ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে প্রেস কাউন্সিলের সেমিনার: বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কুয়েতে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমিনুলসহ চার বাংলাদেশি আহত শহীদ জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা সৃজনশীল চর্চায় মেধার বিকাশ, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণে দক্ষ প্রজন্ম গড়ার আহ্বান- ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি কাজীপাড়ায় পাওয়ার অফ ইউনিটির ক্রিকেট প্রিমিয়ার লিগ-২৬ সিজন-১ উদ্বোধন বুড়িগঙ্গার আদলে দখল ও দূষণমুক্ত করা হবে তিতাস নদী সাংবাদিকদের জন্য শিগগিরই অবসর সুবিধা ঘোষণা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে তিনজনের ফাঁসি ও অর্থদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ১২:১২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ২৭৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে সাইদুর রহমান নামের এক ফল ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার সুমি এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাহেরচর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রাসেল মিয়া (২৬), একই গ্রামের আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া (২৮), চর শিবপুর গ্রামের কাজল মিয়া (৪৫)।

আসামিদের মধ্যে রিপন মিয়া ও কাজল মিয়াকে রায় ঘোষণার আগে আদালতে হাজির করা হয়। রায়ের পর তাদের আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। অপর আসামি রাসেল মিয়া পলাতক রয়েছেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। জানা যায়, সাইদুর রহমান আসামিদের পূর্বপরিচিত। তারা একইসঙ্গে জুয়া খেলা ও মাদক সেবন করতেন। এরই জেরে জুয়া খেলার মধ্যে সাইদুর রহমান আসামি কাজল ও রাসেলের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার নেন। কয়েক দিন পর আসামিরা ধার নেওয়া টাকা ফেরত চাইলে সাইদুর নানা তালবাহানায় ঘুরাতে থাকে। একপর্যায়ে ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় মেঘনাপাড়ের বাহেরচর গ্রামে মেঘনা নদীর তীরের এক জমিতে নিয়ে গিয়ে তারকাটা উঠানো রডের কাওয়াল দিয়ে সাইদুর রহমানকে হত্যা করে। এ ঘটনায় সাইদুর রহমানের স্ত্রীর বড় ভাই মোহাম্মদ লোকমান মিয়া বাদী হয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশের তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। আর ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে তিনজনের ফাঁসি ও অর্থদণ্ড

আপডেট সময় : ১২:১২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে সাইদুর রহমান নামের এক ফল ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার সুমি এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাহেরচর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রাসেল মিয়া (২৬), একই গ্রামের আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া (২৮), চর শিবপুর গ্রামের কাজল মিয়া (৪৫)।

আসামিদের মধ্যে রিপন মিয়া ও কাজল মিয়াকে রায় ঘোষণার আগে আদালতে হাজির করা হয়। রায়ের পর তাদের আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। অপর আসামি রাসেল মিয়া পলাতক রয়েছেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। জানা যায়, সাইদুর রহমান আসামিদের পূর্বপরিচিত। তারা একইসঙ্গে জুয়া খেলা ও মাদক সেবন করতেন। এরই জেরে জুয়া খেলার মধ্যে সাইদুর রহমান আসামি কাজল ও রাসেলের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার নেন। কয়েক দিন পর আসামিরা ধার নেওয়া টাকা ফেরত চাইলে সাইদুর নানা তালবাহানায় ঘুরাতে থাকে। একপর্যায়ে ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় মেঘনাপাড়ের বাহেরচর গ্রামে মেঘনা নদীর তীরের এক জমিতে নিয়ে গিয়ে তারকাটা উঠানো রডের কাওয়াল দিয়ে সাইদুর রহমানকে হত্যা করে। এ ঘটনায় সাইদুর রহমানের স্ত্রীর বড় ভাই মোহাম্মদ লোকমান মিয়া বাদী হয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশের তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। আর ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।