ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে খাল খনন শেষে ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও মাদক-কিশোর গ্যাং দমনে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপি-এসপির কঠোর বার্তা বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে  আহতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৪৭৯ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে গুরুতর আহত জসিম (৩৮) নামের একব্যক্তি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাত ২ টা ৩০ মিনিটে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মৃত্যুবরণ করেন। নিহত জসিম তেরকান্দা গ্রামের চান্দের গোষ্ঠীর পক্ষের মুসলিম মিয়ার পুত্র। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন স্বজনরা।

উল্লেখ্য তেরকান্দা গ্রামের খালের দক্ষিণ পাড়ার চান্দের গোষ্ঠীর আক্কাছ মিয়ার লোকের একটি  সিএনজি চুরি হওয়াকে কেন্দ্র করে একই এলাকার বারিকের গোষ্ঠীর আমির আলীর লোকজনকে সিএনজি চুরির অপবাদ দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সোমবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রথম দফা ও পরদিন মঙ্গলবার(৮এপ্রিল) সকাল ৫টা থেকে ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের ২০টি বসতঘরে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দাঙ্গাবাজরা।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৪০জন লোক আহত হয়। আহতদের সরাইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত চান্দের গোষ্ঠীর জসিম (৩৮) নামের একজনকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ঢাকায় মারা যায়। আহত জসিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ফের ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যপারে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রফিকুল হাসান এর বক্তব্য নিতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে  আহতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে গুরুতর আহত জসিম (৩৮) নামের একব্যক্তি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাত ২ টা ৩০ মিনিটে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মৃত্যুবরণ করেন। নিহত জসিম তেরকান্দা গ্রামের চান্দের গোষ্ঠীর পক্ষের মুসলিম মিয়ার পুত্র। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন স্বজনরা।

উল্লেখ্য তেরকান্দা গ্রামের খালের দক্ষিণ পাড়ার চান্দের গোষ্ঠীর আক্কাছ মিয়ার লোকের একটি  সিএনজি চুরি হওয়াকে কেন্দ্র করে একই এলাকার বারিকের গোষ্ঠীর আমির আলীর লোকজনকে সিএনজি চুরির অপবাদ দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সোমবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রথম দফা ও পরদিন মঙ্গলবার(৮এপ্রিল) সকাল ৫টা থেকে ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের ২০টি বসতঘরে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দাঙ্গাবাজরা।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৪০জন লোক আহত হয়। আহতদের সরাইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত চান্দের গোষ্ঠীর জসিম (৩৮) নামের একজনকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ঢাকায় মারা যায়। আহত জসিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ফের ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যপারে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রফিকুল হাসান এর বক্তব্য নিতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি।