ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাসিরনগরে গ্রামীণ ঐতিহ্যে জমজমাট ঘোড়াদৌড় প্রতিযোগিতা নাটাই উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে টেন মিনিটস ব্রিফ সরাইলে ছোট ভাইয়ের ঘুষিতে বড় ভাইয়ের মৃত্যুর অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি, ডিলারকে জরিমানা বহিষ্কার নিয়ে আল্লাহর কাছে বিচার প্রার্থনা রুমিন ফারহানার খর্বাকৃতির ফরহাদ-আরিফা দম্পতির পাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপি’র নয় এদেশের ১৮ কোটি মানুষের নেত্রী ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জেলা বিএনপির শোক সভা ও দোয়া মাহফিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি: এক প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

নবীনগরে শৈশবের বন্ধুকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা, ঘাতক গ্রেপ্তার

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে শৈশবের বন্ধু উমর হাসানকে (২৩) কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছেন খাইরুল আমিন নামে এক যুবক।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ঘটনার পর নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের টিম মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে ঘাতক খাইরুল আমিনকে গ্রেপ্তার করে।
নিহত উমর হাসান মহেশপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। গ্রেপ্তার হওয়া খাইরুল আমিন একই গ্রামের পশ্চিম পাড়ার চান মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উমর ও খাইরুল ছোটবেলা থেকেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তবে সম্প্রতি ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এর জেরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে খাইরুল কৌশলে উমরের ঘরের ছিদ কেটে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর ধারালো দা দিয়ে উমরের ঘাড় ও হাতে উপর্যুপরি কোপ দেন। পরে তাঁকে জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এ সময় নিহতের মা রাহেলা বেগম শব্দ শুনে ছেলের ঘরে গেলে খাইরুল তাঁকেও কোপ মেরে আহত করে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে নবীনগর থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করেন। ওসি শাহিনুর ইসলাম বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জের ধরে খাইরুল প্রথমে উমরকে কুপিয়ে এবং পরে জবাই করে হত্যা করে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা অভিযান শুরু করি এবং মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে।”

নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

নবীনগরে শৈশবের বন্ধুকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা, ঘাতক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১২:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে শৈশবের বন্ধু উমর হাসানকে (২৩) কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছেন খাইরুল আমিন নামে এক যুবক।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ঘটনার পর নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের টিম মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে ঘাতক খাইরুল আমিনকে গ্রেপ্তার করে।
নিহত উমর হাসান মহেশপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। গ্রেপ্তার হওয়া খাইরুল আমিন একই গ্রামের পশ্চিম পাড়ার চান মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উমর ও খাইরুল ছোটবেলা থেকেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তবে সম্প্রতি ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এর জেরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে খাইরুল কৌশলে উমরের ঘরের ছিদ কেটে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর ধারালো দা দিয়ে উমরের ঘাড় ও হাতে উপর্যুপরি কোপ দেন। পরে তাঁকে জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এ সময় নিহতের মা রাহেলা বেগম শব্দ শুনে ছেলের ঘরে গেলে খাইরুল তাঁকেও কোপ মেরে আহত করে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে নবীনগর থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করেন। ওসি শাহিনুর ইসলাম বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জের ধরে খাইরুল প্রথমে উমরকে কুপিয়ে এবং পরে জবাই করে হত্যা করে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা অভিযান শুরু করি এবং মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে।”

নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।