ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত ল্যাট্রিন প্রকল্পে অনিয়ম: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

অবৈধ ভাবে মাটিকাটা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

অবৈধ মাটির ব্যবসা নিয়ে প্রতিবেদন করায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাইনুদ্দিন রুবেল নামে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ ও যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার আহত সাংবাদিক মাইনুদ্দিন বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের ভিটিদাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি জেলা শহরের দক্ষিণ মৌড়াইল একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি বর্তমানে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ও জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করছেন। বিজয়নগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব থেকে বহিষ্কৃত নেতা মোখলেছুর রহমান ওরফে লিটন মুন্সি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক কাইয়ুম মিয়াসহ তাদের ৩০-৪০ জন লোক সন্ত্রাসী কায়দায় এই হামলা চালিয়েছে। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে অংশ নেওয়ায় দল থেকে মোখলেছুরকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি উপজেলার পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানও।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক কাইয়ুম মিয়া গত ৫ আগস্টের পর থেকে উপজেলার সর্বত্রই অবৈধভাবে মাটি কেটে ট্রাক্টরে করে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে আসছেন। পাশাপাশি উপজেলার পুকুরসহ ফসলি জমি অবৈধভাবে ভরাট করে আসছেন। রাত-দিন ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্রাক্টরে করে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছেন কাইয়ুম। কাইয়ুমের এই কাজ দেখা-শোনা করছেন তার ছেলে মো. মুন্না, রাসেল মিয়া ও মোবারক হোসেন, চাচাতো ভাই রুবেল মিয়া ও ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনিছ মিয়া। এসব কাজে সহায়তা করছেন বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মোখলেছুর। অবৈধভাবে মাটি কাটার ঘটনা এবং সদ্য বিদায়ী বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলীর বিভিন্ন অনিয়ম-দুনীর্তি নিয়ে প্রতিবেদন করায় সাংবাদিক মাইনুদ্দিনের ওপর ক্ষুব্ধ হন কাইয়ুম ও মোখলেছুর এবং তাদের লোকজন। সাংবাদিক মাইনুদ্দিনের প্রতিবেদনের পর ওসি রওশন আলীকে সম্প্রতি পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার দিকে ব্যক্তিগত কাজে বিজয়নগর থানার উদ্দেশে রওয়ানা হন মাইনুদ্দিন। সে সময় বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের সামনে আগে থেকে ওৎ পেতে ছিলেন মোখলেছুর, কাইয়ুম, কাইয়ুমের ছেলে মো. মুন্না, রাসেল মিয়া ও মোবারক হোসেন, কাইয়ুমের চাচাতো ভাই রুবেল মিয়া ও ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনিছ মিয়া, তাদের গোষ্ঠীর মামুন মিয়া এবং উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা মোখলেছুর। উপজেলা পরিষদের সামনে অজিত মিয়ার দোকানের সামনে পৌঁছালে তারা বকা দেওয়ার কথা বলে সাংবাদিক মাইনুদ্দিনের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করেন। এ সময় সঙ্গে থাকা ভাগিনা মো. সোহাগ, এলাকার মো. শিপনসহ কয়েকজন মিলে চেষ্টা করেও মাইনুদ্দিনকে রক্ষা করতে পারেননি। তাদের হামলায় মাইনুদ্দিন মাথার ডানপাশে আঘাত পান। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। মাইনুদ্দিনের মাথার ডানপাশে ছয়টি সেলাই লেগেছে। চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

আহত সাংবাদিক মাইনুদ্দিন রুবেল বলেন, মাটি কাটার নিউজ করায় কাইয়ুম, তার ছেলেরা ও ভাইয়েরা আমার ওপর ক্ষুব্ধ হন। বাড়ির সামনে পেয়ে লিটন মুন্সি ও কাইয়ুমের নেতৃত্বে তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছে। কাইয়ুম নিজে আমাকে মেরেছে। তারা আমাকে হত্যা করতে চেয়েছে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই। সাংবাদিকতা করা কি অন্যায়।

আহত সাংবাদিক মাইনুদ্দিন রুবেলের ভাগিনা সোহাগ মিয়া ও স্থানীয় শিপন মিয়া বলেন, আমরা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। আমাদেরকে কে বকা দিয়েছে এই কথা বলেই তারা মামার ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা করেছে। ফেরাতে গিয়ে আমরাও আহত হয়েছি।

একাধিকবার চেষ্টা করেও মুঠোফোন না ধরায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মোখলেছুর রহমান ওরফে লিটন মুন্সি ও কাইয়ুম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আনিছ মিয়া বলেন, আমি তো দৌড়ে গেছি। আপনি হামলা করেছেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওরা বাড়ির সামনে এসে ঝগড়া করেছে। আমাদের লোকজনকে মারধর করেছে। সেটা তো কিছু বলছেন না।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

