ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত ল্যাট্রিন প্রকল্পে অনিয়ম: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

এক টনের ‘কালো পাহাড়’: কোরবানির হাটের আগাম আকর্ষণ

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • / ৬৪৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে স্থানীয় এক খামারে প্রস্তুত করা হয়েছে বিশালাকৃতির একটি গরু, যার নাম ‘কালো পাহাড়’। ১ হাজার কেজি (লাইভ ওয়েট) ওজনের এই গরুটি ইতোমধ্যেই জেলার গরুপ্রেমী ও কোরবানিদাতাদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দাম ধরা হয়েছে ৮ লাখ টাকা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামে অবস্থিত ‘আলহাজ মো. মুসলিম মিয়া এগ্রো ফার্ম’ ২০২২ সালে যাত্রা শুরু করে। খামারটির ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন মো. সুজন মিয়া।স্বাস্থ্যসম্মত ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পশু লালন-পালনের কারণে অল্প সময়েই খামারটি স্থানীয়দের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছে।

খামার মালিক সুজন মিয়া জানান, আমাদের প্রতিটি গরু সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য গ্রহণ করে বড় হয়েছে। আমরা কোনো রকম ইনজেকশন বা ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করি না। নিজস্ব জমিতে উৎপাদিত ঘাস, ভুসি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই গরুগুলোকে মোটাতাজা করা হয়।

বর্তমানে খামারে রয়েছে মোট ৪৫টি গরু। এর মধ্যে রয়েছে দেশি জাতের ষাঁড়, শাইওয়াল, ফ্রিজিয়ান, সাহিওয়াল-ফ্রিজিয়ান সংকর, ইন্ডিয়ান হরিয়ানা বলদসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের গরু। প্রতিটি গরুই সুস্থ এবং ওজন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জানা গেছে, খামারে ৩৮০ থেকে ৪৫০ কেজি ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৯০ টাকায় এবং ৫০০ থেকে ৭০০ কেজি ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা দরে (লাইভ ওয়েট)।

সুজন মিয়া আরও বলেন, আমরা শুধু পশু বিক্রি করি না, মানুষের আস্থা অর্জনই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। যারা স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ এবং প্রকৃত হালাল পশু কোরবানির জন্য খুঁজছেন, তাদের জন্য আমাদের খামার হতে পারে আদর্শ ঠিকানা।

গরুটির ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোরবানির হাটে ‘কালো পাহাড়’ হয়ে উঠবে অন্যতম আকর্ষণ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

এক টনের ‘কালো পাহাড়’: কোরবানির হাটের আগাম আকর্ষণ

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে স্থানীয় এক খামারে প্রস্তুত করা হয়েছে বিশালাকৃতির একটি গরু, যার নাম ‘কালো পাহাড়’। ১ হাজার কেজি (লাইভ ওয়েট) ওজনের এই গরুটি ইতোমধ্যেই জেলার গরুপ্রেমী ও কোরবানিদাতাদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দাম ধরা হয়েছে ৮ লাখ টাকা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামে অবস্থিত ‘আলহাজ মো. মুসলিম মিয়া এগ্রো ফার্ম’ ২০২২ সালে যাত্রা শুরু করে। খামারটির ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন মো. সুজন মিয়া।স্বাস্থ্যসম্মত ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পশু লালন-পালনের কারণে অল্প সময়েই খামারটি স্থানীয়দের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছে।

খামার মালিক সুজন মিয়া জানান, আমাদের প্রতিটি গরু সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য গ্রহণ করে বড় হয়েছে। আমরা কোনো রকম ইনজেকশন বা ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করি না। নিজস্ব জমিতে উৎপাদিত ঘাস, ভুসি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই গরুগুলোকে মোটাতাজা করা হয়।

বর্তমানে খামারে রয়েছে মোট ৪৫টি গরু। এর মধ্যে রয়েছে দেশি জাতের ষাঁড়, শাইওয়াল, ফ্রিজিয়ান, সাহিওয়াল-ফ্রিজিয়ান সংকর, ইন্ডিয়ান হরিয়ানা বলদসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের গরু। প্রতিটি গরুই সুস্থ এবং ওজন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জানা গেছে, খামারে ৩৮০ থেকে ৪৫০ কেজি ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৯০ টাকায় এবং ৫০০ থেকে ৭০০ কেজি ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা দরে (লাইভ ওয়েট)।

সুজন মিয়া আরও বলেন, আমরা শুধু পশু বিক্রি করি না, মানুষের আস্থা অর্জনই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। যারা স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ এবং প্রকৃত হালাল পশু কোরবানির জন্য খুঁজছেন, তাদের জন্য আমাদের খামার হতে পারে আদর্শ ঠিকানা।

গরুটির ছবি ও ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোরবানির হাটে ‘কালো পাহাড়’ হয়ে উঠবে অন্যতম আকর্ষণ।