খিরা চাষে মুখে হাসি ফুটিয়েছে আশাবুদ্দিনের
- আপডেট সময় : ০৮:১২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
- / ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে
কৃষক আশাবুদ্দিন মিয়া।কৃষি নির্ভর তার জীবন যাপন।১ছেলে ১ মেয়ে স্কুলে পড়ছে।কয়েক বছর যাবত চাষাবাদ করে তেমন সাফল্য পাচ্ছলেন না।কিন্তু, এ বছর ‘খিরা চাষ ও তার লাভ’ তার মুখে হাসি ফুটিয়েছে।
১০ হাজার খরচে খিরা চাষে লাভ মাত্র একমাসে ৭০ হাজার টাকা লাভ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের আশাবুদ্দিন মিয়া। চলতি বছর পরীক্ষামূলক খিরার চাষ করে বাজিমাত করেছেন তিনি। এছাড়া সব সময় খিরার চাহিদা থাকায় এই এলাকার কৃষকেরাও এটি চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। তার দেখাদেখি অনেকেই খিরা চাষে উদ্ধুদ্ধ হচ্ছেন বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, ‘শিবপুর গ্রামের জমিন বালি মাটি হওয়ায় খিরা,মিষ্টি আলু ও বাদাম ছাড়া ফসল করা যায় না,আমি খিরাকে বেছে নিয়েছি ।
জানা গেছে, শিবপুর চরাঞ্চলে প্রক্রিয়াজাত করে খিরার বীজ লাগানো হয়েছে। জমির সমতল মাটি পার্শ্ববর্তী নদী থেকে প্রায় এক-দেড় ফুট উঁচুতে। এই উচ্চতা তৈরি করা হয়েছে জমির মাটি কেটে স্তূপ করে। ১ কানি (৩০ শতক) জমিতে খিরা চাষ করেছেন আশাবুদ্দিন।’
ক্ষেতের প্রতিটি গাছে প্রচুর খিরা ধরে আছে। রমজান মাস উপলক্ষ্যে বিশেষ চাহিদা থাকায় খিরা তোলায় ব্যস্ত চাষি আশাবুদ্দিন। বীজ, সার, সেচ, শ্রমিকসহ মাত্র ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি গত ৩০ দিনে ৭০ হাজার টাকার খিরা বিক্রি করেছেন।আরো ১ লাখ টাকা বিক্রির আশা করছেন।
আশাবুদ্দিন মিয়া বলেন, ২ মাস আগে চারা লাগিয়েছিলাম। ইতোমধ্যে ফলন উঠতে শুরু করেছে। প্রথমে একদিন পরপর ২০০-৩০০ কেজি করে খিরা তুলে বিক্রি করেছি।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.নাসিরুদ্দিন বলেন, বর্তমানে খিরার ব্যাপক চাহিদা আছে। পাশাপাশি বাজারে ভাল দামও পাচ্ছেন চাষিরা। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তাকেসহ সব খিরা চাষীদের বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন ফসল উৎপাদনে পরামর্শ ও সহায়তা করা হচ্ছে।
সংবাদটি শেয়ার করুন


















