ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির

ঈদ করতে যাওয়া হলো না বউ-শাশুড়ীর ফেরীতে সিএনজিসহ উঠতে গিয়ে মারা গেলেন দুজনেই

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:২৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • / ৪৬১ বার পড়া হয়েছে
ফেরি থেকে অটোরিকশাসহ মেঘনায় ছিটকে পড়ার ১৩ ঘণ্টা পর শাশুড়ি-পুত্রবধূর লাশ উদ্ধার হয়েছে। শনিবার ভোররাত পাঁচটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কড়িকান্দি ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার বিশনন্দী ফেরিঘাট পাড়ি দেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- খালেদা বেগম (৫৫) ও ফারজানা বেগম (২২)। আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন বিকেল ৬টার দিকে জানান, অটোরিকশাটি উদ্ধার হয়েছে। ভেতরে দুই নারীর লাশ পাওয়া গেছে।
এর আগে দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার করা হয় খালেদা বেগমের ছেলে কামাল হোসেনকে (১৯)। তিনি চিকিৎসাধীন। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রসুল্লাবাদ গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
কামালের চাচাতো ভাই মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ‘আমার চাচা-চাচি সপরিবারে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে বসবাস করেন। চাচা একটা পেট্রোল পাম্পে চাকরি করেন। চাচি, তার দুই ছেলে ও এক পুত্রবধূ সিএনজিচালিত অটোরিকশা দিয়ে আজ বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ফেরিতে ওঠার পর কিছুদূর আসার পর ঝাঁকুনি লেগে অটোরিকশাটি মেঘনা নদীতে পড়ে যায়। এ সময় আমার চাচাতো ভাই কামাল উঠতে পারলেও চাচি ও চাচাতো ভাইয়ের বউ বের হতে পারেনি।’
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, ভোর পাঁচটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক কুদ্দুছ ও ফারজানার স্বামী সাগর মিয়া পাশে নেমে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভেতরে তিনজন বসা ছিলেন।
তাদের অভিযোগ, ফেরিটির পেছনে কোনো রেলিং বা সুরক্ষার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে সামান্য ঝাঁকুনি লাগতেই কাত হয়ে অটোরিকশাটি যাত্রীসহ মেঘনা নদীতে পড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে কড়িকান্দি-বিশনন্দী ফেরিঘাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।
আড়াইহাজারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাত হোসেন জানান, তিনি দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সকালেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
এই দুর্ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফেরিতে নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ঈদ করতে যাওয়া হলো না বউ-শাশুড়ীর ফেরীতে সিএনজিসহ উঠতে গিয়ে মারা গেলেন দুজনেই

আপডেট সময় : ০৩:২৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
ফেরি থেকে অটোরিকশাসহ মেঘনায় ছিটকে পড়ার ১৩ ঘণ্টা পর শাশুড়ি-পুত্রবধূর লাশ উদ্ধার হয়েছে। শনিবার ভোররাত পাঁচটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার কড়িকান্দি ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার বিশনন্দী ফেরিঘাট পাড়ি দেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- খালেদা বেগম (৫৫) ও ফারজানা বেগম (২২)। আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন বিকেল ৬টার দিকে জানান, অটোরিকশাটি উদ্ধার হয়েছে। ভেতরে দুই নারীর লাশ পাওয়া গেছে।
এর আগে দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার করা হয় খালেদা বেগমের ছেলে কামাল হোসেনকে (১৯)। তিনি চিকিৎসাধীন। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রসুল্লাবাদ গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
কামালের চাচাতো ভাই মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ‘আমার চাচা-চাচি সপরিবারে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে বসবাস করেন। চাচা একটা পেট্রোল পাম্পে চাকরি করেন। চাচি, তার দুই ছেলে ও এক পুত্রবধূ সিএনজিচালিত অটোরিকশা দিয়ে আজ বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ফেরিতে ওঠার পর কিছুদূর আসার পর ঝাঁকুনি লেগে অটোরিকশাটি মেঘনা নদীতে পড়ে যায়। এ সময় আমার চাচাতো ভাই কামাল উঠতে পারলেও চাচি ও চাচাতো ভাইয়ের বউ বের হতে পারেনি।’
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, ভোর পাঁচটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক কুদ্দুছ ও ফারজানার স্বামী সাগর মিয়া পাশে নেমে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভেতরে তিনজন বসা ছিলেন।
তাদের অভিযোগ, ফেরিটির পেছনে কোনো রেলিং বা সুরক্ষার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে সামান্য ঝাঁকুনি লাগতেই কাত হয়ে অটোরিকশাটি যাত্রীসহ মেঘনা নদীতে পড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে কড়িকান্দি-বিশনন্দী ফেরিঘাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।
আড়াইহাজারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাত হোসেন জানান, তিনি দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সকালেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
এই দুর্ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফেরিতে নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।