জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
- আপডেট সময় : ০৪:১৪:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
- / ২০ বার পড়া হয়েছে
শহীদ প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিলাদ, দোয়া মাহফিল এবং হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) সকাল ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ১ থেকে ১২ নম্বর ওয়ার্ডের অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহমুব শ্যামল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন, জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট গোলাম সারোয়ার খোকন, এবিএম মমিনুল হক, আনিছুর রহমান মঞ্জুসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহমুব শ্যামল বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সময়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর নানা ধরনের মামলা, হামলা ও নির্যাতন চালানো হলেও বিএনপির নেতাকর্মীরা গণতন্ত্রের পক্ষে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক, যিনি স্বাধীনতা-পরবর্তী সংকটময় সময়ে দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করে উন্নয়ন ও উৎপাদনমুখী রাজনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। কৃষি, শিক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে তিনি বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক সাহসী সৈনিক। তাঁর আদর্শ, কর্ম ও রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শন আজও কোটি মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস। বক্তারা তাঁর রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে অবদান এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাঁর আদর্শকে ধারণ করে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পরে অনুষ্ঠিত মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা উপস্থিত অসহায় ও দরিদ্র মানুষের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।
সংবাদটি শেয়ার করুন
























