ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

খিরা চাষে মুখে হাসি ফুটিয়েছে আশাবুদ্দিনের

সালমা আহমেদ , বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি 
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে

কৃষক আশাবুদ্দিন মিয়া।কৃষি নির্ভর তার  জীবন যাপন।১ছেলে ১ মেয়ে স্কুলে পড়ছে।কয়েক বছর যাবত চাষাবাদ করে তেমন সাফল্য পাচ্ছলেন না।কিন্তু, এ বছর ‘খিরা চাষ ও তার লাভ’ তার মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

১০ হাজার খরচে খিরা চাষে লাভ মাত্র একমাসে ৭০ হাজার টাকা লাভ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর  উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের আশাবুদ্দিন মিয়া। চলতি বছর পরীক্ষামূলক খিরার চাষ করে বাজিমাত করেছেন তিনি। এছাড়া সব সময় খিরার চাহিদা থাকায় এই এলাকার কৃষকেরাও এটি চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। তার দেখাদেখি অনেকেই খিরা চাষে উদ্ধুদ্ধ হচ্ছেন বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, ‘শিবপুর গ্রামের জমিন বালি মাটি হওয়ায় খিরা,মিষ্টি আলু ও বাদাম ছাড়া  ফসল করা যায় না,আমি খিরাকে বেছে নিয়েছি ।

জানা গেছে,  শিবপুর  চরাঞ্চলে প্রক্রিয়াজাত করে খিরার বীজ লাগানো হয়েছে। জমির সমতল মাটি পার্শ্ববর্তী নদী  থেকে প্রায় এক-দেড় ফুট উঁচুতে। এই উচ্চতা তৈরি করা হয়েছে জমির মাটি কেটে স্তূপ করে। ১ কানি (৩০ শতক) জমিতে খিরা চাষ করেছেন আশাবুদ্দিন।’

ক্ষেতের প্রতিটি গাছে প্রচুর খিরা ধরে আছে। রমজান মাস উপলক্ষ্যে বিশেষ চাহিদা থাকায় খিরা তোলায় ব্যস্ত চাষি আশাবুদ্দিন। বীজ, সার, সেচ, শ্রমিকসহ মাত্র ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি গত ৩০ দিনে ৭০ হাজার টাকার খিরা বিক্রি করেছেন।আরো ১ লাখ টাকা বিক্রির আশা করছেন।

আশাবুদ্দিন মিয়া বলেন, ২ মাস আগে  চারা লাগিয়েছিলাম। ইতোমধ্যে ফলন উঠতে শুরু করেছে। প্রথমে একদিন পরপর ২০০-৩০০ কেজি করে খিরা তুলে বিক্রি করেছি।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.নাসিরুদ্দিন বলেন, বর্তমানে খিরার ব্যাপক চাহিদা আছে। পাশাপাশি বাজারে ভাল দামও পাচ্ছেন চাষিরা। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তাকেসহ সব খিরা চাষীদের বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন ফসল উৎপাদনে পরামর্শ ও সহায়তা করা হচ্ছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

খিরা চাষে মুখে হাসি ফুটিয়েছে আশাবুদ্দিনের

আপডেট সময় : ০৮:১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

কৃষক আশাবুদ্দিন মিয়া।কৃষি নির্ভর তার  জীবন যাপন।১ছেলে ১ মেয়ে স্কুলে পড়ছে।কয়েক বছর যাবত চাষাবাদ করে তেমন সাফল্য পাচ্ছলেন না।কিন্তু, এ বছর ‘খিরা চাষ ও তার লাভ’ তার মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

১০ হাজার খরচে খিরা চাষে লাভ মাত্র একমাসে ৭০ হাজার টাকা লাভ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর  উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের আশাবুদ্দিন মিয়া। চলতি বছর পরীক্ষামূলক খিরার চাষ করে বাজিমাত করেছেন তিনি। এছাড়া সব সময় খিরার চাহিদা থাকায় এই এলাকার কৃষকেরাও এটি চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। তার দেখাদেখি অনেকেই খিরা চাষে উদ্ধুদ্ধ হচ্ছেন বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, ‘শিবপুর গ্রামের জমিন বালি মাটি হওয়ায় খিরা,মিষ্টি আলু ও বাদাম ছাড়া  ফসল করা যায় না,আমি খিরাকে বেছে নিয়েছি ।

জানা গেছে,  শিবপুর  চরাঞ্চলে প্রক্রিয়াজাত করে খিরার বীজ লাগানো হয়েছে। জমির সমতল মাটি পার্শ্ববর্তী নদী  থেকে প্রায় এক-দেড় ফুট উঁচুতে। এই উচ্চতা তৈরি করা হয়েছে জমির মাটি কেটে স্তূপ করে। ১ কানি (৩০ শতক) জমিতে খিরা চাষ করেছেন আশাবুদ্দিন।’

ক্ষেতের প্রতিটি গাছে প্রচুর খিরা ধরে আছে। রমজান মাস উপলক্ষ্যে বিশেষ চাহিদা থাকায় খিরা তোলায় ব্যস্ত চাষি আশাবুদ্দিন। বীজ, সার, সেচ, শ্রমিকসহ মাত্র ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি গত ৩০ দিনে ৭০ হাজার টাকার খিরা বিক্রি করেছেন।আরো ১ লাখ টাকা বিক্রির আশা করছেন।

আশাবুদ্দিন মিয়া বলেন, ২ মাস আগে  চারা লাগিয়েছিলাম। ইতোমধ্যে ফলন উঠতে শুরু করেছে। প্রথমে একদিন পরপর ২০০-৩০০ কেজি করে খিরা তুলে বিক্রি করেছি।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.নাসিরুদ্দিন বলেন, বর্তমানে খিরার ব্যাপক চাহিদা আছে। পাশাপাশি বাজারে ভাল দামও পাচ্ছেন চাষিরা। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তাকেসহ সব খিরা চাষীদের বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন ফসল উৎপাদনে পরামর্শ ও সহায়তা করা হচ্ছে।