ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির

বাঞ্ছারামপুরে কোরবানি মাংস বেচাকেনার হাট

ফয়সল আহমেদ খান, বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৪১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • / ৩৮৭ বার পড়া হয়েছে
মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির মাংস কুড়িয়ে এনে তা আবারও কেজি দরে বিক্রি করছেন বাঞ্ছারামপুরের নিম্ন আয়ের মানুষেরা। কেজিপ্রতি এসব মাংসের দাম হাঁকা হচ্ছে ৬শত ৫০ টাকা।কিন্তু বিক্রি হচ্ছে ৬’শ টাকা দরে।
আজ ঈদের দিনে শনিবার  (৭ ‍জুন) বিকেলে বাঞ্ছারামপুরের মাতুর বাড়ির মোড়,চৌরাস্তা, উপজেলা ব্রীজ সহ রুপসদী এলাকা ঘুরে মাংস বিক্রির এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
এ দিন মাতু বাড়ির  মোড়ে বিকেল ৪টার দিকে কুড়িয়ে আনা মাংস বিক্রি শুরু হয়। এরমধ্যে কেউ মৌসুমী কসাই হিসেবে কাজ করে মাংস সংগ্রহ করে এনেছেন, আবার কেউবা মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরে পেয়েছেন। পরে নিজেদের প্রয়োজন মতো রেখে বাকিটা বিক্রি করেতে এনেছেন।
এ ক্ষেত্রে ভালো মানের মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০  টাকা। আর তুলনামূলক বেশি চর্বিযুক্ত মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ হতে ৬৫০ টাকা কেজি দরে। যা কিনছেন অনেকেই।
এ বছর কোরবানি দিতে না পেরে পরিবারের জন্য মাংস কিনতে  এসেছেন হোমনার মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন (ছম্দনাম)। ১০ কেজি কিনেছেন ৬০০ টাকা দরে।
 আরেক ক্রেতা মুখে মাস্ক লাগিয়ে এসেছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ক্রেতা  বলেন, ‘কোরবানি দেওয়া হয়নি, তাই মাংস কিনতে আসছিলাম। গত বছর ৭ জনে মিলে শরীক হয়েছিলাম।এ বছর কাজ নেই।সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে ৭ কেজি কিনলাম।”
মাংস বিক্রেতা আল আমিন মেঘনা উপজেলা হতে বাঞ্ছারামপুর এসেছেন ১৫ কেজি মাংস বিক্রি করতে।৬ শ টাকা দরে ৯ হাজার টাকা বিক্রি করে জানান,ঘরে ৫ কেজি রেখে বাকী টা বিক্রি করলাম।এই টাকায় সন্তানদের জন্য জামা কাপড়, বৌয়ের শাড়ি কিনবো। ঘরে ফ্রীজ নাই।এতো মাংস দিয়ে কি করবো?”
তবে স্থান ও মাংসের মানভেদে দামের তারতম্যও দেখা গেছে।ওয়াই ব্রিজ এলাকার পথচারী পারাপার হওয়া সেতুতে বসে গরুর মাংস বিক্রি করছেন একদল মৌসুমী কসাই। হাড় থেকে আলাদা করা এসব মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা কেজি দরে। আর মাথার মাংসের দাম হাঁকা হচ্ছে আড়াইশ’ টাকা।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

বাঞ্ছারামপুরে কোরবানি মাংস বেচাকেনার হাট

আপডেট সময় : ০২:৪১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির মাংস কুড়িয়ে এনে তা আবারও কেজি দরে বিক্রি করছেন বাঞ্ছারামপুরের নিম্ন আয়ের মানুষেরা। কেজিপ্রতি এসব মাংসের দাম হাঁকা হচ্ছে ৬শত ৫০ টাকা।কিন্তু বিক্রি হচ্ছে ৬’শ টাকা দরে।
আজ ঈদের দিনে শনিবার  (৭ ‍জুন) বিকেলে বাঞ্ছারামপুরের মাতুর বাড়ির মোড়,চৌরাস্তা, উপজেলা ব্রীজ সহ রুপসদী এলাকা ঘুরে মাংস বিক্রির এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
এ দিন মাতু বাড়ির  মোড়ে বিকেল ৪টার দিকে কুড়িয়ে আনা মাংস বিক্রি শুরু হয়। এরমধ্যে কেউ মৌসুমী কসাই হিসেবে কাজ করে মাংস সংগ্রহ করে এনেছেন, আবার কেউবা মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরে পেয়েছেন। পরে নিজেদের প্রয়োজন মতো রেখে বাকিটা বিক্রি করেতে এনেছেন।
এ ক্ষেত্রে ভালো মানের মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০  টাকা। আর তুলনামূলক বেশি চর্বিযুক্ত মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ হতে ৬৫০ টাকা কেজি দরে। যা কিনছেন অনেকেই।
এ বছর কোরবানি দিতে না পেরে পরিবারের জন্য মাংস কিনতে  এসেছেন হোমনার মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন (ছম্দনাম)। ১০ কেজি কিনেছেন ৬০০ টাকা দরে।
 আরেক ক্রেতা মুখে মাস্ক লাগিয়ে এসেছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ক্রেতা  বলেন, ‘কোরবানি দেওয়া হয়নি, তাই মাংস কিনতে আসছিলাম। গত বছর ৭ জনে মিলে শরীক হয়েছিলাম।এ বছর কাজ নেই।সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে ৭ কেজি কিনলাম।”
মাংস বিক্রেতা আল আমিন মেঘনা উপজেলা হতে বাঞ্ছারামপুর এসেছেন ১৫ কেজি মাংস বিক্রি করতে।৬ শ টাকা দরে ৯ হাজার টাকা বিক্রি করে জানান,ঘরে ৫ কেজি রেখে বাকী টা বিক্রি করলাম।এই টাকায় সন্তানদের জন্য জামা কাপড়, বৌয়ের শাড়ি কিনবো। ঘরে ফ্রীজ নাই।এতো মাংস দিয়ে কি করবো?”
তবে স্থান ও মাংসের মানভেদে দামের তারতম্যও দেখা গেছে।ওয়াই ব্রিজ এলাকার পথচারী পারাপার হওয়া সেতুতে বসে গরুর মাংস বিক্রি করছেন একদল মৌসুমী কসাই। হাড় থেকে আলাদা করা এসব মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা কেজি দরে। আর মাথার মাংসের দাম হাঁকা হচ্ছে আড়াইশ’ টাকা।