ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত ল্যাট্রিন প্রকল্পে অনিয়ম: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি সহজ হবে — জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

স্থানীয় সরকার বিভাগ পরিচালিত ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প’–এর আওতায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এহসান মুরাদ এবং স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী পরিচালক প্রিন্স সরকার।

সভায় জেলার ১০০টি ইউনিয়নের হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন,
“জেলা আদালতসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে বিপুলসংখ্যক মামলা বিচারাধীন থাকায় মামলার জট দিন দিন বাড়ছে। গ্রাম আদালতকে সঠিকভাবে সক্রিয় করা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুত ও সহজ হবে। এতে উচ্চ আদালতসমূহে মামলার চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।”

তিনি গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বাড়ানো, সেবাদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন। বিশেষ অতিথিরাও গ্রাম আদালতের ভূমিকা, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সভায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যবস্থাপক মো. মেরাজুল ইসলাম জেলার গ্রাম আদালতগুলোর অগ্রগতি, অর্জন এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেন।

শেষে অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল, দক্ষ ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি সহজ হবে — জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান

আপডেট সময় : ০৮:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

স্থানীয় সরকার বিভাগ পরিচালিত ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প’–এর আওতায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এহসান মুরাদ এবং স্থানীয় সরকার শাখার সহকারী পরিচালক প্রিন্স সরকার।

সভায় জেলার ১০০টি ইউনিয়নের হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন,
“জেলা আদালতসহ দেশের বিভিন্ন আদালতে বিপুলসংখ্যক মামলা বিচারাধীন থাকায় মামলার জট দিন দিন বাড়ছে। গ্রাম আদালতকে সঠিকভাবে সক্রিয় করা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুত ও সহজ হবে। এতে উচ্চ আদালতসমূহে মামলার চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।”

তিনি গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বাড়ানো, সেবাদান প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন। বিশেষ অতিথিরাও গ্রাম আদালতের ভূমিকা, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সভায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যবস্থাপক মো. মেরাজুল ইসলাম জেলার গ্রাম আদালতগুলোর অগ্রগতি, অর্জন এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেন।

শেষে অংশগ্রহণকারীরা গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল, দক্ষ ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও সুপারিশ তুলে ধরেন।