ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা প্রবর্তক একাডেমি ও ঢেউ আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রা যেমন খুশি তেমন সাজে লোকজ পুরস্কার

আখাউড়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:২৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / ৩৫৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্রাাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারধরের অভিযোগ এনে মিথ্যা বানোয়াট ঘটনা সাজিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ভুক্তভোগীর পরিবার।

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের খারকোট গ্রামের জহির মোল্লার বাড়িতে এ সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আনু মোল্লা, বাছির মোল্লা নামে দুই প্রতিবেশী গণ্যমান্য মুরব্বি ও জহির মোল্লার এক চাচাতো ভাই মোর্শিদ মোল্লা বক্তব্য দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জহির মোল্লার চাচাতো ভাই মোর্শিদ মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার চাচাতো ভাই জহির মোল্লা ও তার স্ত্রীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আমার ফুফাতো ভাইয়ের স্ত্রী দোলনা বেগম সম্প্রতি ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় মারধরের অভিযোগ এনে থানায় যে মামলাটি করেছে। এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা। আমরা প্রতিবেশীদের জানামতে আমার ফুফাত ভাই শহীদ মিয়া ও তার স্ত্রী দোলনা বেগমের সঙ্গে আমার চাচাতো ভাই জহির মোল্লার জমি সংক্রান্ত কোন বিরোধ নাই।

প্রকৃত ঘটনা হলো জহির মোল্লা দোলনা বেগমের মামা শ্বশুরে ছেলে (শহীদ মিয়ার মামাতো ভাই)। এই দাবীতে নিজ দায়ীত্ব নিয়ে আমাদের এক ভাতিজিকে কয়েক মাস পূর্বে শহীদ মিয়ার স্ত্রী দোলনা বেগমের বোনের ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে দেয়। বিয়ের পর থেকে জামাই আমাদের ভাতিজিকে যৌতুকের দাবীতে অমানবিক নির্যাতন করে আসছে। গত কয়েকদিন আগে গাড়ী ক্রয় করার অজুহাতে বাবার বাড়ি থেকে দেড় লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে যাওয়ার জন্য আমার ভাতিজিকে তার স্বামী নির্যাতন (মারধর) করে শহীদ মিয়ার (দোলনা বেগমের) বাড়িতে রেখে যায়। এ ব্যপারে জহির মোল্লা ও তার পরিবারের অন্যান্য লোকজন দোলনা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মহিলাদের মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। পরে প্রতিবেশীরা এসে ঝগড়া মিটিয়ে দেয়।

কিন্তু দোলনা বেগম তার বোনের ছেলের স্ত্রী নির্যাতনের অন্যায়কে ধামাচাপা দিতে উল্টো জহির মোল্লাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। আপনারা সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক মিথ্যা মামলা হতে অব্যাহতি ও আমার ভাতিজিকে যৌতুকের দায়ে নির্যাতনের ন্যায় বিচার চাই।’

এব্যপারে জহির মোল্লার চাচা আনু মোল্লা ও বাছির মোল্লা বলেন, যেই জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনা সাজিয়ে আমার ভাগ্নের বউ দোলনা বেগম থানায় মামলা দায়ের করেছে। সেই জমিটি এক বছর আগে আমার ভাই গফুর মোল্লা থেকে আমার ভাগ্নে শহীদ মিয়া কিনেছে। আমার বাতিজা জহির মোল্লা তখন প্রবাসে ছিল। সে এই ভূমি কখনো কিনতেই চায়নি। জমি নিয়ে বিরোধের প্রশ্নই উঠেনা। অতচ এক বছর পর জমি বিরোধের মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছে দোলনা।

জমির মালিক মোঃ গফুর মোল্লা বলেন, আমি যখন জমিটি বিক্রির প্রস্তাব করি তখন আমার বাতিজা জহির প্রবাসে ছিল। তৎকালীন সময়ে আমার ভাগ্নের বউ দোলনা বেগম ব্যতিত অন্যকোনো প্রতিবেশীরা জমি ক্রয় করতে রাজি হয় নাই। সুতরাং এই জমি নিয়ে কারো বিরোধের প্রশ্নই উঠেনা। আমার জানামতে আমার বাতিজা জহির মোল্লার সাথে আমার বাগ্নে বউ দোলনা বেগমের জমি সংক্রান্ত কোন বিরোধ নাই।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে ওই গ্রামের হামদু মোল্লা, রহিজ মোল্লা, হাসু মোল্লা, হৃদয় মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী দোলনা বেগমের স্বামী শহীদ মিয়া বলেন, ‘আমরা একটি জমি কেনাতে জহির মোল্লার সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরে তারা বাড়িতে এসে আমাদেরকে মারধর করেছে। এসময় আমার ছেলের বউয়ের মাথায় জখম হয়েছে। সেজন্য আমরা থানায় মামলা দায়ের করেছি।’

