ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
​কসবায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল: সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধের দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত নাটাই উত্তরের রাজঘর-থলিয়ারায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ব্রিটেন কনজারভেটিভ পার্টির ইলিং সাউথল আসনে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি সন্তান ইব্রাহিম ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে যাত্রীসেবায় জেলা পরিষদের উদ্যোগ, বসানো হবে ২০টি ফ্যান ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা সরাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে যাত্রীবাহী বাস, নিহত ৪; আহত অন্তত ১০ ঢোলভাঙ্গায় পানি নেই, আছে দূষন,দখল আর আবর্জনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া

নবীনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত-১১

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫
  • / ৪২৪ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। রবিবার দুপুরে উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামের আ.লীগের সাবেক চেয়ারম্যান হোসেন মিয়ার সমর্থকদের সঙ্গে জাকির মহাজন সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এ সময় টিয়ারা গ্রামে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দফায় দফায় হওয়া এ সংঘর্ষে যৌথবাহিনি অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জানা যায়, টিয়ারা গ্রামের মো. ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে মো. রিমন হোসেন বাজারে দুধ বিক্রি করতে যাওয়ার সময় অপর পক্ষের মিলন মিয়ার ছেলে মো. সাগর মিয়ার সাথে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে টেঁটাবিদ্ধ ও লাঠির আঘাতে ১১ জন আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছেন ৪ জন। আহতদের মধ্যে টিয়ারা গ্রামের মুন্সি বাড়ির মৃত শাহ আলমের ছেলে মো. মহসিন, মৃত আবুল খায়েরের ছেলে শিমুল মিয়া, আব্দুল হান্নানের ছেলে আলম মিয়া, মফিজুল ইসলামের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান এবং একই গ্রামের পশ্চিম পাড়ার মোহাম্মদ নুর মিয়ার ছেলে ইনু মিয়া, তোতা মিয়ার ছেলে আমিনুল ইসলাম, খলিল মিয়ার ছেলে রানা মিয়া, মিলন মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া, মুন্নাফ মিয়ার ছেলে ফরিদুল ইসলাম, রোমন মিয়ার ছেলে হোসেন মিয়া।

আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল ও ঢাকায় নেয়া হয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

নবীনগর থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় ও সংঘর্ষ যেন আর না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক আছি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত নবীনগর থানায় অভিযোগ বা মামলা হয়নি।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নবীনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত-১১

আপডেট সময় : ০৭:০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। রবিবার দুপুরে উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামের আ.লীগের সাবেক চেয়ারম্যান হোসেন মিয়ার সমর্থকদের সঙ্গে জাকির মহাজন সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এ সময় টিয়ারা গ্রামে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দফায় দফায় হওয়া এ সংঘর্ষে যৌথবাহিনি অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জানা যায়, টিয়ারা গ্রামের মো. ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে মো. রিমন হোসেন বাজারে দুধ বিক্রি করতে যাওয়ার সময় অপর পক্ষের মিলন মিয়ার ছেলে মো. সাগর মিয়ার সাথে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে টেঁটাবিদ্ধ ও লাঠির আঘাতে ১১ জন আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছেন ৪ জন। আহতদের মধ্যে টিয়ারা গ্রামের মুন্সি বাড়ির মৃত শাহ আলমের ছেলে মো. মহসিন, মৃত আবুল খায়েরের ছেলে শিমুল মিয়া, আব্দুল হান্নানের ছেলে আলম মিয়া, মফিজুল ইসলামের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান এবং একই গ্রামের পশ্চিম পাড়ার মোহাম্মদ নুর মিয়ার ছেলে ইনু মিয়া, তোতা মিয়ার ছেলে আমিনুল ইসলাম, খলিল মিয়ার ছেলে রানা মিয়া, মিলন মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া, মুন্নাফ মিয়ার ছেলে ফরিদুল ইসলাম, রোমন মিয়ার ছেলে হোসেন মিয়া।

আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল ও ঢাকায় নেয়া হয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

নবীনগর থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় ও সংঘর্ষ যেন আর না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক আছি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত নবীনগর থানায় অভিযোগ বা মামলা হয়নি।