ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রমজান উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাজার মনিটরিং: ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে প্রেস কাউন্সিলের সেমিনার: বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কুয়েতে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমিনুলসহ চার বাংলাদেশি আহত শহীদ জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা সৃজনশীল চর্চায় মেধার বিকাশ, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণে দক্ষ প্রজন্ম গড়ার আহ্বান- ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি কাজীপাড়ায় পাওয়ার অফ ইউনিটির ক্রিকেট প্রিমিয়ার লিগ-২৬ সিজন-১ উদ্বোধন বুড়িগঙ্গার আদলে দখল ও দূষণমুক্ত করা হবে তিতাস নদী সাংবাদিকদের জন্য শিগগিরই অবসর সুবিধা ঘোষণা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে  আহতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৩৮৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে গুরুতর আহত জসিম (৩৮) নামের একব্যক্তি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাত ২ টা ৩০ মিনিটে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মৃত্যুবরণ করেন। নিহত জসিম তেরকান্দা গ্রামের চান্দের গোষ্ঠীর পক্ষের মুসলিম মিয়ার পুত্র। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন স্বজনরা।

উল্লেখ্য তেরকান্দা গ্রামের খালের দক্ষিণ পাড়ার চান্দের গোষ্ঠীর আক্কাছ মিয়ার লোকের একটি  সিএনজি চুরি হওয়াকে কেন্দ্র করে একই এলাকার বারিকের গোষ্ঠীর আমির আলীর লোকজনকে সিএনজি চুরির অপবাদ দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সোমবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রথম দফা ও পরদিন মঙ্গলবার(৮এপ্রিল) সকাল ৫টা থেকে ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের ২০টি বসতঘরে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দাঙ্গাবাজরা।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৪০জন লোক আহত হয়। আহতদের সরাইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত চান্দের গোষ্ঠীর জসিম (৩৮) নামের একজনকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ঢাকায় মারা যায়। আহত জসিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ফের ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যপারে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রফিকুল হাসান এর বক্তব্য নিতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে  আহতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ এপ্রিল ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে গুরুতর আহত জসিম (৩৮) নামের একব্যক্তি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাত ২ টা ৩০ মিনিটে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  মৃত্যুবরণ করেন। নিহত জসিম তেরকান্দা গ্রামের চান্দের গোষ্ঠীর পক্ষের মুসলিম মিয়ার পুত্র। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন স্বজনরা।

উল্লেখ্য তেরকান্দা গ্রামের খালের দক্ষিণ পাড়ার চান্দের গোষ্ঠীর আক্কাছ মিয়ার লোকের একটি  সিএনজি চুরি হওয়াকে কেন্দ্র করে একই এলাকার বারিকের গোষ্ঠীর আমির আলীর লোকজনকে সিএনজি চুরির অপবাদ দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সোমবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রথম দফা ও পরদিন মঙ্গলবার(৮এপ্রিল) সকাল ৫টা থেকে ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।দফায় দফায় সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের ২০টি বসতঘরে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দাঙ্গাবাজরা।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৪০জন লোক আহত হয়। আহতদের সরাইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত চান্দের গোষ্ঠীর জসিম (৩৮) নামের একজনকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ঢাকায় মারা যায়। আহত জসিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ফের ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যপারে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রফিকুল হাসান এর বক্তব্য নিতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সংযোগ পাওয়া যায়নি।