ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

নবীনগরে শৈশবের বন্ধুকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা, ঘাতক গ্রেপ্তার

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে শৈশবের বন্ধু উমর হাসানকে (২৩) কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছেন খাইরুল আমিন নামে এক যুবক।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ঘটনার পর নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের টিম মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে ঘাতক খাইরুল আমিনকে গ্রেপ্তার করে।
নিহত উমর হাসান মহেশপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। গ্রেপ্তার হওয়া খাইরুল আমিন একই গ্রামের পশ্চিম পাড়ার চান মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উমর ও খাইরুল ছোটবেলা থেকেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তবে সম্প্রতি ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এর জেরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে খাইরুল কৌশলে উমরের ঘরের ছিদ কেটে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর ধারালো দা দিয়ে উমরের ঘাড় ও হাতে উপর্যুপরি কোপ দেন। পরে তাঁকে জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এ সময় নিহতের মা রাহেলা বেগম শব্দ শুনে ছেলের ঘরে গেলে খাইরুল তাঁকেও কোপ মেরে আহত করে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে নবীনগর থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করেন। ওসি শাহিনুর ইসলাম বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জের ধরে খাইরুল প্রথমে উমরকে কুপিয়ে এবং পরে জবাই করে হত্যা করে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা অভিযান শুরু করি এবং মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে।”

নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নবীনগরে শৈশবের বন্ধুকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা, ঘাতক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১২:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে শৈশবের বন্ধু উমর হাসানকে (২৩) কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছেন খাইরুল আমিন নামে এক যুবক।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ঘটনার পর নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের টিম মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে ঘাতক খাইরুল আমিনকে গ্রেপ্তার করে।
নিহত উমর হাসান মহেশপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। গ্রেপ্তার হওয়া খাইরুল আমিন একই গ্রামের পশ্চিম পাড়ার চান মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উমর ও খাইরুল ছোটবেলা থেকেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তবে সম্প্রতি ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এর জেরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে খাইরুল কৌশলে উমরের ঘরের ছিদ কেটে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর ধারালো দা দিয়ে উমরের ঘাড় ও হাতে উপর্যুপরি কোপ দেন। পরে তাঁকে জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালানোর চেষ্টা করেন।

এ সময় নিহতের মা রাহেলা বেগম শব্দ শুনে ছেলের ঘরে গেলে খাইরুল তাঁকেও কোপ মেরে আহত করে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে নবীনগর থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করেন। ওসি শাহিনুর ইসলাম বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জের ধরে খাইরুল প্রথমে উমরকে কুপিয়ে এবং পরে জবাই করে হত্যা করে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা অভিযান শুরু করি এবং মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে।”

নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।