ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত  তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে পালাল হত্যা মামলার আসামি, বরখাস্ত ৭ কর্মকর্তা

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনপ্রাপ্ত এক হাজতির নাম ও ঠিকানা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য একজন হাজতি পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেল সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার ২৮ বছর বয়সী হৃদয় মুজিবুর মিয়ার ছেলে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতে ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে কারাগারে জামিনপ্রাপ্ত হাজতি দিদার হোসেনের মুক্তির প্রক্রিয়া চলাকালীন হৃদয় নিজেকে দিদার হোসেন বলে পরিচয় দিয়ে কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এই সময় কারাগারের অন্যান্য বন্দিরাও তাকে সহায়তা করেন। বিষয়টি কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারাগারের ভেতরে প্রকাশ্যে আসে।

জেল সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, নিরাপত্তার এমন গুরুতর ত্রুটির কারণে একজন ডেপুটি জেল কর্মকর্তা ও ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে ডিআইজি (প্রিজন) শফিক মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

এদিকে, ঘটনার পরকারাগারের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কয়েকজন বন্দি যোগসাজশ করে হৃদয়কে পালাতে সাহায্য করেছে।

২৯ জানুয়ারি রাতে জেলা কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পালিয়ে যাওয়া হৃদয়, দিদার হোসেনসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ পালিয়ে যাওয়া হৃদয়কে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে পালাল হত্যা মামলার আসামি, বরখাস্ত ৭ কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ১২:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনপ্রাপ্ত এক হাজতির নাম ও ঠিকানা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য একজন হাজতি পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেল সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার ২৮ বছর বয়সী হৃদয় মুজিবুর মিয়ার ছেলে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতে ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে কারাগারে জামিনপ্রাপ্ত হাজতি দিদার হোসেনের মুক্তির প্রক্রিয়া চলাকালীন হৃদয় নিজেকে দিদার হোসেন বলে পরিচয় দিয়ে কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এই সময় কারাগারের অন্যান্য বন্দিরাও তাকে সহায়তা করেন। বিষয়টি কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারাগারের ভেতরে প্রকাশ্যে আসে।

জেল সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, নিরাপত্তার এমন গুরুতর ত্রুটির কারণে একজন ডেপুটি জেল কর্মকর্তা ও ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে ডিআইজি (প্রিজন) শফিক মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

এদিকে, ঘটনার পরকারাগারের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কয়েকজন বন্দি যোগসাজশ করে হৃদয়কে পালাতে সাহায্য করেছে।

২৯ জানুয়ারি রাতে জেলা কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পালিয়ে যাওয়া হৃদয়, দিদার হোসেনসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ পালিয়ে যাওয়া হৃদয়কে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।