ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

সরাইলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ইউএনও, ওসিসহ আহত ৩০

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
  • / ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে তুচ্ছ ঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ইউএনও ও ওসিসহ উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন। গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাঁনমনি পাড়া ও মোগলটুলা গ্রামের লোকজনদের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। কয়েক মাস আগে মুঠোফোনের চার্জার কেনাবেচা নিয়ে চানমনিপাড়া ও মোঘলটুলা গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চাঁনমনি পাড়া গ্রামের এলন মিয়ার লোকজন ও পার্শ্ববর্তী মোগলটুলা গ্রামের মহব্বত মিয়ার লোকজনদের মধ্যে রাইস মিলে ধান ভাঙ্গানোর সময় নারীর দিকে তাকানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে এর জের ধরে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। ২ ঘন্টা ব্যপি চলমান সংঘর্ষ রাত সাড়ে ১০টা দিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রনে আনেন। সংঘর্ষে নিয়ন্ত্রনে আনতে গিয়ে আহত হয়েছেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোশারফ হোসাইন ও সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল হাসান। আহত ইউএনও এবং ওসি দুইজনকে সরাইল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ওসি রফিকুল হাসানের আঘাত গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৩০জন আহত হয়েছে। আহতরা সরাইল হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে একব্যক্তি জানান,
বুধবার সন্ধ্যায় চাঁনমণিপাড়া গ্রামের মৃত হেলাল মিয়ার স্ত্রী হালেমা বেগম তার ছেলে সাইফুল ইসলামকে নিয়ে গ্রামের অদূরে একটি রাইস মিলে ধান ভাঙ্গাতে গেলে এ সময় মোগলটুলা গ্রামের মহব্বত আলীর ছেলে তৌহিদুল ইসলাম ওই নারীর দিকে তাকান। এ নিয়ে তৌহিদুলের সাথে হালিমা বেগম তর্কে জড়াই এক পর্যায়ে তার ছেলে সাইফুল ইসলাম এগিয়ে গেলে তৌহিদুল এর সাথে ঝগড়া সৃষ্টি হয়।

এ ব্যপারে সরাইল সার্কেলের এএসপি তপন সরকার বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সরাইল থানার ওসি এবং ইউএনও আহত হওয়ার বিষয়টি খুব দু:খজনক। দাঙ্গাবাজদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে। এ ব্যপারে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সরাইলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ইউএনও, ওসিসহ আহত ৩০

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে তুচ্ছ ঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ইউএনও ও ওসিসহ উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন। গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাঁনমনি পাড়া ও মোগলটুলা গ্রামের লোকজনদের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। কয়েক মাস আগে মুঠোফোনের চার্জার কেনাবেচা নিয়ে চানমনিপাড়া ও মোঘলটুলা গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চাঁনমনি পাড়া গ্রামের এলন মিয়ার লোকজন ও পার্শ্ববর্তী মোগলটুলা গ্রামের মহব্বত মিয়ার লোকজনদের মধ্যে রাইস মিলে ধান ভাঙ্গানোর সময় নারীর দিকে তাকানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে এর জের ধরে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। ২ ঘন্টা ব্যপি চলমান সংঘর্ষ রাত সাড়ে ১০টা দিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রনে আনেন। সংঘর্ষে নিয়ন্ত্রনে আনতে গিয়ে আহত হয়েছেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোশারফ হোসাইন ও সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল হাসান। আহত ইউএনও এবং ওসি দুইজনকে সরাইল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ওসি রফিকুল হাসানের আঘাত গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৩০জন আহত হয়েছে। আহতরা সরাইল হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে একব্যক্তি জানান,
বুধবার সন্ধ্যায় চাঁনমণিপাড়া গ্রামের মৃত হেলাল মিয়ার স্ত্রী হালেমা বেগম তার ছেলে সাইফুল ইসলামকে নিয়ে গ্রামের অদূরে একটি রাইস মিলে ধান ভাঙ্গাতে গেলে এ সময় মোগলটুলা গ্রামের মহব্বত আলীর ছেলে তৌহিদুল ইসলাম ওই নারীর দিকে তাকান। এ নিয়ে তৌহিদুলের সাথে হালিমা বেগম তর্কে জড়াই এক পর্যায়ে তার ছেলে সাইফুল ইসলাম এগিয়ে গেলে তৌহিদুল এর সাথে ঝগড়া সৃষ্টি হয়।

এ ব্যপারে সরাইল সার্কেলের এএসপি তপন সরকার বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সরাইল থানার ওসি এবং ইউএনও আহত হওয়ার বিষয়টি খুব দু:খজনক। দাঙ্গাবাজদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে। এ ব্যপারে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।