ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত ল্যাট্রিন প্রকল্পে অনিয়ম: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের ‘নগদে জরিমানা’: চালকদের সঙ্গে থানায় হয় গোপন ‘চুক্তি’!

আবু নাছের (রতন), আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / ৩৬৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে নগদে জরিমানা আদায়ের গোপন চুক্তির অভিযোগ উঠেছে। চালকরা বলছেন, যানবাহন আটকানোর পর থানায় নিয়ে গিয়ে হয় ‘নগদ না ব্যাংক?’ প্রশ্ন, তারপর শুরু হয় গোপন লেনদেন। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এসব জরিমানা ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দেওয়ার কথা। কিন্তু দেওয়া হচ্ছে না কোনো রশিদ বা অফিসিয়াল স্লিপ।

সিএনজি চালক জাবেদ মিয়া জানান, “গাড়ি আটকানোর পর একটি কাগজ দিয়ে থানায় পাঠানো হয়। সেখানে ‘বড় স্যার’-এর কাছ থেকে স্লিপ নিয়ে ভিতরে যেতে বলা হয়। ভেতরে ঢুকলেই বলা হয়, জরিমানা হয়েছে—নগদ না ব্যাংকে দিবেন? নগদ বললেই সঙ্গে সঙ্গে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দেয়, কিন্তু কোনো কাগজ দেয় না।”

চালক বকুল ও পলাশের অভিজ্ঞতাও একই। তারা বলেন, “থানায় নিলে ভিতরে নিয়ে গিয়ে বলে জরিমানা হয়েছে, নগদ দেন, গাড়ি নিয়ে যান। ভয়ে নগদ দিয়ে দেই, কোনো রশিদও পাই না।”

সিএনজি মালিক সমিতির সেক্রেটারি শাহজাহান মিয়া বলেন, “থানায় নগদ নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। জরুরি প্রয়োজনে সিএনজি শহরে ঢুকতে পারে, কিন্তু স্ট্যান্ড বানিয়ে যাত্রী ওঠানো সম্পূর্ণ অনিয়ম।”

এছাড়া ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করে ভারি যানবাহনও দিনে শহরে প্রবেশ করছে। নিয়ম অনুযায়ী রাত ৯টার পর এসব গাড়ি শহরে ঢোকার অনুমতি থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, ঘুষ দিয়ে দিনের বেলায়ই শহরে প্রবেশ করছে তারা। এর ফলে শহরে তৈরি হচ্ছে তীব্র যানজট, দুর্ভোগে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এভাবে চলতে থাকলে সরকার হারাবে রাজস্ব, আর শহরের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে।

এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মীর আনোয়ারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের ‘নগদে জরিমানা’: চালকদের সঙ্গে থানায় হয় গোপন ‘চুক্তি’!

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে নগদে জরিমানা আদায়ের গোপন চুক্তির অভিযোগ উঠেছে। চালকরা বলছেন, যানবাহন আটকানোর পর থানায় নিয়ে গিয়ে হয় ‘নগদ না ব্যাংক?’ প্রশ্ন, তারপর শুরু হয় গোপন লেনদেন। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এসব জরিমানা ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দেওয়ার কথা। কিন্তু দেওয়া হচ্ছে না কোনো রশিদ বা অফিসিয়াল স্লিপ।

সিএনজি চালক জাবেদ মিয়া জানান, “গাড়ি আটকানোর পর একটি কাগজ দিয়ে থানায় পাঠানো হয়। সেখানে ‘বড় স্যার’-এর কাছ থেকে স্লিপ নিয়ে ভিতরে যেতে বলা হয়। ভেতরে ঢুকলেই বলা হয়, জরিমানা হয়েছে—নগদ না ব্যাংকে দিবেন? নগদ বললেই সঙ্গে সঙ্গে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দেয়, কিন্তু কোনো কাগজ দেয় না।”

চালক বকুল ও পলাশের অভিজ্ঞতাও একই। তারা বলেন, “থানায় নিলে ভিতরে নিয়ে গিয়ে বলে জরিমানা হয়েছে, নগদ দেন, গাড়ি নিয়ে যান। ভয়ে নগদ দিয়ে দেই, কোনো রশিদও পাই না।”

সিএনজি মালিক সমিতির সেক্রেটারি শাহজাহান মিয়া বলেন, “থানায় নগদ নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। জরুরি প্রয়োজনে সিএনজি শহরে ঢুকতে পারে, কিন্তু স্ট্যান্ড বানিয়ে যাত্রী ওঠানো সম্পূর্ণ অনিয়ম।”

এছাড়া ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করে ভারি যানবাহনও দিনে শহরে প্রবেশ করছে। নিয়ম অনুযায়ী রাত ৯টার পর এসব গাড়ি শহরে ঢোকার অনুমতি থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, ঘুষ দিয়ে দিনের বেলায়ই শহরে প্রবেশ করছে তারা। এর ফলে শহরে তৈরি হচ্ছে তীব্র যানজট, দুর্ভোগে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এভাবে চলতে থাকলে সরকার হারাবে রাজস্ব, আর শহরের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে।

এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মীর আনোয়ারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।