ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

এক টনের ‘কালো পাহাড়’: কোরবানির হাটের আগাম আকর্ষণ

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • / ৭০১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে স্থানীয় এক খামারে প্রস্তুত করা হয়েছে বিশালাকৃতির একটি গরু, যার নাম ‘কালো পাহাড়’। ১ হাজার কেজি (লাইভ ওয়েট) ওজনের এই গরুটি ইতোমধ্যেই জেলার গরুপ্রেমী ও কোরবানিদাতাদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দাম ধরা হয়েছে ৮ লাখ টাকা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামে অবস্থিত ‘আলহাজ মো. মুসলিম মিয়া এগ্রো ফার্ম’ ২০২২ সালে যাত্রা শুরু করে। খামারটির ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন মো. সুজন মিয়া।স্বাস্থ্যসম্মত ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পশু লালন-পালনের কারণে অল্প সময়েই খামারটি স্থানীয়দের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছে।

খামার মালিক সুজন মিয়া জানান, আমাদের প্রতিটি গরু সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য গ্রহণ করে বড় হয়েছে। আমরা কোনো রকম ইনজেকশন বা ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করি না। নিজস্ব জমিতে উৎপাদিত ঘাস, ভুসি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই গরুগুলোকে মোটাতাজা করা হয়।

বর্তমানে খামারে রয়েছে মোট ৪৫টি গরু। এর মধ্যে রয়েছে দেশি জাতের ষাঁড়, শাইওয়াল, ফ্রিজিয়ান, সাহিওয়াল-ফ্রিজিয়ান সংকর, ইন্ডিয়ান হরিয়ানা বলদসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের গরু। প্রতিটি গরুই সুস্থ এবং ওজন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জানা গেছে, খামারে ৩৮০ থেকে ৪৫০ কেজি ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৯০ টাকায় এবং ৫০০ থেকে ৭০০ কেজি ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা দরে (লাইভ ওয়েট)।

সুজন মিয়া আরও বলেন, আমরা শুধু পশু বিক্রি করি না, মানুষের আস্থা অর্জনই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। যারা স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ এবং প্রকৃত হালাল পশু কোরবানির জন্য খুঁজছেন, তাদের জন্য আমাদের খামার হতে পারে আদর্শ ঠিকানা।

গরুটির ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোরবানির হাটে ‘কালো পাহাড়’ হয়ে উঠবে অন্যতম আকর্ষণ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

এক টনের ‘কালো পাহাড়’: কোরবানির হাটের আগাম আকর্ষণ

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে স্থানীয় এক খামারে প্রস্তুত করা হয়েছে বিশালাকৃতির একটি গরু, যার নাম ‘কালো পাহাড়’। ১ হাজার কেজি (লাইভ ওয়েট) ওজনের এই গরুটি ইতোমধ্যেই জেলার গরুপ্রেমী ও কোরবানিদাতাদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দাম ধরা হয়েছে ৮ লাখ টাকা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামে অবস্থিত ‘আলহাজ মো. মুসলিম মিয়া এগ্রো ফার্ম’ ২০২২ সালে যাত্রা শুরু করে। খামারটির ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন মো. সুজন মিয়া।স্বাস্থ্যসম্মত ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পশু লালন-পালনের কারণে অল্প সময়েই খামারটি স্থানীয়দের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছে।

খামার মালিক সুজন মিয়া জানান, আমাদের প্রতিটি গরু সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য গ্রহণ করে বড় হয়েছে। আমরা কোনো রকম ইনজেকশন বা ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করি না। নিজস্ব জমিতে উৎপাদিত ঘাস, ভুসি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই গরুগুলোকে মোটাতাজা করা হয়।

বর্তমানে খামারে রয়েছে মোট ৪৫টি গরু। এর মধ্যে রয়েছে দেশি জাতের ষাঁড়, শাইওয়াল, ফ্রিজিয়ান, সাহিওয়াল-ফ্রিজিয়ান সংকর, ইন্ডিয়ান হরিয়ানা বলদসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের গরু। প্রতিটি গরুই সুস্থ এবং ওজন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জানা গেছে, খামারে ৩৮০ থেকে ৪৫০ কেজি ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৯০ টাকায় এবং ৫০০ থেকে ৭০০ কেজি ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা দরে (লাইভ ওয়েট)।

সুজন মিয়া আরও বলেন, আমরা শুধু পশু বিক্রি করি না, মানুষের আস্থা অর্জনই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। যারা স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ এবং প্রকৃত হালাল পশু কোরবানির জন্য খুঁজছেন, তাদের জন্য আমাদের খামার হতে পারে আদর্শ ঠিকানা।

গরুটির ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোরবানির হাটে ‘কালো পাহাড়’ হয়ে উঠবে অন্যতম আকর্ষণ।