ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

অসহায় পাপনের জীবনে আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়ালেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার পর চাকরি ফিরে পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতিবন্ধী পাপন। জেলা পরিষদের প্রশাসক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজের উদ্যোগে তার হারানো চাকরি পুনর্বহাল হওয়ায় পরিবারে ফিরেছে স্বস্তি। চাকরি ফিরে পাওয়ার পর প্রথম বেতন হাতে নিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাতে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাপন।

জানা যায়, পাপন একসময় নবীনগর ডাকবাংলোয় দায়িত্ব পালন করতেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নানা কারণে তিনি চাকরি হারান। চাকরিটি ছিল তার পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। চাকরি হারানোর পর দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটি আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটায়।

পাপনের এই দুরবস্থার কথা জানতে পেরে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। পরে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তার চাকরি পুনর্বহালের ব্যবস্থা করা হয়। এতে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ ফিরে পান পাপন।

সম্প্রতি প্রথম বেতন হাতে পাওয়ার পর জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করতে যান পাপন। এ সময় তিনি সালাম জানিয়ে চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেন।
চাকরি ফিরে পাওয়ার এই ঘটনা পাপনের পরিবারের জন্য শুধু আর্থিক স্বস্তিই নয়, নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার একটি সুযোগ তৈরি করেছে। দীর্ঘদিন পর নিজের কর্মস্থলে ফিরতে পেরে পাপনও সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের মতে, অসহায় ও কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবিকার সুযোগ করে দেওয়া সমাজে মানবিকতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করে। পাপনের চাকরি ফিরে পাওয়ার ঘটনাটিও তার একটি উদাহরণ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

অসহায় পাপনের জীবনে আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়ালেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ

আপডেট সময় : ০৮:৪১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার পর চাকরি ফিরে পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতিবন্ধী পাপন। জেলা পরিষদের প্রশাসক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজের উদ্যোগে তার হারানো চাকরি পুনর্বহাল হওয়ায় পরিবারে ফিরেছে স্বস্তি। চাকরি ফিরে পাওয়ার পর প্রথম বেতন হাতে নিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাতে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পাপন।

জানা যায়, পাপন একসময় নবীনগর ডাকবাংলোয় দায়িত্ব পালন করতেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নানা কারণে তিনি চাকরি হারান। চাকরিটি ছিল তার পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। চাকরি হারানোর পর দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটি আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটায়।

পাপনের এই দুরবস্থার কথা জানতে পেরে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। পরে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তার চাকরি পুনর্বহালের ব্যবস্থা করা হয়। এতে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ ফিরে পান পাপন।

সম্প্রতি প্রথম বেতন হাতে পাওয়ার পর জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করতে যান পাপন। এ সময় তিনি সালাম জানিয়ে চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেন।
চাকরি ফিরে পাওয়ার এই ঘটনা পাপনের পরিবারের জন্য শুধু আর্থিক স্বস্তিই নয়, নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার একটি সুযোগ তৈরি করেছে। দীর্ঘদিন পর নিজের কর্মস্থলে ফিরতে পেরে পাপনও সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের মতে, অসহায় ও কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবিকার সুযোগ করে দেওয়া সমাজে মানবিকতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করে। পাপনের চাকরি ফিরে পাওয়ার ঘটনাটিও তার একটি উদাহরণ।