ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা প্রবর্তক একাডেমি ও ঢেউ আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রা যেমন খুশি তেমন সাজে লোকজ পুরস্কার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজকে গণসংবর্ধনা খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার নতুন ওসি আবু তাহের দেওয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন বাঞ্ছারামপুর পামওয়েল কে নামী ব্রান্ডের সোয়াবিন তেল হিসেবে বিক্রি অভিযানে ১ লাখ টাকা জরিমানা নবীনগরে নিম্নমানের সড়ক নির্মাণ নিয়ে বিরোধ: প্রকৌশলীকে তাড়া ও মারধর, মামলায় ঠিকাদারের ম্যানেজার গ্রেপ্তার আখাউড়ায় নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

২৮ লাখ মানুষের জেলায় নেই মেডিকেল কলেজ, অবশেষে অর্থ উপদেষ্টার ডিও লেটার

আবু নাছের (রতন), আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • আপডেট সময় : ০৬:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৩২০ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে ডিও লেটার (আধাসরকারি পত্র) দিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। গত ৩ আগস্ট এ পত্রটি দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের পথ সুগম হলো বলে মনে করা হচ্ছে। শিগগিরই এর অনুমোদন মিলবে বলেও স্থানীয়দের আশা।

ডিও লেটারে তিনি উল্লেখ করেছেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাংলাদেশের অন্যতম জনবহুল জেলা, প্রায় ২৮ লাখ মানুষের বসবাস এখানে। শিল্প, কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানের কারণে ভৌগোলিকভাবেও এ জেলার গুরুত্ব অনেক। অথচ বিদ্যমান হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা না থাকায় জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য অধিকাংশ রোগীকেই ঢাকায় বা পার্শ্ববর্তী জেলায় যেতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।

উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী সরকার কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার চেয়ে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ চাঁদপুর, হবিগঞ্জ, নীলফামারী, মাগুরা জেলা সদরসহ অন্যান্য ছোট জেলায় ইতোমধ্যে সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন হয়েছে। অথচ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ উদ্যোগ না নেওয়াটা স্থানীয়দের কাছে অবিচার বলে মনে করা হচ্ছে।

ডিও লেটারে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থান হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেডিকেল কলেজ হলে কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ আশপাশের জেলার মানুষও উপকৃত হবে। এতে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য রোগীর চাপ কমবে এবং স্থানীয় কৃষিজীবী, শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ নিজেদের এলাকায় উন্নত চিকিৎসা পাবে।

এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুন নূর বলেন, ‘আমাদের জেলায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি, প্রাণের দাবি। স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে অর্থ উপদেষ্টার দেওয়া পত্রের বিষয়টি জেনে ভালো লাগলো। আমরা মনে করি জেলার গুরুত্ব অনুধাবন করে অতি দ্রুত এর বাস্তবায়ন আমরা দেখতে পাবো।’

ঢাকাস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমিতির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক বলেন, ‘আমাদের জেলায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনে যেখানে যেখানে বলার, যেখানে যেখানে যাওয়ার প্রয়োজন সেটা আমরা করছি। প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনে অর্থ উপদেষ্টার চিঠির বিষয়টি অবশ্যই আশাব্যঞ্জক। আশা করছি এর দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। আমরা আমাদের তরফ থেকেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো।’

স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিবের সাথে গত ২৪ শে জুলাই ২০২৫ তারিখে সাক্ষাৎ কালে তোলা ছবি।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও ঢাকাস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, “আমরা সরাসরি মাননীয় অর্থ উপদেষ্টার অফিসে গিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছি। বহুবার বিনীত অনুরোধ করার পর তিনি অবশেষে ডিও লেটার প্রদানের জন্য সম্মতি দিয়েছেন। আমরা তাঁকে জানিয়েছি, এই ডিও লেটারটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টাকে পাঠাতে হবে। মাননীয় অর্থ উপদেষ্টার আন্তরিক সহানুভূতি ও সহযোগিতার জন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এর ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ আরও এগিয়ে যাবে।”

