ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু
পারিবারিক সমস্যা ও  শারীরিক চিকিৎসার জন্য দোকানের কাজের লোককে এক কোটি টাকা ঋণ

পৌরভবন না করেই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র তফাজ্জল

ফয়সল আহমেদ খান, বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৫৩৪ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ভিপি তফাজ্জল হোসেনের  বিরুদ্ধে  পৌরসভার ভবন না করেই এককোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ মিলেছে।

সোমবার দুপুরে বর্তমান পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার ভূমি নজরুল ইসলাম ও পৌরসভার সচিব হাবিব উল্লাহ খান  অফিস ও ব্যাংকের নথিপত্র দেখে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছাত্রদল নেতা নয়ন হত্যা মামলার আসামি, আওয়ামী লীগ নেতা  বর্তমানে পলাতক সাবেক মেয়র তফাজ্জল  বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে  একের পর এক অনিয়ম করতে থাকেন।
তারই ধারাবাহিকতায় গত ২০২৪ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি ও ১৯ ফেব্রুয়ারি তার আপন শ্যালক লিটনের নামে ৫০ লাখ করে এককোটি টাকা বাঞ্ছারামপুর ইউসিবি ব্যাংক থেকে  উত্তোলন করে নিজে হাতিয়ে নেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা সদরের মাওলাগঞ্জ বাজারের কাছে পৌরসভার নিজস্ব ভূমিতে বিনা টেন্ডারে অতিগোপনে দুটি চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন  করেন।
দশদোনা গ্রামের আবিদ মিয়ার ছেলে কারন মিয়া পৌরসভার কাছে পারিবারিক সমস্যা ও  শারীরিক চিকিৎসার জন্য মেয়রের কাছে ঋণ চাওয়ার  নাটক সাজিয়ে, “পৌর ভবন নির্মাণ তহবিল হইতে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হোক” মর্মে পৌর  সচিব ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা গ্রহণের  নির্দেশ প্রদান করেন সাবেক আওয়ামী এই মেয়র ।
কিন্তু, টাকা উত্তোলন করেন মেয়রের শ্যালক লিটন।
পৌর সচিব হাবিব উল্লাহ খান বলেন, এ বিষয়টি আমি জানতাম। কিন্তু আওয়ামী লীগের দাপুটে এই মেয়রের বিরুদ্ধে কথা বলার ক্ষমতা আমার ছিল না, তিনি যা বলেছেন আমি তাই করেছি।
এই বিষয়ে মেয়রের শ্যালক লিটন মিয়াকে ফোন করলে তিনি বলেন, এক বছর আগের কাহিনী আমার মনে নেই  বলে ফোন কেটে দেন।
বর্তমানে পৌর মেয়র পলাতক রয়েছেন বিধায়  তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।
 কারন মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি মেয়রের  দোকানে কাজ করি আমাকে দিয়ে আবেদন করিয়েছিলেন, এর বেশি আমি কিছু জানি না।
এবিষয়ে সোমবার দুপুরে পৌর ভবনে বর্তমান
পৌর প্রশাসক মো.নজরুল ইসলাম বলেন, সাবেক মেয়র যা করেছেন তা গুরুতর অনিয়ম। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন  কর্তৃপক্ষকে জানাবো।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বলেন, তথ্য উপাত্তের  ভিত্তিতে আমি তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

পারিবারিক সমস্যা ও  শারীরিক চিকিৎসার জন্য দোকানের কাজের লোককে এক কোটি টাকা ঋণ

পৌরভবন না করেই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র তফাজ্জল

আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ভিপি তফাজ্জল হোসেনের  বিরুদ্ধে  পৌরসভার ভবন না করেই এককোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ মিলেছে।

সোমবার দুপুরে বর্তমান পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার ভূমি নজরুল ইসলাম ও পৌরসভার সচিব হাবিব উল্লাহ খান  অফিস ও ব্যাংকের নথিপত্র দেখে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছাত্রদল নেতা নয়ন হত্যা মামলার আসামি, আওয়ামী লীগ নেতা  বর্তমানে পলাতক সাবেক মেয়র তফাজ্জল  বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে  একের পর এক অনিয়ম করতে থাকেন।
তারই ধারাবাহিকতায় গত ২০২৪ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি ও ১৯ ফেব্রুয়ারি তার আপন শ্যালক লিটনের নামে ৫০ লাখ করে এককোটি টাকা বাঞ্ছারামপুর ইউসিবি ব্যাংক থেকে  উত্তোলন করে নিজে হাতিয়ে নেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা সদরের মাওলাগঞ্জ বাজারের কাছে পৌরসভার নিজস্ব ভূমিতে বিনা টেন্ডারে অতিগোপনে দুটি চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন  করেন।
দশদোনা গ্রামের আবিদ মিয়ার ছেলে কারন মিয়া পৌরসভার কাছে পারিবারিক সমস্যা ও  শারীরিক চিকিৎসার জন্য মেয়রের কাছে ঋণ চাওয়ার  নাটক সাজিয়ে, “পৌর ভবন নির্মাণ তহবিল হইতে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হোক” মর্মে পৌর  সচিব ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা গ্রহণের  নির্দেশ প্রদান করেন সাবেক আওয়ামী এই মেয়র ।
কিন্তু, টাকা উত্তোলন করেন মেয়রের শ্যালক লিটন।
পৌর সচিব হাবিব উল্লাহ খান বলেন, এ বিষয়টি আমি জানতাম। কিন্তু আওয়ামী লীগের দাপুটে এই মেয়রের বিরুদ্ধে কথা বলার ক্ষমতা আমার ছিল না, তিনি যা বলেছেন আমি তাই করেছি।
এই বিষয়ে মেয়রের শ্যালক লিটন মিয়াকে ফোন করলে তিনি বলেন, এক বছর আগের কাহিনী আমার মনে নেই  বলে ফোন কেটে দেন।
বর্তমানে পৌর মেয়র পলাতক রয়েছেন বিধায়  তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।
 কারন মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি মেয়রের  দোকানে কাজ করি আমাকে দিয়ে আবেদন করিয়েছিলেন, এর বেশি আমি কিছু জানি না।
এবিষয়ে সোমবার দুপুরে পৌর ভবনে বর্তমান
পৌর প্রশাসক মো.নজরুল ইসলাম বলেন, সাবেক মেয়র যা করেছেন তা গুরুতর অনিয়ম। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন  কর্তৃপক্ষকে জানাবো।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বলেন, তথ্য উপাত্তের  ভিত্তিতে আমি তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।