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আখাউড়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৬:২৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

ব্রাাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারধরের অভিযোগ এনে মিথ্যা বানোয়াট ঘটনা সাজিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ভুক্তভোগীর পরিবার।

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের খারকোট গ্রামের জহির মোল্লার বাড়িতে এ সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আনু মোল্লা, বাছির মোল্লা নামে দুই প্রতিবেশী গণ্যমান্য মুরব্বি ও জহির মোল্লার এক চাচাতো ভাই মোর্শিদ মোল্লা বক্তব্য দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জহির মোল্লার চাচাতো ভাই মোর্শিদ মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার চাচাতো ভাই জহির মোল্লা ও তার স্ত্রীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আমার ফুফাতো ভাইয়ের স্ত্রী দোলনা বেগম সম্প্রতি ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় মারধরের অভিযোগ এনে থানায় যে মামলাটি করেছে। এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা। আমরা প্রতিবেশীদের জানামতে আমার ফুফাত ভাই শহীদ মিয়া ও তার স্ত্রী দোলনা বেগমের সঙ্গে আমার চাচাতো ভাই জহির মোল্লার জমি সংক্রান্ত কোন বিরোধ নাই।

প্রকৃত ঘটনা হলো জহির মোল্লা দোলনা বেগমের মামা শ্বশুরে ছেলে (শহীদ মিয়ার মামাতো ভাই)। এই দাবীতে নিজ দায়ীত্ব নিয়ে আমাদের এক ভাতিজিকে কয়েক মাস পূর্বে শহীদ মিয়ার স্ত্রী দোলনা বেগমের বোনের ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে দেয়। বিয়ের পর থেকে জামাই আমাদের ভাতিজিকে যৌতুকের দাবীতে অমানবিক নির্যাতন করে আসছে। গত কয়েকদিন আগে গাড়ী ক্রয় করার অজুহাতে বাবার বাড়ি থেকে দেড় লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে যাওয়ার জন্য আমার ভাতিজিকে তার স্বামী নির্যাতন (মারধর) করে শহীদ মিয়ার (দোলনা বেগমের) বাড়িতে রেখে যায়। এ ব্যপারে জহির মোল্লা ও তার পরিবারের অন্যান্য লোকজন দোলনা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মহিলাদের মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। পরে প্রতিবেশীরা এসে ঝগড়া মিটিয়ে দেয়।

কিন্তু দোলনা বেগম তার বোনের ছেলের স্ত্রী নির্যাতনের অন্যায়কে ধামাচাপা দিতে উল্টো জহির মোল্লাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। আপনারা সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক মিথ্যা মামলা হতে অব্যাহতি ও আমার ভাতিজিকে যৌতুকের দায়ে নির্যাতনের ন্যায় বিচার চাই।’

এব্যপারে জহির মোল্লার চাচা আনু মোল্লা ও বাছির মোল্লা বলেন, যেই জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনা সাজিয়ে আমার ভাগ্নের বউ দোলনা বেগম থানায় মামলা দায়ের করেছে। সেই জমিটি এক বছর আগে আমার ভাই গফুর মোল্লা থেকে আমার ভাগ্নে শহীদ মিয়া কিনেছে। আমার বাতিজা জহির মোল্লা তখন প্রবাসে ছিল। সে এই ভূমি কখনো কিনতেই চায়নি। জমি নিয়ে বিরোধের প্রশ্নই উঠেনা। অতচ এক বছর পর জমি বিরোধের মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছে দোলনা।

জমির মালিক মোঃ গফুর মোল্লা বলেন, আমি যখন জমিটি বিক্রির প্রস্তাব করি তখন আমার বাতিজা জহির প্রবাসে ছিল। তৎকালীন সময়ে আমার ভাগ্নের বউ দোলনা বেগম ব্যতিত অন্যকোনো প্রতিবেশীরা জমি ক্রয় করতে রাজি হয় নাই। সুতরাং এই জমি নিয়ে কারো বিরোধের প্রশ্নই উঠেনা। আমার জানামতে আমার বাতিজা জহির মোল্লার সাথে আমার বাগ্নে বউ দোলনা বেগমের জমি সংক্রান্ত কোন বিরোধ নাই।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে ওই গ্রামের হামদু মোল্লা, রহিজ মোল্লা, হাসু মোল্লা, হৃদয় মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী দোলনা বেগমের স্বামী শহীদ মিয়া বলেন, ‘আমরা একটি জমি কেনাতে জহির মোল্লার সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরে তারা বাড়িতে এসে আমাদেরকে মারধর করেছে। এসময় আমার ছেলের বউয়ের মাথায় জখম হয়েছে। সেজন্য আমরা থানায় মামলা দায়ের করেছি।’