ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত ল্যাট্রিন প্রকল্পে অনিয়ম: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ১১ লাখ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হবে

দুর্দিনেও সরকার সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার টিকা ফ্রি দিচ্ছে’ — জেলা প্রশাসক

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০২:২২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিনামূল্যে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হবে। এ পর্যন্ত জেলার ৭ লাখ ২৪ হাজার ৮৬ জন নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।
সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা পর্যায়ের পরামর্শ কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।
‘শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম’ প্রকল্পের আওতায় জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন,
“একটি টিকার দাম প্রায় ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও সরকার এই দুর্দিনে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সাড়ে ৫ কোটি টিকা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিচ্ছে। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক বিশাল বিনিয়োগ।”
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাসিমা খাতুন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মো. নোমান মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন ও সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. দীপক চন্দ্র দাস।
কর্মশালায় জানানো হয়, আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ১৮ দিন চলবে টিকাদান কার্যক্রম। এর মধ্যে প্রথম ১০ দিন বিদ্যালয়ে ও পরবর্তী ৮ দিন স্থানীয় পর্যায়ে টিকা প্রদান করা হবে। ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুরা এ টিকা নিতে পারবে।
জেলায় মোট ১১ লাখ ৫০ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন ৭ লাখ ২৪ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় ১ লাখ ২১ হাজার ৪৭৪ জন, নবীনগরে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯১৯ জন, সরাইলে ১ লাখ ১ হাজার ২১৬ জন, বাঞ্ছারামপুরে ৭৯ হাজার ৩৪০ জন, বিজয়নগরে ৭০ হাজার ৪২৬ জন, কসবায় ৭২ হাজার ৮১০ জন, নাসিরনগরে ৭৭ হাজার ৪২৭ জন, আশুগঞ্জে ৪০ হাজার ১৯৭ জন এবং আখাউড়ায় ৩৮ হাজার ২১৭ জন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ১১ লাখ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হবে

দুর্দিনেও সরকার সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার টিকা ফ্রি দিচ্ছে’ — জেলা প্রশাসক

আপডেট সময় : ০২:২২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিনামূল্যে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হবে। এ পর্যন্ত জেলার ৭ লাখ ২৪ হাজার ৮৬ জন নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।
সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা পর্যায়ের পরামর্শ কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।
‘শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম’ প্রকল্পের আওতায় জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন,
“একটি টিকার দাম প্রায় ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও সরকার এই দুর্দিনে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সাড়ে ৫ কোটি টিকা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিচ্ছে। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক বিশাল বিনিয়োগ।”
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাসিমা খাতুন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মো. নোমান মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন ও সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. দীপক চন্দ্র দাস।
কর্মশালায় জানানো হয়, আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ১৮ দিন চলবে টিকাদান কার্যক্রম। এর মধ্যে প্রথম ১০ দিন বিদ্যালয়ে ও পরবর্তী ৮ দিন স্থানীয় পর্যায়ে টিকা প্রদান করা হবে। ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুরা এ টিকা নিতে পারবে।
জেলায় মোট ১১ লাখ ৫০ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন ৭ লাখ ২৪ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় ১ লাখ ২১ হাজার ৪৭৪ জন, নবীনগরে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯১৯ জন, সরাইলে ১ লাখ ১ হাজার ২১৬ জন, বাঞ্ছারামপুরে ৭৯ হাজার ৩৪০ জন, বিজয়নগরে ৭০ হাজার ৪২৬ জন, কসবায় ৭২ হাজার ৮১০ জন, নাসিরনগরে ৭৭ হাজার ৪২৭ জন, আশুগঞ্জে ৪০ হাজার ১৯৭ জন এবং আখাউড়ায় ৩৮ হাজার ২১৭ জন।