ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নদী দখল, দূষণ ও অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলার আহ্বান অসহায় পাপনের জীবনে আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়ালেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা

জুনায়েদ সাকি’র মনোনয়ন নিয়ে প্রথম দিনেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি 
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৩৯৮ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই আসনে সাকির নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জানা গেছে, জোনায়েদ সাকি বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা করলেও তিনি বিএনপিতে যোগ দেননি। ফলে তিনি তার দলের প্রতীক ‘মাথাল’ নিয়ে নির্বাচন করতে পারবেন।

এদিকে, তৃণমূল বিএনপিতে জোনায়েদ সাকিকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। আবার কেউ বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন। এনিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। দলীয় কর্মীরা চাইছেন ধানের শীষের প্রার্থী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে একের পর এক পোষ্ট দেখা যাচ্ছে।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। দলের চেয়ে দেশ বড়। আমি এখনো বিশ্বাস করি শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের প্রতিক বাঞ্ছারামপুর এলাকাবাসী পাবেই। সে যে-ই হোক, দল আমাদের এখনো কিছুই জানায়নি।”

বিএনপি নির্বাচিত সাবেক সাংসদ এম এ খালেক পিএসসি বলেন, “আমি সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছি। দলের সাথে বিস্তারিত কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। এলাকার নেতাকর্মীদের চাপে রয়েছি। তারা হয়তো ২৭ তারিখ মনোনয়ন ফরম কিনবে। আমরা উপজেলার বিএনপির সকল নেতাকর্মী মিলে অচিরেই বৈঠক করবো। তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।”

৩০০ আসনের মধ্যে ২৭২ আসনে এরইমধ্যে দলের প্রার্থীদের নাম দুই দফায় ঘোষণা করেছে বিএনপি। বাকি ২৮ আসনের মধ্যে ৪টি আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সঙ্গে বিএনপি নির্বাচনি সমঝোতা হয় গতকাল। শরিকদের আজ দেওয়া হলো আরও ৮টি আসন। এখনও বাকি থাকলো ১৬টি আসন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

জুনায়েদ সাকি’র মনোনয়ন নিয়ে প্রথম দিনেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ০৫:১৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই আসনে সাকির নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জানা গেছে, জোনায়েদ সাকি বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা করলেও তিনি বিএনপিতে যোগ দেননি। ফলে তিনি তার দলের প্রতীক ‘মাথাল’ নিয়ে নির্বাচন করতে পারবেন।

এদিকে, তৃণমূল বিএনপিতে জোনায়েদ সাকিকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। আবার কেউ বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন। এনিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। দলীয় কর্মীরা চাইছেন ধানের শীষের প্রার্থী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে একের পর এক পোষ্ট দেখা যাচ্ছে।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। দলের চেয়ে দেশ বড়। আমি এখনো বিশ্বাস করি শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের প্রতিক বাঞ্ছারামপুর এলাকাবাসী পাবেই। সে যে-ই হোক, দল আমাদের এখনো কিছুই জানায়নি।”

বিএনপি নির্বাচিত সাবেক সাংসদ এম এ খালেক পিএসসি বলেন, “আমি সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছি। দলের সাথে বিস্তারিত কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। এলাকার নেতাকর্মীদের চাপে রয়েছি। তারা হয়তো ২৭ তারিখ মনোনয়ন ফরম কিনবে। আমরা উপজেলার বিএনপির সকল নেতাকর্মী মিলে অচিরেই বৈঠক করবো। তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।”

৩০০ আসনের মধ্যে ২৭২ আসনে এরইমধ্যে দলের প্রার্থীদের নাম দুই দফায় ঘোষণা করেছে বিএনপি। বাকি ২৮ আসনের মধ্যে ৪টি আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সঙ্গে বিএনপি নির্বাচনি সমঝোতা হয় গতকাল। শরিকদের আজ দেওয়া হলো আরও ৮টি আসন। এখনও বাকি থাকলো ১৬টি আসন।