জুনায়েদ সাকি’র মনোনয়ন নিয়ে প্রথম দিনেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া
- আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৮২ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই আসনে সাকির নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জানা গেছে, জোনায়েদ সাকি বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা করলেও তিনি বিএনপিতে যোগ দেননি। ফলে তিনি তার দলের প্রতীক ‘মাথাল’ নিয়ে নির্বাচন করতে পারবেন।
এদিকে, তৃণমূল বিএনপিতে জোনায়েদ সাকিকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। আবার কেউ বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন। এনিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। দলীয় কর্মীরা চাইছেন ধানের শীষের প্রার্থী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে একের পর এক পোষ্ট দেখা যাচ্ছে।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। দলের চেয়ে দেশ বড়। আমি এখনো বিশ্বাস করি শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের প্রতিক বাঞ্ছারামপুর এলাকাবাসী পাবেই। সে যে-ই হোক, দল আমাদের এখনো কিছুই জানায়নি।”
বিএনপি নির্বাচিত সাবেক সাংসদ এম এ খালেক পিএসসি বলেন, “আমি সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছি। দলের সাথে বিস্তারিত কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। এলাকার নেতাকর্মীদের চাপে রয়েছি। তারা হয়তো ২৭ তারিখ মনোনয়ন ফরম কিনবে। আমরা উপজেলার বিএনপির সকল নেতাকর্মী মিলে অচিরেই বৈঠক করবো। তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।”
৩০০ আসনের মধ্যে ২৭২ আসনে এরইমধ্যে দলের প্রার্থীদের নাম দুই দফায় ঘোষণা করেছে বিএনপি। বাকি ২৮ আসনের মধ্যে ৪টি আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সঙ্গে বিএনপি নির্বাচনি সমঝোতা হয় গতকাল। শরিকদের আজ দেওয়া হলো আরও ৮টি আসন। এখনও বাকি থাকলো ১৬টি আসন।
সংবাদটি শেয়ার করুন




















