ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রমজান উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাজার মনিটরিং: ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে প্রেস কাউন্সিলের সেমিনার: বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কুয়েতে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমিনুলসহ চার বাংলাদেশি আহত শহীদ জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা সৃজনশীল চর্চায় মেধার বিকাশ, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণে দক্ষ প্রজন্ম গড়ার আহ্বান- ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি কাজীপাড়ায় পাওয়ার অফ ইউনিটির ক্রিকেট প্রিমিয়ার লিগ-২৬ সিজন-১ উদ্বোধন বুড়িগঙ্গার আদলে দখল ও দূষণমুক্ত করা হবে তিতাস নদী সাংবাদিকদের জন্য শিগগিরই অবসর সুবিধা ঘোষণা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন
শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

আল খলিল হাসপাতাল থেকে শিশু চুরি, দুই ঘন্টা পর উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫
  • / ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মায়ের হারানো ব্যাগ ফিরিয়ে দিয়ে তার শিশু বাচ্চাকে চুরি করে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় শহরের আল খলিল হাসপাতাল থেকে সাউদা হোসেন সারা নামের চার বছরের ওই শিশুটিকে চুরি করে নিয়ে যায় অজ্ঞাত এক নারী। তবে নিখোঁজের দুই ঘন্টা পর এক সিএনজি অটোরিক্সা চালক শিশুটিকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে পৌছে দেয়। এ ঘটনায় শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, জেলার বিজয়নগর উপজেলার বাড়ঘরিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী ইমাম হোসেনের মেয়ে সাউদা জাহান সারা। দুপুরে সাউদার ছোট ভাইকে চিকিৎসক দেখাতে আল খলিল হাসপাতালে আসেন মা স্মৃতি চৌধুরী ও নানী সাহানা আক্তার। সেখানে স্মৃতি চৌধুরী একটি ব্যাগ হারিয়ে গেলে তা খুঁজে দেয় অজ্ঞাত এক নারী। এরপর তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে শিশুটিকে দেখে রাখার কথা বলে সাউদার মা ও নানীকে চিকিৎসকের কক্ষে যেতে বলেন। পরে কক্ষ থেকে বেরিয়ে তারা আর শিশুটিক খোঁজে পাচ্ছিল না। এ সময় সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অজ্ঞাত ওই নারী শিশুটিকে তার সাথে নিয়ে গেছে। এরপর পুলিশে খবর দিলে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে। এক পর্যায়ে রাত পৌনে ৮ টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে আনিস মিয়া নামে এক সিএনজি অটোরিক্সা চালক। সিএনজি অটোরিক্সা চালক জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের আনিস মিয়া বলেন, ওই নারী আশুগঞ্জ থেকে আমার সিএনজি অটোরিক্সা রিজার্ভ নিয়ে সদর উপজেলার সুহিলপুরে নিয়ে আসে। সেখানে তিনি নেমে যান এবং বাচ্চাটিকে আল খলিল হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। পরে আমি শিশুটির সাথে কথা বলি সে ওই নারীকে চিনেন কি না। কিন্তু বাচ্চাটি ওই নারীকে চিনে না বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এসে তার পরিবারের লোকজনদের কাছে বুঝিয়ে দেই। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাফ্ফর হোসেন জানান, খবর পেয়ে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই মাঝে একজন অটোরিক্সা চালক শিশুটিকে উদ্ধার করে ওই হাসপাতালে নিয়ে আসে। অজ্ঞাত ওই নারী আশুগঞ্জ থেকে শিশুটিকে নিয়ে অটোরিক্সায় উঠে। সেখান থেকে সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় এসে সিএনজি থেকে নেমে যায় এবং শিশুটিকে আল খলিল হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। তিনি আরো বলেন, শিশুটির পরনে থাকা স্বর্ণের কানের দুল ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। সেগুলো উদ্ধার এবং অজ্ঞাত ওই নারীর পরিচয় সনাক্তে চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

আল খলিল হাসপাতাল থেকে শিশু চুরি, দুই ঘন্টা পর উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মায়ের হারানো ব্যাগ ফিরিয়ে দিয়ে তার শিশু বাচ্চাকে চুরি করে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় শহরের আল খলিল হাসপাতাল থেকে সাউদা হোসেন সারা নামের চার বছরের ওই শিশুটিকে চুরি করে নিয়ে যায় অজ্ঞাত এক নারী। তবে নিখোঁজের দুই ঘন্টা পর এক সিএনজি অটোরিক্সা চালক শিশুটিকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে পৌছে দেয়। এ ঘটনায় শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, জেলার বিজয়নগর উপজেলার বাড়ঘরিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসী ইমাম হোসেনের মেয়ে সাউদা জাহান সারা। দুপুরে সাউদার ছোট ভাইকে চিকিৎসক দেখাতে আল খলিল হাসপাতালে আসেন মা স্মৃতি চৌধুরী ও নানী সাহানা আক্তার। সেখানে স্মৃতি চৌধুরী একটি ব্যাগ হারিয়ে গেলে তা খুঁজে দেয় অজ্ঞাত এক নারী। এরপর তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে শিশুটিকে দেখে রাখার কথা বলে সাউদার মা ও নানীকে চিকিৎসকের কক্ষে যেতে বলেন। পরে কক্ষ থেকে বেরিয়ে তারা আর শিশুটিক খোঁজে পাচ্ছিল না। এ সময় সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অজ্ঞাত ওই নারী শিশুটিকে তার সাথে নিয়ে গেছে। এরপর পুলিশে খবর দিলে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে। এক পর্যায়ে রাত পৌনে ৮ টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে আনিস মিয়া নামে এক সিএনজি অটোরিক্সা চালক। সিএনজি অটোরিক্সা চালক জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের আনিস মিয়া বলেন, ওই নারী আশুগঞ্জ থেকে আমার সিএনজি অটোরিক্সা রিজার্ভ নিয়ে সদর উপজেলার সুহিলপুরে নিয়ে আসে। সেখানে তিনি নেমে যান এবং বাচ্চাটিকে আল খলিল হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। পরে আমি শিশুটির সাথে কথা বলি সে ওই নারীকে চিনেন কি না। কিন্তু বাচ্চাটি ওই নারীকে চিনে না বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এসে তার পরিবারের লোকজনদের কাছে বুঝিয়ে দেই। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাফ্ফর হোসেন জানান, খবর পেয়ে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই মাঝে একজন অটোরিক্সা চালক শিশুটিকে উদ্ধার করে ওই হাসপাতালে নিয়ে আসে। অজ্ঞাত ওই নারী আশুগঞ্জ থেকে শিশুটিকে নিয়ে অটোরিক্সায় উঠে। সেখান থেকে সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় এসে সিএনজি থেকে নেমে যায় এবং শিশুটিকে আল খলিল হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। তিনি আরো বলেন, শিশুটির পরনে থাকা স্বর্ণের কানের দুল ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। সেগুলো উদ্ধার এবং অজ্ঞাত ওই নারীর পরিচয় সনাক্তে চেষ্টা চলছে।