ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি সহজ হবে — জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৩৩ বার পড়া হয়েছে

স্থানীয় সরকার বিভাগ পরিচালিত ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প’–এর আওতায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এহসান মুরাদ এবং স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী পরিচালক প্রিন্স সরকার।

সভায় জেলার ১০০টি ইউনিয়নের হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন,
“জেলা আদালতসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে বিপুলসংখ্যক মামলা বিচারাধীন থাকায় মামলার জট দিন দিন বাড়ছে। গ্রাম আদালতকে সঠিকভাবে সক্রিয় করা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুত ও সহজ হবে। এতে উচ্চ আদালতসমূহে মামলার চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।”

তিনি গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বাড়ানো, সেবাদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন। বিশেষ অতিথিরাও গ্রাম আদালতের ভূমিকা, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সভায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যবস্থাপক মো. মেরাজুল ইসলাম জেলার গ্রাম আদালতগুলোর অগ্রগতি, অর্জন এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেন।

শেষে অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল, দক্ষ ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি সহজ হবে — জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান

আপডেট সময় : ০৮:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

স্থানীয় সরকার বিভাগ পরিচালিত ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প’–এর আওতায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এহসান মুরাদ এবং স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী পরিচালক প্রিন্স সরকার।

সভায় জেলার ১০০টি ইউনিয়নের হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন,
“জেলা আদালতসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে বিপুলসংখ্যক মামলা বিচারাধীন থাকায় মামলার জট দিন দিন বাড়ছে। গ্রাম আদালতকে সঠিকভাবে সক্রিয় করা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুত ও সহজ হবে। এতে উচ্চ আদালতসমূহে মামলার চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।”

তিনি গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বাড়ানো, সেবাদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন। বিশেষ অতিথিরাও গ্রাম আদালতের ভূমিকা, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সভায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যবস্থাপক মো. মেরাজুল ইসলাম জেলার গ্রাম আদালতগুলোর অগ্রগতি, অর্জন এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেন।

শেষে অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল, দক্ষ ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও সুপারিশ তুলে ধরেন।