ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির

নিহত ছাত্রদল নেতা নয়নের পরিবারের পাশে দাঁড়াল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি

আবু নাছের (রতন):
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৬:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫
  • / ৬২৪ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত ছাত্রদল নেতা নয়ন মিয়ার (২২) পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে জেলা বিএনপি। দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর পর শনিবার (১৭ মে) জেলা বিএনপির নবনির্বাচিত নেতারা নয়নের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই ঘোষণা দেন।

নয়ন মিয়া ছিলেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চরশিবপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি। ২০২২ সালের ১৯ নভেম্বর এক সহিংস ঘটনার সময় পুলিশের গুলিতে তিনি প্রাণ হারান।

শনিবার বিকেলে বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও জেলা বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম এবং সহসভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শান্তিপুর গ্রামে নিহত নয়নের পরিবারের বাড়িতে যান।

প্রকৌশলী শ্যামল বলেন, “শহীদ নয়নের পরিবারের দায়ভার এখন থেকে জেলা বিএনপি গ্রহণ করেছে। তার সন্তানকে যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, “নয়ন হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। দোষীরা যেন কোনভাবেই পার না পায়।”

উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, “নয়নের পাশে আমরা আগে যেমন ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। তার পরিবারের নিরাপত্তা ও সহায়তায় আমাদের দল সবসময় সচেষ্ট থাকবে।”

এ সময় নয়নের স্ত্রীকে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

উপস্থিত অন্যান্য নেতাদের মধ্যে ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, সহসভাপতি মমিনুল হক, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এম এ খালেক পিএসসি, মেজর (অব.) সাইদ, বাঞ্ছারামপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মুছা, জেলা সদস্য গোলাম মোস্তফা, ইঞ্জিনিয়ার দবির উদ্দিন, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হারুন আকাশ এবং সদস্য সচিব জিসান সরকার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, নয়নের হত্যার প্রায় আড়াই বছর পার হলেও মামলার তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। শতাধিক আসামির মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার হলেও তিনজন জামিনে রয়েছেন। বর্তমানে শুধু একজন কারাগারে আছেন। মামলাটি বর্তমানে ডিবি পুলিশের তদন্তাধীন রয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিহত ছাত্রদল নেতা নয়নের পরিবারের পাশে দাঁড়াল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত ছাত্রদল নেতা নয়ন মিয়ার (২২) পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে জেলা বিএনপি। দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর পর শনিবার (১৭ মে) জেলা বিএনপির নবনির্বাচিত নেতারা নয়নের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই ঘোষণা দেন।

নয়ন মিয়া ছিলেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চরশিবপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি। ২০২২ সালের ১৯ নভেম্বর এক সহিংস ঘটনার সময় পুলিশের গুলিতে তিনি প্রাণ হারান।

শনিবার বিকেলে বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও জেলা বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম এবং সহসভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শান্তিপুর গ্রামে নিহত নয়নের পরিবারের বাড়িতে যান।

প্রকৌশলী শ্যামল বলেন, “শহীদ নয়নের পরিবারের দায়ভার এখন থেকে জেলা বিএনপি গ্রহণ করেছে। তার সন্তানকে যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, “নয়ন হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। দোষীরা যেন কোনভাবেই পার না পায়।”

উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, “নয়নের পাশে আমরা আগে যেমন ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। তার পরিবারের নিরাপত্তা ও সহায়তায় আমাদের দল সবসময় সচেষ্ট থাকবে।”

এ সময় নয়নের স্ত্রীকে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

উপস্থিত অন্যান্য নেতাদের মধ্যে ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, সহসভাপতি মমিনুল হক, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এম এ খালেক পিএসসি, মেজর (অব.) সাইদ, বাঞ্ছারামপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মুছা, জেলা সদস্য গোলাম মোস্তফা, ইঞ্জিনিয়ার দবির উদ্দিন, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হারুন আকাশ এবং সদস্য সচিব জিসান সরকার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, নয়নের হত্যার প্রায় আড়াই বছর পার হলেও মামলার তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। শতাধিক আসামির মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার হলেও তিনজন জামিনে রয়েছেন। বর্তমানে শুধু একজন কারাগারে আছেন। মামলাটি বর্তমানে ডিবি পুলিশের তদন্তাধীন রয়েছে।