ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

নিষেধাজ্ঞা সত্বেও আইন অমান্য করে কাটা হচ্ছে ফসলী জমির টপ সয়েল

বাঞ্ছারামপুর, (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি 
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে
ফসলি জমির টপসয়েল কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পরিবেশ আইন অমান্য করে রাতের আঁধারে স্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল কাটা হচ্ছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে কৃষি জমি। জমিগুলো একের পর এক ডোবানালা ও বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হচ্ছে। এতে যেমন জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্যও।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি  ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সংলগ্ন  ভেলানগরে ও ফরদাবাদ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে  ফসলী কৃষিজমিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষি জমি কেটে ডোবায় পরিণত করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে আশপাশের জমিও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। রাতের আঁধারে কাটা হচ্ছে এই মাঁটিগুলো। বিভিন্ন জায়গায় এ মাঁটিগুলো বিক্রি করছে বলে খবর পাওয়া যায়। স্থানীয়রা বলেন, এসব মাঁটি রাতের আঁধারে কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। ভেকু ও এস্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির উপরের অংশ ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা ভরাট কাজে। এতে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। তৈরি হয়েছে ডোবা। সেই ডোবা থেকে ডেঙ্গুর উপদ্রব বাড়তে পারে। মাঁটি কাটা বন্ধ না হলে একসময় ওই এলাকা থেকে কৃষি জমি হারিয়ে যাবে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।
ভেলানগর গ্রামের বাছির উদ্দিন, খাজা মিয়া,রহিম মিয়া সহ ১৩ জন আজ বাঞ্ছারামপুর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ বলেন, একটি জমির বিভিন্ন জায়গা থেকে মাঁটি কাটার ফলে বড় বড় গর্ত ও পুকুর তৈরি হয়েছে। রাতে ট্রাকে করে মাঁটি নিয়ে যাওয়ার ফলে সড়ক নষ্ট হচ্ছে। কখন আমাদের কৃষি জমির মাটি চুরি হয়ে যায় সে আতঙ্কে রয়েছি আমরা। কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, ফসলি জমির উপরিভাগের ১০ থেকে ১২ ইঞ্চির মধ্যে মাটির জৈব উপাদান থাকে। সেই মাটি কাটা হলে জমির জৈব উপাদান চলে যায়। এতে জমির স্থায়ী ক্ষতি হয়। ফসলি জমির মাটি কাঁটা তাই বেআইনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা
বলেন, ব্যক্তিগত জমি থেকে মাঁটি কাঁটার অনুমতি নেই। কেউ কেঁটে থাকলে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিষেধাজ্ঞা সত্বেও আইন অমান্য করে কাটা হচ্ছে ফসলী জমির টপ সয়েল

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
ফসলি জমির টপসয়েল কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পরিবেশ আইন অমান্য করে রাতের আঁধারে স্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল কাটা হচ্ছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে কৃষি জমি। জমিগুলো একের পর এক ডোবানালা ও বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হচ্ছে। এতে যেমন জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্যও।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি  ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সংলগ্ন  ভেলানগরে ও ফরদাবাদ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে  ফসলী কৃষিজমিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষি জমি কেটে ডোবায় পরিণত করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে আশপাশের জমিও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। রাতের আঁধারে কাটা হচ্ছে এই মাঁটিগুলো। বিভিন্ন জায়গায় এ মাঁটিগুলো বিক্রি করছে বলে খবর পাওয়া যায়। স্থানীয়রা বলেন, এসব মাঁটি রাতের আঁধারে কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। ভেকু ও এস্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির উপরের অংশ ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা ভরাট কাজে। এতে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। তৈরি হয়েছে ডোবা। সেই ডোবা থেকে ডেঙ্গুর উপদ্রব বাড়তে পারে। মাঁটি কাটা বন্ধ না হলে একসময় ওই এলাকা থেকে কৃষি জমি হারিয়ে যাবে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।
ভেলানগর গ্রামের বাছির উদ্দিন, খাজা মিয়া,রহিম মিয়া সহ ১৩ জন আজ বাঞ্ছারামপুর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ বলেন, একটি জমির বিভিন্ন জায়গা থেকে মাঁটি কাটার ফলে বড় বড় গর্ত ও পুকুর তৈরি হয়েছে। রাতে ট্রাকে করে মাঁটি নিয়ে যাওয়ার ফলে সড়ক নষ্ট হচ্ছে। কখন আমাদের কৃষি জমির মাটি চুরি হয়ে যায় সে আতঙ্কে রয়েছি আমরা। কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, ফসলি জমির উপরিভাগের ১০ থেকে ১২ ইঞ্চির মধ্যে মাটির জৈব উপাদান থাকে। সেই মাটি কাটা হলে জমির জৈব উপাদান চলে যায়। এতে জমির স্থায়ী ক্ষতি হয়। ফসলি জমির মাটি কাঁটা তাই বেআইনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা
বলেন, ব্যক্তিগত জমি থেকে মাঁটি কাঁটার অনুমতি নেই। কেউ কেঁটে থাকলে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।