এর আগে, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিবের সাথে গত ২৪ শে জুলাই ২০২৫ তারিখে সাক্ষাৎ করে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাটি ও মানুষের নেতা জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। পরবর্তীতে তিনি অর্থ উপদেষ্টার সাথেও সাক্ষাৎ করেন। যার ফলশ্রুতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের কাছে ডিও (আধা সরকারি) লেটার দিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

গত ৩ আগস্ট প্রদত্ত এ চিঠির মাধ্যমে জেলার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন করবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

২৮ লাখ মানুষের জেলায় নেই মেডিকেল কলেজ, অবশেষে অর্থ উপদেষ্টার ডিও লেটার

আপডেট সময় : ০৬:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে ডিও লেটার (আধাসরকারি পত্র) দিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। গত ৩ আগস্ট এ পত্রটি দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের পথ সুগম হলো বলে মনে করা হচ্ছে। শিগগিরই এর অনুমোদন মিলবে বলেও স্থানীয়দের আশা।

ডিও লেটারে তিনি উল্লেখ করেছেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাংলাদেশের অন্যতম জনবহুল জেলা, প্রায় ২৮ লাখ মানুষের বসবাস এখানে। শিল্প, কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানের কারণে ভৌগোলিকভাবেও এ জেলার গুরুত্ব অনেক। অথচ বিদ্যমান হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা না থাকায় জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য অধিকাংশ রোগীকেই ঢাকায় বা পার্শ্ববর্তী জেলায় যেতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।

উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী সরকার কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার চেয়ে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ চাঁদপুর, হবিগঞ্জ, নীলফামারী, মাগুরা জেলা সদরসহ অন্যান্য ছোট জেলায় ইতোমধ্যে সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন হয়েছে। অথচ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ উদ্যোগ না নেওয়াটা স্থানীয়দের কাছে অবিচার বলে মনে করা হচ্ছে।

ডিও লেটারে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থান হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেডিকেল কলেজ হলে কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ আশপাশের জেলার মানুষও উপকৃত হবে। এতে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য রোগীর চাপ কমবে এবং স্থানীয় কৃষিজীবী, শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ নিজেদের এলাকায় উন্নত চিকিৎসা পাবে।

এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুন নূর বলেন, ‘আমাদের জেলায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি, প্রাণের দাবি। স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে অর্থ উপদেষ্টার দেওয়া পত্রের বিষয়টি জেনে ভালো লাগলো। আমরা মনে করি জেলার গুরুত্ব অনুধাবন করে অতি দ্রুত এর বাস্তবায়ন আমরা দেখতে পাবো।’

ঢাকাস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমিতির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক বলেন, ‘আমাদের জেলায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনে যেখানে যেখানে বলার, যেখানে যেখানে যাওয়ার প্রয়োজন সেটা আমরা করছি। প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনে অর্থ উপদেষ্টার চিঠির বিষয়টি অবশ্যই আশাব্যঞ্জক। আশা করছি এর দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। আমরা আমাদের তরফ থেকেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো।’

স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিবের সাথে গত ২৪ শে জুলাই ২০২৫ তারিখে সাক্ষাৎ কালে তোলা ছবি।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও ঢাকাস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, “আমরা সরাসরি মাননীয় অর্থ উপদেষ্টার অফিসে গিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছি। বহুবার বিনীত অনুরোধ করার পর তিনি অবশেষে ডিও লেটার প্রদানের জন্য সম্মতি দিয়েছেন। আমরা তাঁকে জানিয়েছি, এই ডিও লেটারটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টাকে পাঠাতে হবে। মাননীয় অর্থ উপদেষ্টার আন্তরিক সহানুভূতি ও সহযোগিতার জন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এর ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ আরও এগিয়ে যাবে।”

এর আগে, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিবের সাথে গত ২৪ শে জুলাই ২০২৫ তারিখে সাক্ষাৎ করে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাটি ও মানুষের নেতা জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। পরবর্তীতে তিনি অর্থ উপদেষ্টার সাথেও সাক্ষাৎ করেন। যার ফলশ্রুতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের কাছে ডিও (আধা সরকারি) লেটার দিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

গত ৩ আগস্ট প্রদত্ত এ চিঠির মাধ্যমে জেলার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন করবে।