ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত ল্যাট্রিন প্রকল্পে অনিয়ম: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে  আহতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৪১৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে গুরুতর আহত জসিম (৩৮) নামের একব্যক্তি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাত ২ টা ৩০ মিনিটে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মৃত্যুবরণ করেন। নিহত জসিম তেরকান্দা গ্রামের চান্দের গোষ্ঠীর পক্ষের মুসলিম মিয়ার পুত্র। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন স্বজনরা।

উল্লেখ্য তেরকান্দা গ্রামের খালের দক্ষিণ পাড়ার চান্দের গোষ্ঠীর আক্কাছ মিয়ার লোকের একটি  সিএনজি চুরি হওয়াকে কেন্দ্র করে একই এলাকার বারিকের গোষ্ঠীর আমির আলীর লোকজনকে সিএনজি চুরির অপবাদ দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সোমবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রথম দফা ও পরদিন মঙ্গলবার(৮এপ্রিল) সকাল ৫টা থেকে ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের ২০টি বসতঘরে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দাঙ্গাবাজরা।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৪০জন লোক আহত হয়। আহতদের সরাইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত চান্দের গোষ্ঠীর জসিম (৩৮) নামের একজনকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ঢাকায় মারা যায়। আহত জসিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ফের ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যপারে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রফিকুল হাসান এর বক্তব্য নিতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে  আহতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে গুরুতর আহত জসিম (৩৮) নামের একব্যক্তি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাত ২ টা ৩০ মিনিটে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মৃত্যুবরণ করেন। নিহত জসিম তেরকান্দা গ্রামের চান্দের গোষ্ঠীর পক্ষের মুসলিম মিয়ার পুত্র। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন স্বজনরা।

উল্লেখ্য তেরকান্দা গ্রামের খালের দক্ষিণ পাড়ার চান্দের গোষ্ঠীর আক্কাছ মিয়ার লোকের একটি  সিএনজি চুরি হওয়াকে কেন্দ্র করে একই এলাকার বারিকের গোষ্ঠীর আমির আলীর লোকজনকে সিএনজি চুরির অপবাদ দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সোমবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রথম দফা ও পরদিন মঙ্গলবার(৮এপ্রিল) সকাল ৫টা থেকে ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের ২০টি বসতঘরে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দাঙ্গাবাজরা।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৪০জন লোক আহত হয়। আহতদের সরাইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত চান্দের গোষ্ঠীর জসিম (৩৮) নামের একজনকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ঢাকায় মারা যায়। আহত জসিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ফের ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যপারে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রফিকুল হাসান এর বক্তব্য নিতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি।