ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নজরুলের বাড়িতে শোকের মাতম

আখাউড়ায় শ্মশান কমিটির বিরুদ্ধে ব্যক্তি মালিকানা জায়গা দখলের অভিযোগ

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৪২৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

আমরা শ্মশানের জমি দখল করিনি, বরং শ্মশান কমিটি আমাদের ক্রয়কৃত মালিকানাধীন জমি দখল করে নিয়েছে বলে সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া কলেজপাড়ার ভুক্তভোগী মোঃ আবু মোছা ভূঁইয়া। রোববার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আখাউড়া কলেজপাড়ার বাধঁন কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ভুক্তভোগী মোছা ভূঁইয়া।

লিখিত বক্তব্যে মোছা ভূঁইয়া জানান, আখাউড়া উপজেলার রাধানগর মৌজায় ১৯৯৭ ও ২০০৩ সালে সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে মোট ৬৫ শতক জমি ক্রয় করেন মোছা ভূঁইয়া ও তাঁর ভাইয়েরা। পরবর্তীতে বিএস জরিপে তাদের নামে ৬৯৯ নং বিএস খতিয়ান সৃজিত হয়। এর মধ্যে ১৬ শতক জমি বিক্রি করা হলেও বাকি জমি তাঁদের মালিকানায় বহাল থাকে।

মোছা ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, জীবিকার তাগিদে প্রবাসে থাকার সময়ে স্থানীয় শান্তিবন মহাশ্মশান কর্তৃপক্ষ তাঁদের বিএস ৬৯৯ খতিয়ানের বিএস ১০৯২ দাগে ৪ শতক ডোবা ও ১৭০০ দাগে ৬.৫৬ নাল ভুমি মোট ১০.৫৬ শতক জমি দখল করে নেয়। দেশে ফিরে তারা এ বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে প্রতিবাদ জানালেও একটি কুচক্রী মহলের ইশারায়, শ্মশান কর্তৃপক্ষ উল্টো জমিটির মালিকানা দাবি করে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে নানা ভাবে হয়রানিসহ মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। যা আমার পরিবার শংকিত। তিনি আরও জানান, বিচার না পেয়ে ২০০৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাব জজ কোর্টের একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন আবু মোছা। মামলা নং ২০/২০০৯। বর্তমানে সেই মামলাটি আখাউড়া সহকারী জজ আদালতে ৯৫/২০২১ ইং সালের রুপান্তরিত হয়। পরে বিভিন্ন সময় আদালতের রায় আমার পক্ষে দিয়েছে। আদালতে নির্দেশ চলতি মাসের ২০ তারিখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিততে সহকারী কমিশনার (ভুমি) তার অধীনস্থ সার্ভেয়ার নিয়ে মাপজোক করে বিভিন্ন দাগের অন্যান্য যায়গা গুলো চিহ্নিত করে দিয়ে যায় এবং পাশাপাশি খাস খতিয়ানের যায়গা গুলো ও চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু বিরুৎপূর্ণ জায়গা নিষ্পতি না করেই প্রশাসনের লোকেরা চলে যায়।

তিনি দাবি করেন, খাজনা, নামজারি ও জমাখারিজসহ সব সরকারি নথিপত্রেই জমিটির মালিকানা তাঁর পরিবারের নামে বহাল রয়েছে। বর্তমানে জমির বাকি অংশে বসতবাড়ি, বহুতল ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মিত হয়েছে এবং পৌরসভার নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্সও পরিশোধ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আবু মোছা ভূঁইয়া ও তাঁর পরিবার ন্যায্য অধিকার রক্ষায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

শান্তিবন মহাশ্মশানের প্রধান পুজারী আশীষ ভ্রম্যচারী বলেন, শ্মশান কারো ব্যক্তি মালিকানা জায়গা দখল করেনি বরং তারা আমাদের যায়গা দখল করছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতশী দর্শী চাকমা বলেন, আমরা সরকারি জায়গা মাপঝোঁক করে লাল নিশান দিয়েছি। এটা জেলা প্রশাসকের ১নং খাস খতিয়ানভূক্ত জায়গা।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আখাউড়ায় শ্মশান কমিটির বিরুদ্ধে ব্যক্তি মালিকানা জায়গা দখলের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:২৩:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

