ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির

নিষেধাজ্ঞা সত্বেও আইন অমান্য করে কাটা হচ্ছে ফসলী জমির টপ সয়েল

বাঞ্ছারামপুর, (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি 
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে
ফসলি জমির টপসয়েল কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পরিবেশ আইন অমান্য করে রাতের আঁধারে স্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল কাটা হচ্ছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে কৃষি জমি। জমিগুলো একের পর এক ডোবানালা ও বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হচ্ছে। এতে যেমন জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্যও।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি  ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সংলগ্ন  ভেলানগরে ও ফরদাবাদ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে  ফসলী কৃষিজমিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষি জমি কেটে ডোবায় পরিণত করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে আশপাশের জমিও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। রাতের আঁধারে কাটা হচ্ছে এই মাঁটিগুলো। বিভিন্ন জায়গায় এ মাঁটিগুলো বিক্রি করছে বলে খবর পাওয়া যায়। স্থানীয়রা বলেন, এসব মাঁটি রাতের আঁধারে কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। ভেকু ও এস্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির উপরের অংশ ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা ভরাট কাজে। এতে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। তৈরি হয়েছে ডোবা। সেই ডোবা থেকে ডেঙ্গুর উপদ্রব বাড়তে পারে। মাঁটি কাটা বন্ধ না হলে একসময় ওই এলাকা থেকে কৃষি জমি হারিয়ে যাবে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।
ভেলানগর গ্রামের বাছির উদ্দিন, খাজা মিয়া,রহিম মিয়া সহ ১৩ জন আজ বাঞ্ছারামপুর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ বলেন, একটি জমির বিভিন্ন জায়গা থেকে মাঁটি কাটার ফলে বড় বড় গর্ত ও পুকুর তৈরি হয়েছে। রাতে ট্রাকে করে মাঁটি নিয়ে যাওয়ার ফলে সড়ক নষ্ট হচ্ছে। কখন আমাদের কৃষি জমির মাটি চুরি হয়ে যায় সে আতঙ্কে রয়েছি আমরা। কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, ফসলি জমির উপরিভাগের ১০ থেকে ১২ ইঞ্চির মধ্যে মাটির জৈব উপাদান থাকে। সেই মাটি কাটা হলে জমির জৈব উপাদান চলে যায়। এতে জমির স্থায়ী ক্ষতি হয়। ফসলি জমির মাটি কাঁটা তাই বেআইনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা
বলেন, ব্যক্তিগত জমি থেকে মাঁটি কাঁটার অনুমতি নেই। কেউ কেঁটে থাকলে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিষেধাজ্ঞা সত্বেও আইন অমান্য করে কাটা হচ্ছে ফসলী জমির টপ সয়েল

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
ফসলি জমির টপসয়েল কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পরিবেশ আইন অমান্য করে রাতের আঁধারে স্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল কাটা হচ্ছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে কৃষি জমি। জমিগুলো একের পর এক ডোবানালা ও বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হচ্ছে। এতে যেমন জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্যও।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি  ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সংলগ্ন  ভেলানগরে ও ফরদাবাদ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে  ফসলী কৃষিজমিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষি জমি কেটে ডোবায় পরিণত করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে আশপাশের জমিও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। রাতের আঁধারে কাটা হচ্ছে এই মাঁটিগুলো। বিভিন্ন জায়গায় এ মাঁটিগুলো বিক্রি করছে বলে খবর পাওয়া যায়। স্থানীয়রা বলেন, এসব মাঁটি রাতের আঁধারে কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। ভেকু ও এস্কেভেটর দিয়ে ফসলি জমির উপরের অংশ ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা ভরাট কাজে। এতে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। তৈরি হয়েছে ডোবা। সেই ডোবা থেকে ডেঙ্গুর উপদ্রব বাড়তে পারে। মাঁটি কাটা বন্ধ না হলে একসময় ওই এলাকা থেকে কৃষি জমি হারিয়ে যাবে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।
ভেলানগর গ্রামের বাছির উদ্দিন, খাজা মিয়া,রহিম মিয়া সহ ১৩ জন আজ বাঞ্ছারামপুর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ বলেন, একটি জমির বিভিন্ন জায়গা থেকে মাঁটি কাটার ফলে বড় বড় গর্ত ও পুকুর তৈরি হয়েছে। রাতে ট্রাকে করে মাঁটি নিয়ে যাওয়ার ফলে সড়ক নষ্ট হচ্ছে। কখন আমাদের কৃষি জমির মাটি চুরি হয়ে যায় সে আতঙ্কে রয়েছি আমরা। কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, ফসলি জমির উপরিভাগের ১০ থেকে ১২ ইঞ্চির মধ্যে মাটির জৈব উপাদান থাকে। সেই মাটি কাটা হলে জমির জৈব উপাদান চলে যায়। এতে জমির স্থায়ী ক্ষতি হয়। ফসলি জমির মাটি কাঁটা তাই বেআইনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা
বলেন, ব্যক্তিগত জমি থেকে মাঁটি কাঁটার অনুমতি নেই। কেউ কেঁটে থাকলে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।