অবৈধ ভাবে মাটিকাটা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

অবৈধ মাটির ব্যবসা নিয়ে প্রতিবেদন করায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাইনুদ্দিন রুবেল নামে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ ও যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার আহত সাংবাদিক মাইনুদ্দিন বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের ভিটিদাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি জেলা শহরের দক্ষিণ মৌড়াইল একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি বর্তমানে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ও জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করছেন। বিজয়নগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব থেকে বহিষ্কৃত নেতা মোখলেছুর রহমান ওরফে লিটন মুন্সি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক কাইয়ুম মিয়াসহ তাদের ৩০-৪০ জন লোক সন্ত্রাসী কায়দায় এই হামলা চালিয়েছে। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে অংশ নেওয়ায় দল থেকে মোখলেছুরকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি উপজেলার পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানও।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক কাইয়ুম মিয়া গত ৫ আগস্টের পর থেকে উপজেলার সর্বত্রই অবৈধভাবে মাটি কেটে ট্রাক্টরে করে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে আসছেন। পাশাপাশি উপজেলার পুকুরসহ ফসলি জমি অবৈধভাবে ভরাট করে আসছেন। রাত-দিন ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্রাক্টরে করে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছেন কাইয়ুম। কাইয়ুমের এই কাজ দেখা-শোনা করছেন তার ছেলে মো. মুন্না, রাসেল মিয়া ও মোবারক হোসেন, চাচাতো ভাই রুবেল মিয়া ও ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনিছ মিয়া। এসব কাজে সহায়তা করছেন বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মোখলেছুর। অবৈধভাবে মাটি কাটার ঘটনা এবং সদ্য বিদায়ী বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলীর বিভিন্ন অনিয়ম-দুনীর্তি নিয়ে প্রতিবেদন করায় সাংবাদিক মাইনুদ্দিনের ওপর ক্ষুব্ধ হন কাইয়ুম ও মোখলেছুর এবং তাদের লোকজন। সাংবাদিক মাইনুদ্দিনের প্রতিবেদনের পর ওসি রওশন আলীকে সম্প্রতি পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার দিকে ব্যক্তিগত কাজে বিজয়নগর থানার উদ্দেশে রওয়ানা হন মাইনুদ্দিন। সে সময় বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের সামনে আগে থেকে ওৎ পেতে ছিলেন মোখলেছুর, কাইয়ুম, কাইয়ুমের ছেলে মো. মুন্না, রাসেল মিয়া ও মোবারক হোসেন, কাইয়ুমের চাচাতো ভাই রুবেল মিয়া ও ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনিছ মিয়া, তাদের গোষ্ঠীর মামুন মিয়া এবং উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা মোখলেছুর। উপজেলা পরিষদের সামনে অজিত মিয়ার দোকানের সামনে পৌঁছালে তারা বকা দেওয়ার কথা বলে সাংবাদিক মাইনুদ্দিনের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করেন। এ সময় সঙ্গে থাকা ভাগিনা মো. সোহাগ, এলাকার মো. শিপনসহ কয়েকজন মিলে চেষ্টা করেও মাইনুদ্দিনকে রক্ষা করতে পারেননি। তাদের হামলায় মাইনুদ্দিন মাথার ডানপাশে আঘাত পান। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। মাইনুদ্দিনের মাথার ডানপাশে ছয়টি সেলাই লেগেছে। চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

আহত সাংবাদিক মাইনুদ্দিন রুবেল বলেন, মাটি কাটার নিউজ করায় কাইয়ুম, তার ছেলেরা ও ভাইয়েরা আমার ওপর ক্ষুব্ধ হন। বাড়ির সামনে পেয়ে লিটন মুন্সি ও কাইয়ুমের নেতৃত্বে তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছে। কাইয়ুম নিজে আমাকে মেরেছে। তারা আমাকে হত্যা করতে চেয়েছে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই। সাংবাদিকতা করা কি অন্যায়।

আহত সাংবাদিক মাইনুদ্দিন রুবেলের ভাগিনা সোহাগ মিয়া ও স্থানীয় শিপন মিয়া বলেন, আমরা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। আমাদেরকে কে বকা দিয়েছে এই কথা বলেই তারা মামার ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা করেছে। ফেরাতে গিয়ে আমরাও আহত হয়েছি।

একাধিকবার চেষ্টা করেও মুঠোফোন না ধরায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মোখলেছুর রহমান ওরফে লিটন মুন্সি ও কাইয়ুম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আনিছ মিয়া বলেন, আমি তো দৌড়ে গেছি। আপনি হামলা করেছেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওরা বাড়ির সামনে এসে ঝগড়া করেছে। আমাদের লোকজনকে মারধর করেছে। সেটা তো কিছু বলছেন না।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।