ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নদী দখল, দূষণ ও অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলার আহ্বান অসহায় পাপনের জীবনে আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়ালেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা

আখাউড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে কিশোরের আত্মহত্যা

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় : ১১:২২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

প্রতিকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস দেওয়া জুলন্ত অবস্থায় মোঃ ইয়াসিন মিয়া (১৭) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ অক্টোবর ) দুপুরে পৌরশহরের মসজিদ পাড়ার জাহের মিয়ার ভাড়াটিয়া মোঃ লুৎফুর রহমানের টিনসেডের ঘর থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রোববার গভীর রাতের কোন এক সময় এ ফাঁস দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহত ইয়াসিন মিয়া পৌরশহরের মসজিদ পাড়ার জাহের মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ লুৎফুর রহমানের ছেলে।
প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারনা করছে পুলিশ।

নিহতের মা হেনা বেগম বলেন, এক মেয়ের সাথে আমার ছেলে ইয়াসিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই মেয়ে আমার ছেলের কাছে বিয়ের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা কাবিন চেয়েছিল। আমার ছেলে বেকার সে এত টাকা কোথা থেকে দিবে। এসব কারণে সে বেশ মানসিক যন্ত্রণায় ছিল। গত রাতে আমার ছেলে আলাদা ঘরে ছিল। গভীর রাত পর্যন্ত তাকে ফোনে কথা বলতে দেখেছি। ভোর সকালে তার রুমে গিয়ে দেখি সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না প্যাচানো আমার ছেলের মৃতদেহ ঝুলে আছে।

এ ব্যপারে আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছমিউদ্দিন বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে নিহত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে কোন প্রকার মনোমালিন্য থেকে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আখাউড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে কিশোরের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ১১:২২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস দেওয়া জুলন্ত অবস্থায় মোঃ ইয়াসিন মিয়া (১৭) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ অক্টোবর ) দুপুরে পৌরশহরের মসজিদ পাড়ার জাহের মিয়ার ভাড়াটিয়া মোঃ লুৎফুর রহমানের টিনসেডের ঘর থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রোববার গভীর রাতের কোন এক সময় এ ফাঁস দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহত ইয়াসিন মিয়া পৌরশহরের মসজিদ পাড়ার জাহের মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ লুৎফুর রহমানের ছেলে।
প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারনা করছে পুলিশ।

নিহতের মা হেনা বেগম বলেন, এক মেয়ের সাথে আমার ছেলে ইয়াসিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই মেয়ে আমার ছেলের কাছে বিয়ের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা কাবিন চেয়েছিল। আমার ছেলে বেকার সে এত টাকা কোথা থেকে দিবে। এসব কারণে সে বেশ মানসিক যন্ত্রণায় ছিল। গত রাতে আমার ছেলে আলাদা ঘরে ছিল। গভীর রাত পর্যন্ত তাকে ফোনে কথা বলতে দেখেছি। ভোর সকালে তার রুমে গিয়ে দেখি সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না প্যাচানো আমার ছেলের মৃতদেহ ঝুলে আছে।

এ ব্যপারে আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছমিউদ্দিন বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে নিহত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে কোন প্রকার মনোমালিন্য থেকে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।