ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ গ্যাস সংকটে বন্ধ সার কারখানা চালুর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্দন ও বিক্ষোভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম হত্যা: প্রধান আসামি বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল গ্রেফতার

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২২১ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার আলোচিত সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়ালকে (৪৮) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। শনিবার রাতে রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে তাকে কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেফতার আব্দুল আওয়াল কসবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মেহারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের আব্দুল লতিফ মেম্বারের ছেলে।
র‍্যাব-৯ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূরন্নবী জানান, র‍্যাব-৯ ও র‍্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবে পলাতক ছিলেন।
নিহত দ্বীন ইসলাম (৩৫) কসবার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের মধ্যপাড়ার শফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ‘তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি’ নামে একটি পেজ পরিচালনা করতেন এবং স্থানীয়ভাবে মাদকবিরোধী নানা প্রতিবেদন প্রকাশ করে পরিচিতি পান।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৪ মার্চ দুপুরে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাকে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার গাঙ্গেরকুট এলাকায় গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দ্বীন ইসলামের পরিবারের দাবি, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম হত্যা: প্রধান আসামি বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার আলোচিত সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়ালকে (৪৮) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। শনিবার রাতে রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে তাকে কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেফতার আব্দুল আওয়াল কসবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মেহারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের আব্দুল লতিফ মেম্বারের ছেলে।
র‍্যাব-৯ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূরন্নবী জানান, র‍্যাব-৯ ও র‍্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবে পলাতক ছিলেন।
নিহত দ্বীন ইসলাম (৩৫) কসবার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের মধ্যপাড়ার শফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ‘তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি’ নামে একটি পেজ পরিচালনা করতেন এবং স্থানীয়ভাবে মাদকবিরোধী নানা প্রতিবেদন প্রকাশ করে পরিচিতি পান।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৪ মার্চ দুপুরে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাকে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার গাঙ্গেরকুট এলাকায় গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দ্বীন ইসলামের পরিবারের দাবি, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।