ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা প্রবর্তক একাডেমি ও ঢেউ আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রা যেমন খুশি তেমন সাজে লোকজ পুরস্কার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজকে গণসংবর্ধনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু নাট্যমের বার্ষিক আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ১০ম বার্ষিক আর্ট ক্যাম্প ২০২৫ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।চোখের দেখায় রঙের আঁচড়, চার দেয়ালের গণ্ডি পেরিয়ে শিশুরা ছুটে গেছে গ্রামে। কেউ পুকুর পাড়ে, কেউ রাস্তার ধারে বসেছে আসন পেতে। কেউবা দুচালা ঘরের সামনের উঠানে। কৃষি জমির সামনেও সারিবদ্ধভাবে বসে অনেকে। নদীর ধারেও রয়েছে অনেকের অবস্থান। সব মিলিয়ে গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে প্রায় তিনশ’ শিশু। চোখের সামনে থাকা গ্রামের দৃশ্য নিজ চোখে দেখে রংয়ের আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছে শিশুরা। আয়োজনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শিশুরা সদর উপজেলার উলচাপাড়া গ্রামের বিভিন্নস্থানে বসে শিশুরা ছবি আঁকে। ‘প্রকৃতির সান্নিধ্যে শিশুরা’ এ ভাবনা নিয়ে আর্ট ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে উলচাপাড়া মালেকা ছাহেব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলমগীর ভূইয়া।

আগামী শনিবার পর্যন্ত তিনদিন চলবে এ আর্ট ক্যাম্প। আয়োজকরা জানান, শিশুদেরকে চার দেয়ালের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে আনতে এ আয়োজন। শিশুরা নিজ চোখে দেখে সামনে থাকা দৃশ্য কাগজে ফুটিয়ে তুলেছে। তিনদিনের প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শিশুরা গ্রামের ছবি আঁকবে। এতে তাদের মেধা ও মননের বিকাশ ঘটবে।

শিশুরাও এ আয়োজনে অংশ নিতে পেরে খুব খুশি। তারা জানিয়েছে, এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলো তারা। এতে তারা আনন্দিত। প্রতি বছর এ আয়োজন যেন অব্যাহত থাকে এ অনুরোধ তারা করে।

শিশু শিক্ষার্থী সৃজন পাল জানায়, সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের অঙ্কন বিভাগের ছাত্র। সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের গ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। এখানে আসতে পেরে ও চোখের সামনে যা আছে তা আঁকতে পেরে খুবই ভালো লাগছে।

শিক্ষার্থী বুশরা আক্তার জানায়, আমরা এমনিতে যেটা বলা হয় সেটা অনুমান করে আঁকি। কিন্তু বাস্তবে দেখে আঁকার বিষয়টা অন্যরকম। রাস্তার ধারে বসে গ্রামের একটি দু’চালা টিনের ঘরের ছবি আঁকছে তারা কয়েকজন। বিষয়টিকে তারা বেশ উপভোগ করছে।

শিশু নাট্যমের প্রশিক্ষক দীপ্ত মোদক বলেন, ‘আমাদের শহরের শিশুরা চার দেয়ালে বন্দি। আমরা চিন্তা করেছি একটু ভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাদের মেধাকে যাচাই করছে। শিশুরা এভাবে বাস্তবে দেখে ছবি আঁকার বিষয়টি আনন্দের সঙ্গে করে যাচ্ছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মুহাম্মদ খান বিটু বলেন, ‘আমাদের শিশু শিক্ষার্থীদের চিন্তা চেতনাকে বিকশিত করতে এ আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তারা গ্রাম যেমন ঘুরে দেখতে পারবে তেমনিভাবে বাস্তবে দেখে ছবি আঁকতে পারবে। শিশুরা এতে খুব উৎসাহত বোধ করছে।’

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু নাট্যমের বার্ষিক আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ১০ম বার্ষিক আর্ট ক্যাম্প ২০২৫ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।চোখের দেখায় রঙের আঁচড়, চার দেয়ালের গণ্ডি পেরিয়ে শিশুরা ছুটে গেছে গ্রামে। কেউ পুকুর পাড়ে, কেউ রাস্তার ধারে বসেছে আসন পেতে। কেউবা দুচালা ঘরের সামনের উঠানে। কৃষি জমির সামনেও সারিবদ্ধভাবে বসে অনেকে। নদীর ধারেও রয়েছে অনেকের অবস্থান। সব মিলিয়ে গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে প্রায় তিনশ’ শিশু। চোখের সামনে থাকা গ্রামের দৃশ্য নিজ চোখে দেখে রংয়ের আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছে শিশুরা। আয়োজনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শিশুরা সদর উপজেলার উলচাপাড়া গ্রামের বিভিন্নস্থানে বসে শিশুরা ছবি আঁকে। ