ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রমজান উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাজার মনিটরিং: ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে প্রেস কাউন্সিলের সেমিনার: বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কুয়েতে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমিনুলসহ চার বাংলাদেশি আহত শহীদ জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা সৃজনশীল চর্চায় মেধার বিকাশ, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণে দক্ষ প্রজন্ম গড়ার আহ্বান- ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি কাজীপাড়ায় পাওয়ার অফ ইউনিটির ক্রিকেট প্রিমিয়ার লিগ-২৬ সিজন-১ উদ্বোধন বুড়িগঙ্গার আদলে দখল ও দূষণমুক্ত করা হবে তিতাস নদী সাংবাদিকদের জন্য শিগগিরই অবসর সুবিধা ঘোষণা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে পালাল হত্যা মামলার আসামি, বরখাস্ত ৭ কর্মকর্তা

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১০০ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনপ্রাপ্ত এক হাজতির নাম ও ঠিকানা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য একজন হাজতি পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেল সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার ২৮ বছর বয়সী হৃদয় মুজিবুর মিয়ার ছেলে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতে ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে কারাগারে জামিনপ্রাপ্ত হাজতি দিদার হোসেনের মুক্তির প্রক্রিয়া চলাকালীন হৃদয় নিজেকে দিদার হোসেন বলে পরিচয় দিয়ে কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এই সময় কারাগারের অন্যান্য বন্দিরাও তাকে সহায়তা করেন। বিষয়টি কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারাগারের ভেতরে প্রকাশ্যে আসে।

জেল সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, নিরাপত্তার এমন গুরুতর ত্রুটির কারণে একজন ডেপুটি জেল কর্মকর্তা ও ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে ডিআইজি (প্রিজন) শফিক মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

এদিকে, ঘটনার পরকারাগারের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কয়েকজন বন্দি যোগসাজশ করে হৃদয়কে পালাতে সাহায্য করেছে।

২৯ জানুয়ারি রাতে জেলা কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পালিয়ে যাওয়া হৃদয়, দিদার হোসেনসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ পালিয়ে যাওয়া হৃদয়কে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে পালাল হত্যা মামলার আসামি, বরখাস্ত ৭ কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ১২:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনপ্রাপ্ত এক হাজতির নাম ও ঠিকানা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য একজন হাজতি পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেল সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার ২৮ বছর বয়সী হৃদয় মুজিবুর মিয়ার ছেলে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতে ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে কারাগারে জামিনপ্রাপ্ত হাজতি দিদার হোসেনের মুক্তির প্রক্রিয়া চলাকালীন হৃদয় নিজেকে দিদার হোসেন বলে পরিচয় দিয়ে কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এই সময় কারাগারের অন্যান্য বন্দিরাও তাকে সহায়তা করেন। বিষয়টি কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারাগারের ভেতরে প্রকাশ্যে আসে।

জেল সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, নিরাপত্তার এমন গুরুতর ত্রুটির কারণে একজন ডেপুটি জেল কর্মকর্তা ও ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে ডিআইজি (প্রিজন) শফিক মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

এদিকে, ঘটনার পরকারাগারের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কয়েকজন বন্দি যোগসাজশ করে হৃদয়কে পালাতে সাহায্য করেছে।

২৯ জানুয়ারি রাতে জেলা কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পালিয়ে যাওয়া হৃদয়, দিদার হোসেনসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ পালিয়ে যাওয়া হৃদয়কে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।