ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত  তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি সহজ হবে — জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

স্থানীয় সরকার বিভাগ পরিচালিত ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প’–এর আওতায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এহসান মুরাদ এবং স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী পরিচালক প্রিন্স সরকার।

সভায় জেলার ১০০টি ইউনিয়নের হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন,
“জেলা আদালতসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে বিপুলসংখ্যক মামলা বিচারাধীন থাকায় মামলার জট দিন দিন বাড়ছে। গ্রাম আদালতকে সঠিকভাবে সক্রিয় করা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুত ও সহজ হবে। এতে উচ্চ আদালতসমূহে মামলার চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।”

তিনি গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বাড়ানো, সেবাদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন। বিশেষ অতিথিরাও গ্রাম আদালতের ভূমিকা, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সভায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যবস্থাপক মো. মেরাজুল ইসলাম জেলার গ্রাম আদালতগুলোর অগ্রগতি, অর্জন এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেন।

শেষে অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল, দক্ষ ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি সহজ হবে — জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান

আপডেট সময় : ০৮:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

স্থানীয় সরকার বিভাগ পরিচালিত ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প’–এর আওতায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এহসান মুরাদ এবং স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী পরিচালক প্রিন্স সরকার।

সভায় জেলার ১০০টি ইউনিয়নের হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন,
“জেলা আদালতসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে বিপুলসংখ্যক মামলা বিচারাধীন থাকায় মামলার জট দিন দিন বাড়ছে। গ্রাম আদালতকে সঠিকভাবে সক্রিয় করা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুত ও সহজ হবে। এতে উচ্চ আদালতসমূহে মামলার চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।”

তিনি গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বাড়ানো, সেবাদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন। বিশেষ অতিথিরাও গ্রাম আদালতের ভূমিকা, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সভায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যবস্থাপক মো. মেরাজুল ইসলাম জেলার গ্রাম আদালতগুলোর অগ্রগতি, অর্জন এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেন।

শেষে অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল, দক্ষ ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও সুপারিশ তুলে ধরেন।