হামলার শিকার সেই প্রকৌশলী বদলি, ১৭ দিনেও অধরা প্রধান আসামি
- আপডেট সময় : ০২:০০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
- / ২৫ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়ক নির্মাণকাজের অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ঠিকাদারের হামলার শিকার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী মির্জা তরিকুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে। তবে ঘটনার ১৭ দিন পেরিয়ে গেলেও মামলার প্রধান আসামি ঠিকাদার লোকমান হোসেন এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল প্রধান প্রকৌশলীর পক্ষে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ওয়াহিদুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক আদেশে তরিকুল ইসলামকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বদলি করা হয়।
এর আগে, গত ১৩ এপ্রিল দুপুরে নবীনগর উপজেলার মেরকুটা জিসি থেকে শিবপুর বাজার পর্যন্ত নির্মাণাধীন সড়ক পরিদর্শনে যান এলজিইডির একটি দল। এ সময় সড়কের নিম্নমানের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তোলাকে কেন্দ্র করে ঠিকাদার লোকমান হোসেন উপসহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলামকে বাঁশ নিয়ে ধাওয়া করেন। পরে তাকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
ঘটনার দিনই সন্ধ্যায় নবীনগর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী প্রকৌশলী। মামলায় ঠিকাদার লোকমান হোসেন, তাঁর গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
পুলিশ জানায়, এ মামলায় এখন পর্যন্ত ঠিকাদারের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও ব্যবস্থাপক ফোরকান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে প্রধান আসামি লোকমান হোসেন এখনও পলাতক রয়েছেন।
উপজেলা এলজিইডি সূত্র জানায়, নবীনগরের মেরকুটা বাজার থেকে শিবপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ পায় রাজশাহীর মেসার্স বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। প্রায় ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ ওঠে স্থানীয়ভাবে।
ঘটনার পর থেকে একদিকে যেমন প্রকৌশলীর বদলি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকাও সমালোচনার মুখে পড়েছে।
সংবাদটি শেয়ার করুন

















