ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত ল্যাট্রিন প্রকল্পে অনিয়ম: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে পালাল হত্যা মামলার আসামি, বরখাস্ত ৭ কর্মকর্তা

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনপ্রাপ্ত এক হাজতির নাম ও ঠিকানা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য একজন হাজতি পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেল সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার ২৮ বছর বয়সী হৃদয় মুজিবুর মিয়ার ছেলে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতে ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে কারাগারে জামিনপ্রাপ্ত হাজতি দিদার হোসেনের মুক্তির প্রক্রিয়া চলাকালীন হৃদয় নিজেকে দিদার হোসেন বলে পরিচয় দিয়ে কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এই সময় কারাগারের অন্যান্য বন্দিরাও তাকে সহায়তা করেন। বিষয়টি কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারাগারের ভেতরে প্রকাশ্যে আসে।

জেল সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, নিরাপত্তার এমন গুরুতর ত্রুটির কারণে একজন ডেপুটি জেল কর্মকর্তা ও ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে ডিআইজি (প্রিজন) শফিক মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

এদিকে, ঘটনার পরকারাগারের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কয়েকজন বন্দি যোগসাজশ করে হৃদয়কে পালাতে সাহায্য করেছে।

২৯ জানুয়ারি রাতে জেলা কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পালিয়ে যাওয়া হৃদয়, দিদার হোসেনসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ পালিয়ে যাওয়া হৃদয়কে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে পালাল হত্যা মামলার আসামি, বরখাস্ত ৭ কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ১২:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে জামিনপ্রাপ্ত এক হাজতির নাম ও ঠিকানা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য একজন হাজতি পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জেল সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার ২৮ বছর বয়সী হৃদয় মুজিবুর মিয়ার ছেলে, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতে ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে কারাগারে জামিনপ্রাপ্ত হাজতি দিদার হোসেনের মুক্তির প্রক্রিয়া চলাকালীন হৃদয় নিজেকে দিদার হোসেন বলে পরিচয় দিয়ে কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এই সময় কারাগারের অন্যান্য বন্দিরাও তাকে সহায়তা করেন। বিষয়টি কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারাগারের ভেতরে প্রকাশ্যে আসে।

জেল সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, নিরাপত্তার এমন গুরুতর ত্রুটির কারণে একজন ডেপুটি জেল কর্মকর্তা ও ছয়জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে ডিআইজি (প্রিজন) শফিক মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

এদিকে, ঘটনার পরকারাগারের কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কয়েকজন বন্দি যোগসাজশ করে হৃদয়কে পালাতে সাহায্য করেছে।

২৯ জানুয়ারি রাতে জেলা কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পালিয়ে যাওয়া হৃদয়, দিদার হোসেনসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ পালিয়ে যাওয়া হৃদয়কে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।