ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কুয়েতে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমিনুলসহ চার বাংলাদেশি আহত শহীদ জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা সৃজনশীল চর্চায় মেধার বিকাশ, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণে দক্ষ প্রজন্ম গড়ার আহ্বান- ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি কাজীপাড়ায় পাওয়ার অফ ইউনিটির ক্রিকেট প্রিমিয়ার লিগ-২৬ সিজন-১ উদ্বোধন বুড়িগঙ্গার আদলে দখল ও দূষণমুক্ত করা হবে তিতাস নদী সাংবাদিকদের জন্য শিগগিরই অবসর সুবিধা ঘোষণা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৭ মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

আখাউড়ায় জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসুচি।

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

“আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতের আওতায় আখাউড়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

পোনা অবমুক্তকরণের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আখাউড়ার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ দর্শী চাকমা। এসময় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা দুবরাজ রবিদাস, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল করিমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির আওতায় উপজেলা পরিষদ পুকুর, থানা পুকুর, ফায়ার সার্ভিস পুকুর, বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পুকুর এবং বড় বাজার সংলগ্ন তিতাস প্লাবনভূমিতে কাতলা, রুই ও মৃগেল/ঘানিয়া প্রজাতির মোট ৩৪৩ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন আখাউড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম। আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্ষায় প্লাবিত ধানক্ষেত, প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয় এবং অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে পোনা মাছ অবমুক্তকরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এতে একদিকে যেমন স্থানীয় জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হবে, অন্যদিকে মৎস্য চাষীরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ দর্শী চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের প্রতিটি মানুষকে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ করা। এই ধরণের কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে যেমন মাছের উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ সহজে মাছ পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও চাঙ্গা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আখাউড়ায় জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসুচি।

আপডেট সময় : ১১:৫৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

“আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতের আওতায় আখাউড়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

পোনা অবমুক্তকরণের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আখাউড়ার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ দর্শী চাকমা। এসময় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা দুবরাজ রবিদাস, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল করিমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির আওতায় উপজেলা পরিষদ পুকুর, থানা পুকুর, ফায়ার সার্ভিস পুকুর, বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পুকুর এবং বড় বাজার সংলগ্ন তিতাস প্লাবনভূমিতে কাতলা, রুই ও মৃগেল/ঘানিয়া প্রজাতির মোট ৩৪৩ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন আখাউড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম। আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্ষায় প্লাবিত ধানক্ষেত, প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয় এবং অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে পোনা মাছ অবমুক্তকরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এতে একদিকে যেমন স্থানীয় জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হবে, অন্যদিকে মৎস্য চাষীরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ দর্শী চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের প্রতিটি মানুষকে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ করা। এই ধরণের কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে যেমন মাছের উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ সহজে মাছ পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি ও চাঙ্গা হবে।