ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু গৃহপরিচারিকা নির্যাতন: চিকিৎসক দম্পতি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, মানবিক পরিবেশ নিশ্চিতের নির্দেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত জেলা প্রশাসকের মত বিনিময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মামাতো ভাইয়ের কাছে পাওনা টাকা চাওয়ায় অণ্ডকোষে লাথি প্রাণ গেলো ফুফাতো ভাইয়ের কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুতায়িত খুঁটির স্পর্শে প্রাণ গেল যুবকের সকালের আকাশে রাতের অন্ধকার: বজ্রপাত-টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভোগান্তিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা, ভেঙে পড়েছে মোবাইল টাওয়ার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিকাশ লেনদেনের বিরোধে টর্চের আলোয় ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত ৩০ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশের অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজাসহ মা- ছেলে গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম হত্যা: প্রধান আসামি বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল গ্রেফতার রাজস্ব আদায়ে গতি ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে কঠোর নির্দেশনা জেলা প্রশাসকের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু গৃহপরিচারিকা নির্যাতন: চিকিৎসক দম্পতি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু গৃহপরিচারিকা আয়েশা আক্তার (১০)কে নির্যাতনের অভিযোগে এক চিকিৎসক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে আদালতে পাঠানো হয়।

এর আগে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আয়েশাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আয়েশা সরাইল উপজেলার পাকশিমুল গ্রামের রাকিব মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ৯ মাস আগে নানার মাধ্যমে আয়েশাকে শহরের উত্তর মৌড়াইল এলাকায় চিকিৎসক কে. এম. আব্দুল্লাহ আল নোমান ও কিমিয়া সাদাত তোফার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজের জন্য পাঠানো হয়। তবে গত তিন মাস ধরে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পরিবারের অভিযোগ, এ সময়ে আয়েশার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তা করতে দেওয়া হয়নি।

সম্প্রতি চিকিৎসক দম্পতি আয়েশার পরিবারকে জানায়, সে চুরি করে পালিয়ে গেছে। এরপর আয়েশার কোনো খোঁজ না পেয়ে তার পরিবার ২৬ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে।

পুলিশ জানায়, ওই জিডির সূত্র ধরে বুধবার সকালে চিকিৎসক দম্পতির বাসার পাশের একটি বাড়ি থেকে আয়েশাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

আয়েশার বাবা রাকিব মিয়ার অভিযোগ, তার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। বিষয়টি আড়াল করতে এখন চুরির অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

অন্যদিকে, নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে চিকিৎসক কে. এম. আব্দুল্লাহ আল নোমান দাবি করেন, তার স্ত্রী গর্ভবতী থাকায় সন্তানদের দেখাশোনার জন্য আয়েশাকে রাখা হয়েছিল। তিনি জানান, গত ২২ এপ্রিল আয়েশা তাদের বাসা থেকে দুই ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগও করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু গৃহপরিচারিকা নির্যাতন: চিকিৎসক দম্পতি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু গৃহপরিচারিকা আয়েশা আক্তার (১০)কে নির্যাতনের অভিযোগে এক চিকিৎসক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে আদালতে পাঠানো হয়।

এর আগে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আয়েশাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আয়েশা সরাইল উপজেলার পাকশিমুল গ্রামের রাকিব মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ৯ মাস আগে নানার মাধ্যমে আয়েশাকে শহরের উত্তর মৌড়াইল এলাকায় চিকিৎসক কে. এম. আব্দুল্লাহ আল নোমান ও কিমিয়া সাদাত তোফার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজের জন্য পাঠানো হয়। তবে গত তিন মাস ধরে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পরিবারের অভিযোগ, এ সময়ে আয়েশার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তা করতে দেওয়া হয়নি।

সম্প্রতি চিকিৎসক দম্পতি আয়েশার পরিবারকে জানায়, সে চুরি করে পালিয়ে গেছে। এরপর আয়েশার কোনো খোঁজ না পেয়ে তার পরিবার ২৬ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে।

পুলিশ জানায়, ওই জিডির সূত্র ধরে বুধবার সকালে চিকিৎসক দম্পতির বাসার পাশের একটি বাড়ি থেকে আয়েশাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

আয়েশার বাবা রাকিব মিয়ার অভিযোগ, তার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। বিষয়টি আড়াল করতে এখন চুরির অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

অন্যদিকে, নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে চিকিৎসক কে. এম. আব্দুল্লাহ আল নোমান দাবি করেন, তার স্ত্রী গর্ভবতী থাকায় সন্তানদের দেখাশোনার জন্য আয়েশাকে রাখা হয়েছিল। তিনি জানান, গত ২২ এপ্রিল আয়েশা তাদের বাসা থেকে দুই ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগও করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।