আখাউড়ায় শ্রমিকদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ।
- আপডেট সময় : ০১:৩২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ২৩৩ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণাবড়িয়ার আখাউড়ায় উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক দলের সদস্য সচিব, উপজেলা জাতীয়তাবাদী জাসাসের আহবায়ক, পৌর শ্রমিক দলের আহবায়ক এর বিরুদ্ধে মোটা অংকের চাঁদা দাবি ও জমির একাংশ দাবির অভিযোগ করেছেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া।
চাঁদা না দেওয়ায় ওই তিন নেতা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় মানহানিকার মিথ্যা অপপ্রচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলা মডেল মসজিদের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেছেন হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া।
অভিযুক্ত চাঁদাদাবী কারীরা হলেনঃ উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক দলের সদস্য সচিব মিঠু ভূঁইয়া, উপজেলা জাতীয়তাবাদী জাসাসের আহবায়ক আব্দুল মালেক, পৌর শ্রমিক দলের আহবায়ক ওসমান খান, মোঃ ওয়াসিম ভূঁইয়া।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া বলেন, আমি আখাউড়া রাধানগর মৌজার বড় বাজার এলাকায় ২০২৫ সনে ৬২ শতক জায়গা ক্রয় করি। যা আমার নামে খারিজ খতিয়ান হয়েছে। স¤প্রতি আমি আমার জায়গায় দোকান নির্মাণ কাজ শুরু করলে ওয়াসিম ভূঁইয়া, ওসমান খান, আব্দুল মালেক, মিঠু ভূঁইয়া আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। আমি জায়গা দিতে রাজি না হওয়ায় তারা আমার নামে মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করে। কয়েকদিন আগে একটি মানববন্ধন করে আমার নামে বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার ও আমাকে ভূমিদস্যু আখ্যা দেয়। চাঁদাবাজরা যে কোন সময় আমার উপর আক্রমণও করতে পারে।
তবে এ ব্যাপারে পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক উসমান খান জানান, পৌর শহরের রাধানগর মৌজার বড়বাজারে একটি প্রাইমারি স্কুলের জন্য জায়গা বরাদ্দ ছিল। তাছাড়া সাইনবোর্ড নির্মাণ করা হয়েছিল। আমরা এলাকাবাসী চাই এখানে স্কুল প্রতিষ্ঠিত হোক। চাঁদা দাবির বিষয়টি সত্য নয়।
জানতে চাইলে এ ব্যপারে উপজেলা জাসাসের আহবায়ক আব্দুল মালেক বলেন, স্কুলের জন্য প্রস্তাবিত জায়গাটির সাইনবোর্ড সরিয়ে বিএনপি ও আওয়ামীলীগের লোকজন স্থাপনা নির্মাণ করছে। এসব স্থাপনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। আমি স্কুলের জায়গা দখলের প্রতিবাদ করায় আমার বাড়িতে হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া পুলিশ পাঠিয়েছে।
এ ব্যপারে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ মিঠু ভূঁইয়া জানান, ২০১৫ সালে বিদ্যালয় নির্মাণের নাম দিয়ে জায়গাটি ভরাট করা হয়। কিন্তু আজও নির্মাণ করা হয়নি। চাঁদা দাবির অভিযোগটি মিথ্যা।
সংবাদটি শেয়ার করুন
































