ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

আখাউড়ায় জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসুচি।

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৫২৭ বার পড়া হয়েছে

“আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতের আওতায় আখাউড়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

পোনা অবমুক্তকরণের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আখাউড়ার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ দর্শী চাকমা। এসময় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা দুবরাজ রবিদাস, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল করিমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির আওতায় উপজেলা পরিষদ পুকুর, থানা পুকুর, ফায়ার সার্ভিস পুকুর, বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পুকুর এবং বড় বাজার সংলগ্ন তিতাস প্লাবনভূমিতে কাতলা, রুই ও মৃগেল/ঘানিয়া প্রজাতির মোট ৩৪৩ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন আখাউড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম। আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্ষায় প্লাবিত ধানক্ষেত, প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয় এবং অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে পোনা মাছ অবমুক্তকরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এতে একদিকে যেমন স্থানীয় জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হবে, অন্যদিকে মৎস্য চাষীরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ দর্শী চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের প্রতিটি মানুষকে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ করা। এই ধরণের কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে যেমন মাছের উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ সহজে মাছ পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও চাঙ্গা হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আখাউড়ায় জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসুচি।

আপডেট সময় : ১১:৫৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

“আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতের আওতায় আখাউড়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

পোনা অবমুক্তকরণের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আখাউড়ার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ দর্শী চাকমা। এসময় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা দুবরাজ রবিদাস, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল করিমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির আওতায় উপজেলা পরিষদ পুকুর, থানা পুকুর, ফায়ার সার্ভিস পুকুর, বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পুকুর এবং বড় বাজার সংলগ্ন তিতাস প্লাবনভূমিতে কাতলা, রুই ও মৃগেল/ঘানিয়া প্রজাতির মোট ৩৪৩ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন আখাউড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম। আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্ষায় প্লাবিত ধানক্ষেত, প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয় এবং অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে পোনা মাছ অবমুক্তকরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এতে একদিকে যেমন স্থানীয় জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হবে, অন্যদিকে মৎস্য চাষীরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ দর্শী চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের প্রতিটি মানুষকে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ করা। এই ধরণের কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে যেমন মাছের উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ সহজে মাছ পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও চাঙ্গা হবে।