ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে পালাল হত্যা মামলার আসামি, বরখাস্ত ৭ কর্মকর্তা

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২২৭ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনপ্রাপ্ত এক হাজতির নাম ও ঠিকানা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য একজন হাজতি পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেল সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার ২৮ বছর বয়সী হৃদয় মুজিবুর মিয়ার ছেলে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতে ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে কারাগারে জামিনপ্রাপ্ত হাজতি দিদার হোসেনের মুক্তির প্রক্রিয়া চলাকালীন হৃদয় নিজেকে দিদার হোসেন বলে পরিচয় দিয়ে কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এই সময় কারাগারের অন্যান্য বন্দিরাও তাকে সহায়তা করেন। বিষয়টি কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারাগারের ভেতরে প্রকাশ্যে আসে।

জেল সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, নিরাপত্তার এমন গুরুতর ত্রুটির কারণে একজন ডেপুটি জেল কর্মকর্তা ও ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে ডিআইজি (প্রিজন) শফিক মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

এদিকে, ঘটনার পরকারাগারের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কয়েকজন বন্দি যোগসাজশ করে হৃদয়কে পালাতে সাহায্য করেছে।

২৯ জানুয়ারি রাতে জেলা কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পালিয়ে যাওয়া হৃদয়, দিদার হোসেনসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ পালিয়ে যাওয়া হৃদয়কে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে পালাল হত্যা মামলার আসামি, বরখাস্ত ৭ কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ১২:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনপ্রাপ্ত এক হাজতির নাম ও ঠিকানা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য একজন হাজতি পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেল সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার ২৮ বছর বয়সী হৃদয় মুজিবুর মিয়ার ছেলে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতে ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে কারাগারে জামিনপ্রাপ্ত হাজতি দিদার হোসেনের মুক্তির প্রক্রিয়া চলাকালীন হৃদয় নিজেকে দিদার হোসেন বলে পরিচয় দিয়ে কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এই সময় কারাগারের অন্যান্য বন্দিরাও তাকে সহায়তা করেন। বিষয়টি কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারাগারের ভেতরে প্রকাশ্যে আসে।

জেল সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, নিরাপত্তার এমন গুরুতর ত্রুটির কারণে একজন ডেপুটি জেল কর্মকর্তা ও ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে ডিআইজি (প্রিজন) শফিক মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

এদিকে, ঘটনার পরকারাগারের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কয়েকজন বন্দি যোগসাজশ করে হৃদয়কে পালাতে সাহায্য করেছে।

২৯ জানুয়ারি রাতে জেলা কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পালিয়ে যাওয়া হৃদয়, দিদার হোসেনসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ পালিয়ে যাওয়া হৃদয়কে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।