আমরা শ্মশানের জমি দখল করিনি, বরং শ্মশান কমিটি আমাদের ক্রয়কৃত মালিকানাধীন জমি দখল করে নিয়েছে বলে সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া কলেজপাড়ার ভুক্তভোগী মোঃ আবু মোছা ভূঁইয়া। রোববার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আখাউড়া কলেজপাড়ার বাধঁন কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ভুক্তভোগী মোছা ভূঁইয়া।

লিখিত বক্তব্যে মোছা ভূঁইয়া জানান, আখাউড়া উপজেলার রাধানগর মৌজায় ১৯৯৭ ও ২০০৩ সালে সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে মোট ৬৫ শতক জমি ক্রয় করেন মোছা ভূঁইয়া ও তাঁর ভাইয়েরা। পরবর্তীতে বিএস জরিপে তাদের নামে ৬৯৯ নং বিএস খতিয়ান সৃজিত হয়। এর মধ্যে ১৬ শতক জমি বিক্রি করা হলেও বাকি জমি তাঁদের মালিকানায় বহাল থাকে।

মোছা ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, জীবিকার তাগিদে প্রবাসে থাকার সময়ে স্থানীয় শান্তিবন মহাশ্মশান কর্তৃপক্ষ তাঁদের বিএস ৬৯৯ খতিয়ানের বিএস ১০৯২ দাগে ৪ শতক ডোবা ও ১৭০০ দাগে ৬.৫৬ নাল ভুমি মোট ১০.৫৬ শতক জমি দখল করে নেয়। দেশে ফিরে তারা এ বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে প্রতিবাদ জানালেও একটি কুচক্রী মহলের ইশারায়, শ্মশান কর্তৃপক্ষ উল্টো জমিটির মালিকানা দাবি করে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে নানা ভাবে হয়রানিসহ মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। যা আমার পরিবার শংকিত। তিনি আরও জানান, বিচার না পেয়ে ২০০৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাব জজ কোর্টের একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন আবু মোছা। মামলা নং ২০/২০০৯। বর্তমানে সেই মামলাটি আখাউড়া সহকারী জজ আদালতে ৯৫/২০২১ ইং সালের রুপান্তরিত হয়। পরে বিভিন্ন সময় আদালতের রায় আমার পক্ষে দিয়েছে। আদালতে নির্দেশ চলতি মাসের ২০ তারিখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিততে সহকারী কমিশনার (ভুমি) তার অধীনস্থ সার্ভেয়ার নিয়ে মাপজোক করে বিভিন্ন দাগের অন্যান্য যায়গা গুলো চিহ্নিত করে দিয়ে যায় এবং পাশাপাশি খাস খতিয়ানের যায়গা গুলো ও চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু বিরুৎপূর্ণ জায়গা নিষ্পতি না করেই প্রশাসনের লোকেরা চলে যায়।

তিনি দাবি করেন, খাজনা, নামজারি ও জমাখারিজসহ সব সরকারি নথিপত্রেই জমিটির মালিকানা তাঁর পরিবারের নামে বহাল রয়েছে। বর্তমানে জমির বাকি অংশে বসতবাড়ি, বহুতল ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মিত হয়েছে এবং পৌরসভার নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্সও পরিশোধ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আবু মোছা ভূঁইয়া ও তাঁর পরিবার ন্যায্য অধিকার রক্ষায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

শান্তিবন মহাশ্মশানের প্রধান পুজারী আশীষ ভ্রম্যচারী বলেন, শ্মশান কারো ব্যক্তি মালিকানা জায়গা দখল করেনি বরং তারা আমাদের যায়গা দখল করছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতশী দর্শী চাকমা বলেন, আমরা সরকারি জায়গা মাপঝোঁক করে লাল নিশান দিয়েছি। এটা জেলা প্রশাসকের ১নং খাস খতিয়ানভূক্ত জায়গা।