ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে জরিমানা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মোঃ জসিম উদ্দিন জসিমের ইন্তেকালে আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিবারের শোক ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন আর নেই সৈয়দ শাহ আলম স্মৃতি নাইট সার্কেল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগকে ভোটে আনতে কেউ বলছেনা- প্রেস সচিব নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই, যথাসময়ে অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন হবে: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির যৌথ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ ফরিদুল হুদার স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাঞ্ছারামপুর ইউএনও ফেরদৌস আরা আর নেই রামরাইল ইউনিয়নে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

আখাউড়ায় জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসুচি।

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

“আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতের আওতায় আখাউড়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

পোনা অবমুক্তকরণের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আখাউড়ার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ দর্শী চাকমা। এসময় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা দুবরাজ রবিদাস, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল করিমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির আওতায় উপজেলা পরিষদ পুকুর, থানা পুকুর, ফায়ার সার্ভিস পুকুর, বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পুকুর এবং বড় বাজার সংলগ্ন তিতাস প্লাবনভূমিতে কাতলা, রুই ও মৃগেল/ঘানিয়া প্রজাতির মোট ৩৪৩ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন আখাউড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম। আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্ষায় প্লাবিত ধানক্ষেত, প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয় এবং অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে পোনা মাছ অবমুক্তকরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এতে একদিকে যেমন স্থানীয় জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হবে, অন্যদিকে মৎস্য চাষীরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ দর্শী চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের প্রতিটি মানুষকে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ করা। এই ধরণের কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে যেমন মাছের উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ সহজে মাছ পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও চাঙ্গা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আখাউড়ায় জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসুচি।

আপডেট সময় : ১১:৫৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

“আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতের আওতায় আখাউড়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

পোনা অবমুক্তকরণের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আখাউড়ার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ দর্শী চাকমা। এসময় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা দুবরাজ রবিদাস, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল করিমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির আওতায় উপজেলা পরিষদ পুকুর, থানা পুকুর, ফায়ার সার্ভিস পুকুর, বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পুকুর এবং বড় বাজার সংলগ্ন তিতাস প্লাবনভূমিতে কাতলা, রুই ও মৃগেল/ঘানিয়া প্রজাতির মোট ৩৪৩ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন আখাউড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম। আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্ষায় প্লাবিত ধানক্ষেত, প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয় এবং অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে পোনা মাছ অবমুক্তকরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এতে একদিকে যেমন স্থানীয় জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হবে, অন্যদিকে মৎস্য চাষীরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ দর্শী চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের প্রতিটি মানুষকে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ করা। এই ধরণের কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে যেমন মাছের উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ সহজে মাছ পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও চাঙ্গা হবে।