাজে মানবিকতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করে। পাপনের চাকরি ফিরে পাওয়ার ঘটনাটিও তার একটি উদাহরণ।