ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

বাঞ্ছারামপুরে কোরবানি মাংস বেচাকেনার হাট

ফয়সল আহমেদ খান, বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৪১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • / ৩৬২ বার পড়া হয়েছে
মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির মাংস কুড়িয়ে এনে তা আবারও কেজি দরে বিক্রি করছেন বাঞ্ছারামপুরের নিম্ন আয়ের মানুষেরা। কেজিপ্রতি এসব মাংসের দাম হাঁকা হচ্ছে ৬শত ৫০ টাকা।কিন্তু বিক্রি হচ্ছে ৬’শ টাকা দরে।
আজ ঈদের দিনে শনিবার  (৭ ‍জুন) বিকেলে বাঞ্ছারামপুরের মাতুর বাড়ির মোড়,চৌরাস্তা, উপজেলা ব্রীজ সহ রুপসদী এলাকা ঘুরে মাংস বিক্রির এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
এ দিন মাতু বাড়ির  মোড়ে বিকেল ৪টার দিকে কুড়িয়ে আনা মাংস বিক্রি শুরু হয়। এরমধ্যে কেউ মৌসুমী কসাই হিসেবে কাজ করে মাংস সংগ্রহ করে এনেছেন, আবার কেউবা মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরে পেয়েছেন। পরে নিজেদের প্রয়োজন মতো রেখে বাকিটা বিক্রি করেতে এনেছেন।
এ ক্ষেত্রে ভালো মানের মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০  টাকা। আর তুলনামূলক বেশি চর্বিযুক্ত মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ হতে ৬৫০ টাকা কেজি দরে। যা কিনছেন অনেকেই।
এ বছর কোরবানি দিতে না পেরে পরিবারের জন্য মাংস কিনতে  এসেছেন হোমনার মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন (ছম্দনাম)। ১০ কেজি কিনেছেন ৬০০ টাকা দরে।
 আরেক ক্রেতা মুখে মাস্ক লাগিয়ে এসেছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ক্রেতা  বলেন, ‘কোরবানি দেওয়া হয়নি, তাই মাংস কিনতে আসছিলাম। গত বছর ৭ জনে মিলে শরীক হয়েছিলাম।এ বছর কাজ নেই।সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে ৭ কেজি কিনলাম।”
মাংস বিক্রেতা আল আমিন মেঘনা উপজেলা হতে বাঞ্ছারামপুর এসেছেন ১৫ কেজি মাংস বিক্রি করতে।৬ শ টাকা দরে ৯ হাজার টাকা বিক্রি করে জানান,ঘরে ৫ কেজি রেখে বাকী টা বিক্রি করলাম।এই টাকায় সন্তানদের জন্য জামা কাপড়, বৌয়ের শাড়ি কিনবো। ঘরে ফ্রীজ নাই।এতো মাংস দিয়ে কি করবো?”
তবে স্থান ও মাংসের মানভেদে দামের তারতম্যও দেখা গেছে।ওয়াই ব্রিজ এলাকার পথচারী পারাপার হওয়া সেতুতে বসে গরুর মাংস বিক্রি করছেন একদল মৌসুমী কসাই। হাড় থেকে আলাদা করা এসব মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা কেজি দরে। আর মাথার মাংসের দাম হাঁকা হচ্ছে আড়াইশ’ টাকা।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

বাঞ্ছারামপুরে কোরবানি মাংস বেচাকেনার হাট

আপডেট সময় : ০২:৪১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির মাংস কুড়িয়ে এনে তা আবারও কেজি দরে বিক্রি করছেন বাঞ্ছারামপুরের নিম্ন আয়ের মানুষেরা। কেজিপ্রতি এসব মাংসের দাম হাঁকা হচ্ছে ৬শত ৫০ টাকা।কিন্তু বিক্রি হচ্ছে ৬’শ টাকা দরে।
আজ ঈদের দিনে শনিবার  (৭ ‍জুন) বিকেলে বাঞ্ছারামপুরের মাতুর বাড়ির মোড়,চৌরাস্তা, উপজেলা ব্রীজ সহ রুপসদী এলাকা ঘুরে মাংস বিক্রির এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
এ দিন মাতু বাড়ির  মোড়ে বিকেল ৪টার দিকে কুড়িয়ে আনা মাংস বিক্রি শুরু হয়। এরমধ্যে কেউ মৌসুমী কসাই হিসেবে কাজ করে মাংস সংগ্রহ করে এনেছেন, আবার কেউবা মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরে পেয়েছেন। পরে নিজেদের প্রয়োজন মতো রেখে বাকিটা বিক্রি করেতে এনেছেন।
এ ক্ষেত্রে ভালো মানের মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০  টাকা। আর তুলনামূলক বেশি চর্বিযুক্ত মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ হতে ৬৫০ টাকা কেজি দরে। যা কিনছেন অনেকেই।
এ বছর কোরবানি দিতে না পেরে পরিবারের জন্য মাংস কিনতে  এসেছেন হোমনার মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন (ছম্দনাম)। ১০ কেজি কিনেছেন ৬০০ টাকা দরে।
 আরেক ক্রেতা মুখে মাস্ক লাগিয়ে এসেছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ক্রেতা  বলেন, ‘কোরবানি দেওয়া হয়নি, তাই মাংস কিনতে আসছিলাম। গত বছর ৭ জনে মিলে শরীক হয়েছিলাম।এ বছর কাজ নেই।সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে ৭ কেজি কিনলাম।”
মাংস বিক্রেতা আল আমিন মেঘনা উপজেলা হতে বাঞ্ছারামপুর এসেছেন ১৫ কেজি মাংস বিক্রি করতে।৬ শ টাকা দরে ৯ হাজার টাকা বিক্রি করে জানান,ঘরে ৫ কেজি রেখে বাকী টা বিক্রি করলাম।এই টাকায় সন্তানদের জন্য জামা কাপড়, বৌয়ের শাড়ি কিনবো। ঘরে ফ্রীজ নাই।এতো মাংস দিয়ে কি করবো?”
তবে স্থান ও মাংসের মানভেদে দামের তারতম্যও দেখা গেছে।ওয়াই ব্রিজ এলাকার পথচারী পারাপার হওয়া সেতুতে বসে গরুর মাংস বিক্রি করছেন একদল মৌসুমী কসাই। হাড় থেকে আলাদা করা এসব মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা কেজি দরে। আর মাথার মাংসের দাম হাঁকা হচ্ছে আড়াইশ’ টাকা।