ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

বাঞ্ছারমপু‌রে অবৈধ ঘের উচ্ছেদ অভিযান ৪টি ঘের সহ ৫৩ হাজার টাকার রিং জাল ধ্বংস

সালমা আহ‌মেদ, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়া) প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়ার বাঞ্ছ‌ারামপু‌র মেঘনা নদীতে অবৈধ ঘের থাকায় নদীর স্বাভাবিক গতি বাধাসহ জেলেদের মাছ ধরতে সমস্যায় সম্মুখীন হয়ে থাকে। এসব অভিযোগে আজ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারী) বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফের‌দৌস  আরার নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: নজরুল ইসলা‌মের নেতৃত্বে দিনব্যাপী অবৈধ ঘের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময়  চরশিবপুর গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীর শাখা নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।প্রায় ৪ ঘন্টা যাবৎ চলমান এ অভিযানে ৪ টি খেও/ ঘের উচ্ছেদ করা হয় এবং ৩৫ টি চায়না দুয়ারী ম্যাজিক জাল (রিং জাল) জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৫৩ হাজার টাকা।অভিযান শেষে দশআনী ঘাটে জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।উক্ত অভিযানে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার  পুলিশ সদস্য উপস্থিত থেকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেছেন।
নাম প্রকা‌শে অ‌নিচ্ছুক জনৈক জেলে বলেন, নদীতে খেউ বা ঘের থাকার কারণে আমরা জাল টানতে পারি না। এমনকি মাছ মারতে গেলে খেউ বা ঘের মালিকরা বাধা দেয়, আমরা যদি মাছ না ধরতে পারি- তাহলে ছেলেমেয়ে নিয়ে বাঁচব কিভাবে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: নজরুল ইসলাম বলেন, এক ধরনের মাছের ঘের যা তিনদিকে বাঁশ পুঁতে, ডালপালা ফেলে, কচুরিপানা আটকে তৈরি করা হয়। ঘের এবং নদীর মাছ জায়গাটিকে অভয়ারণ্য মনে করে মাছ ঘেরে আশ্রায় নেয়। যেখানে সাধারণ জেলেদের মাছ ধরার কোন অধিকার থাকে না আর আইনত এধরনের ঘের অবৈধ।
অন্যদিকে, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইদা ইসলাম বলেন, বাঁশ পুঁতে, ডালপালা ফেলে, কচুরিপানা আটকে ঘের তৈরির ফলে নদী প্রবাহে যে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, তা যদি চলতেই থাকে তাহলে পলি জমে প্রতিনিয়তই নাব্য হারাবে নদী। তারই প্রেক্ষিতে আজ এই অভিযান চালানো হয়। ভবিষ্যতেও এরকম অভিযান চলবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

বাঞ্ছারমপু‌রে অবৈধ ঘের উচ্ছেদ অভিযান ৪টি ঘের সহ ৫৩ হাজার টাকার রিং জাল ধ্বংস

আপডেট সময় : ০৪:২৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়ার বাঞ্ছ‌ারামপু‌র মেঘনা নদীতে অবৈধ ঘের থাকায় নদীর স্বাভাবিক গতি বাধাসহ জেলেদের মাছ ধরতে সমস্যায় সম্মুখীন হয়ে থাকে। এসব অভিযোগে আজ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারী) বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফের‌দৌস  আরার নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: নজরুল ইসলা‌মের নেতৃত্বে দিনব্যাপী অবৈধ ঘের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময়  চরশিবপুর গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীর শাখা নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।প্রায় ৪ ঘন্টা যাবৎ চলমান এ অভিযানে ৪ টি খেও/ ঘের উচ্ছেদ করা হয় এবং ৩৫ টি চায়না দুয়ারী ম্যাজিক জাল (রিং জাল) জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৫৩ হাজার টাকা।অভিযান শেষে দশআনী ঘাটে জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।উক্ত অভিযানে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার  পুলিশ সদস্য উপস্থিত থেকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেছেন।
নাম প্রকা‌শে অ‌নিচ্ছুক জনৈক জেলে বলেন, নদীতে খেউ বা ঘের থাকার কারণে আমরা জাল টানতে পারি না। এমনকি মাছ মারতে গেলে খেউ বা ঘের মালিকরা বাধা দেয়, আমরা যদি মাছ না ধরতে পারি- তাহলে ছেলেমেয়ে নিয়ে বাঁচব কিভাবে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: নজরুল ইসলাম বলেন, এক ধরনের মাছের ঘের যা তিনদিকে বাঁশ পুঁতে, ডালপালা ফেলে, কচুরিপানা আটকে তৈরি করা হয়। ঘের এবং নদীর মাছ জায়গাটিকে অভয়ারণ্য মনে করে মাছ ঘেরে আশ্রায় নেয়। যেখানে সাধারণ জেলেদের মাছ ধরার কোন অধিকার থাকে না আর আইনত এধরনের ঘের অবৈধ।
অন্যদিকে, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইদা ইসলাম বলেন, বাঁশ পুঁতে, ডালপালা ফেলে, কচুরিপানা আটকে ঘের তৈরির ফলে নদী প্রবাহে যে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, তা যদি চলতেই থাকে তাহলে পলি জমে প্রতিনিয়তই নাব্য হারাবে নদী। তারই প্রেক্ষিতে আজ এই অভিযান চালানো হয়। ভবিষ্যতেও এরকম অভিযান চলবে।