ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তদবির করতে এসে গ্রেফতার হত্যা মামলার আসামি

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৩৫৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ে তদবির করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন বাচ্চু মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তি। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতার বাচ্চু মিয়ার বাড়ি সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের ধামাউড়া গ্রামে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অরুয়াইল ইউনিয়ন শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে দুটি হত্যাসহ মোট চারটি মামলা রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে সরাইল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
থানা-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে সরাইল এবং ঢাকার আদাবর থানায় দুটি হত্যা মামলা আছে। এ ছাড়া বিভিন্ন থানায় আরও দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে গত শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ধামাউড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য শিরিন আক্তারকে মারধরের অভিযোগে সরাইল থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় বাচ্চু মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়।
সোমবার দুপুরের পর বাচ্চু মিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে ওই মামলাটি “মিথ্যা” প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। এসময় পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায়ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে থেকে ডিবি পুলিশ তাঁকে এক মাদরাসাছাত্র হত্যা মামলায় গ্রেফতার করেছিল। তবে দুই ঘণ্টা পর বিএনপির দুই নেতার সুপারিশে তিনি ছাড়া পান। এরপর কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পর সম্প্রতি ফের এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন।
শিরিন আক্তার বলেন, “বাচ্চু মিয়ার নেতৃত্বে আমাকে মারধর করা হয়েছে। মামলা তুলে নিতে তাঁর লোকজন আমাকে হুমকি দিচ্ছে। তাদের ভয়ে আমি একা মেয়েকে স্কুলে আনা–নেওয়া করতে পারছি না। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।”
বাচ্চু মিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, “তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যাসহ চারটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া নানা অভিযোগও আছে।”

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তদবির করতে এসে গ্রেফতার হত্যা মামলার আসামি

আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ে তদবির করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন বাচ্চু মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তি। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতার বাচ্চু মিয়ার বাড়ি সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের ধামাউড়া গ্রামে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অরুয়াইল ইউনিয়ন শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে দুটি হত্যাসহ মোট চারটি মামলা রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে সরাইল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
থানা-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাচ্চু মিয়ার বিরুদ্ধে সরাইল এবং ঢাকার আদাবর থানায় দুটি হত্যা মামলা আছে। এ ছাড়া বিভিন্ন থানায় আরও দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে গত শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ধামাউড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য শিরিন আক্তারকে মারধরের অভিযোগে সরাইল থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় বাচ্চু মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়।
সোমবার দুপুরের পর বাচ্চু মিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে ওই মামলাটি “মিথ্যা” প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। এসময় পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায়ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে থেকে ডিবি পুলিশ তাঁকে এক মাদরাসাছাত্র হত্যা মামলায় গ্রেফতার করেছিল। তবে দুই ঘণ্টা পর বিএনপির দুই নেতার সুপারিশে তিনি ছাড়া পান। এরপর কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার পর সম্প্রতি ফের এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন।
শিরিন আক্তার বলেন, “বাচ্চু মিয়ার নেতৃত্বে আমাকে মারধর করা হয়েছে। মামলা তুলে নিতে তাঁর লোকজন আমাকে হুমকি দিচ্ছে। তাদের ভয়ে আমি একা মেয়েকে স্কুলে আনা–নেওয়া করতে পারছি না। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।”
বাচ্চু মিয়াকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, “তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যাসহ চারটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া নানা অভিযোগও আছে।”