ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুই বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ ছেলে বৌকে তালাক দেয়ায় যুবদল নেতার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন একটি পরিবার অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতিসন্তান মো. সায়েদুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমবায় ব্যাংকের বিশেষ সাধারণ সভা, নতুন চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম চৌধুরী লিটন দুই পদে এক কর্মকর্তা, মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাঘাতের অভিযোগ নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নব অভিযাত্রা শুরু অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে অ্যাসিড নিক্ষেপকারী স্বামী আটক অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর গোপনাঙ্গে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ, স্বামী পলাতক বিরল রোগে আক্রান্ত জিদনী, টাকার অভাবে হচ্ছে না চিকিৎসা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য হলেন সমাজসেবক খায়রুল হাসান

দুই বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২০ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ-২০২৬ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নৌকাবাইচকে জমকালো ও উৎসবমুখর করতে সভায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়নি।

জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে সঞ্চালনা করেন।

সভায় বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসাইন আকন্দ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানিম সাহেদ রিপন, সাংবাদিক পীযুষ কান্তি আচার্য, আল আমিন শাহীন, নৌকাবাইচ সংগঠক অ্যাডভোকেট মো. ইসহাকসহ সংশ্লিষ্টরা।

সভায় বক্তারা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংস্কৃতির শহর। এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিচর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। তবে নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড করা যাবে না।

নৌকাবাইচে অংশগ্রহণকারী ও দর্শনার্থীদের নৌকায় সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে না। একই সঙ্গে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নাচানাচিও নিষিদ্ধ থাকবে বলে সভায় জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, “সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে নৌকাবাইচ আয়োজন করতে চাই। ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজন যাতে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

দুই বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ

আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ-২০২৬ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নৌকাবাইচকে জমকালো ও উৎসবমুখর করতে সভায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়নি।

জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে সঞ্চালনা করেন।

সভায় বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসাইন আকন্দ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানিম সাহেদ রিপন, সাংবাদিক পীযুষ কান্তি আচার্য, আল আমিন শাহীন, নৌকাবাইচ সংগঠক অ্যাডভোকেট মো. ইসহাকসহ সংশ্লিষ্টরা।

সভায় বক্তারা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংস্কৃতির শহর। এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিচর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। তবে নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড করা যাবে না।

নৌকাবাইচে অংশগ্রহণকারী ও দর্শনার্থীদের নৌকায় সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে না। একই সঙ্গে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে নাচানাচিও নিষিদ্ধ থাকবে বলে সভায় জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, “সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে নৌকাবাইচ আয়োজন করতে চাই। ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজন যাতে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”