ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কসবায় ইপিজেড স্থাপন নিয়ে এগোচ্ছে সরকার, পেছনে কবীর ভুঁইয়ার প্রস্তাব ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর খননের সময় উদ্ধার মর্টার শেল, এলাকায় চাঞ্চল্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নতুন ডিসি মো. আবু সাঈদ কসবা সীমান্তে পিকাপসহ কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ী ও জিরা আটক মোদি বিরোধী আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোয়া ও আলোচনা সভা আখাউড়া সীমান্তে ৮১ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ শাড়ী জব্দ “চুরি করতে যাচ্ছি, অসুবিধা হলে সহযোগিতা করবেন”—এএসআইকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন নবনিযুক্ত প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক সিরাজকে ফুলেল শুভেচ্ছা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১২:৩২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১০২৩ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে সমৃদ্ধ জেলায় রূপান্তরের অঙ্গীকার।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল বলেছেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে সমৃদ্ধ জেলায় রূপান্তর করাই আমার অঙ্গীকার।”
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বেলা সাড়ে ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অধ্যাপক মিথিল বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ভর্তি জটিলতা এবং আসনসংকটের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অসংখ্য শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এ জেলার মানুষের প্রাথমিক দাবি। জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে আমি বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করব এবং বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
তিনি আরও বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভৌগোলিক অবস্থান শিল্পায়নের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কিন্তু সরকারের অবহেলায় এ সম্ভাবনা কাজে লাগানো হয়নি। আমি শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ সুবিধা প্রদান এবং কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তুলব।”
এ ছাড়া মহাসড়ক উন্নয়ন, বিকল্প সড়ক নির্মাণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
ড. মিথিল সাংবাদিকদের জানান, ৫ আগস্টের বিজয় ছিল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ সাহসী লড়ায়ের ফসল। তিনি বলেন, “জুলাই আন্দোলন যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারি দমন-পীড়নের কারণে স্তিমিত হয়ে পড়েছিল, তখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করি। আমি নিজে মাঠে নামি, আমাকে দেখে শত শত ছাত্রছাত্রী ও সহকর্মী অনুপ্রাণিত হয়। এতে আন্দোলনের গতি ফিরে আসে এবং শেষ পর্যন্ত আমরা বিজয় অর্জন করি।”
তিনি আরও বলেন, “দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তবে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করব। আর যদি অন্য কাউকে দেয়, তবে তার পক্ষেই মাঠে কাজ করব।”
অধ্যাপক ড. মিথিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত একটি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার পর দীর্ঘদিন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। তিনি ফেডারেশন অব ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (UTAB), জাপান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (JUAAB) এবং USA State Alumni Association-এর নির্বাচিত ও সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন।
মতবিনিময় সভার শেষে তিনি বলেন, আমি সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করতে চাই। জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়েই আমি নির্বাচনে জয়ী হতে চাই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন এবং পৌরসভার আধুনিকায়ন আমার অগ্রাধিকার।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন,মীর মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা ও সাবেক জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক), ডা. মনিরুল ইসলাম চয়ন (উপদেষ্টা জেলা বিএনপি ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক), এমদাদুল হাসান (সাবেক ভিপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ), মোরশেদুল হক (বিআরডিবির সাবেক পরিচালক), আতিকুল ইসলাম (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, বিইউপি), ওয়াহিদুর রহমান ইমন (সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য), এ কে এম ওবায়দুল হক (জুলাই আন্দোলনে আহত যোদ্ধা), দিদারুল আলম রাজিব (শিল্প ও সংস্কৃতিক সম্পাদক জেলা যুবদল), আরিফুল কবীর চৌধুরী হীরা (সাবেক ছাত্রদল নেতা), মীর সাইফুল আলম রিফাত (যুগ্ম আহ্বায়ক জেলা ছাত্রদল) প্রমুখ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল

আপডেট সময় : ১২:৩২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে সমৃদ্ধ জেলায় রূপান্তরের অঙ্গীকার।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল বলেছেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে সমৃদ্ধ জেলায় রূপান্তর করাই আমার অঙ্গীকার।”
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বেলা সাড়ে ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অধ্যাপক মিথিল বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ভর্তি জটিলতা এবং আসনসংকটের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অসংখ্য শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এ জেলার মানুষের প্রাথমিক দাবি। জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে আমি বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করব এবং বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
তিনি আরও বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভৌগোলিক অবস্থান শিল্পায়নের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কিন্তু সরকারের অবহেলায় এ সম্ভাবনা কাজে লাগানো হয়নি। আমি শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ সুবিধা প্রদান এবং কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তুলব।”
এ ছাড়া মহাসড়ক উন্নয়ন, বিকল্প সড়ক নির্মাণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
ড. মিথিল সাংবাদিকদের জানান, ৫ আগস্টের বিজয় ছিল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ সাহসী লড়ায়ের ফসল। তিনি বলেন, “জুলাই আন্দোলন যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারি দমন-পীড়নের কারণে স্তিমিত হয়ে পড়েছিল, তখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করি। আমি নিজে মাঠে নামি, আমাকে দেখে শত শত ছাত্রছাত্রী ও সহকর্মী অনুপ্রাণিত হয়। এতে আন্দোলনের গতি ফিরে আসে এবং শেষ পর্যন্ত আমরা বিজয় অর্জন করি।”
তিনি আরও বলেন, “দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তবে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করব। আর যদি অন্য কাউকে দেয়, তবে তার পক্ষেই মাঠে কাজ করব।”
অধ্যাপক ড. মিথিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত একটি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার পর দীর্ঘদিন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। তিনি ফেডারেশন অব ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (UTAB), জাপান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (JUAAB) এবং USA State Alumni Association-এর নির্বাচিত ও সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন।
মতবিনিময় সভার শেষে তিনি বলেন, আমি সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করতে চাই। জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়েই আমি নির্বাচনে জয়ী হতে চাই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন এবং পৌরসভার আধুনিকায়ন আমার অগ্রাধিকার।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন,মীর মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা ও সাবেক জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক), ডা. মনিরুল ইসলাম চয়ন (উপদেষ্টা জেলা বিএনপি ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক), এমদাদুল হাসান (সাবেক ভিপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ), মোরশেদুল হক (বিআরডিবির সাবেক পরিচালক), আতিকুল ইসলাম (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, বিইউপি), ওয়াহিদুর রহমান ইমন (সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য), এ কে এম ওবায়দুল হক (জুলাই আন্দোলনে আহত যোদ্ধা), দিদারুল আলম রাজিব (শিল্প ও সংস্কৃতিক সম্পাদক জেলা যুবদল), আরিফুল কবীর চৌধুরী হীরা (সাবেক ছাত্রদল নেতা), মীর সাইফুল আলম রিফাত (যুগ্ম আহ্বায়ক জেলা ছাত্রদল) প্রমুখ।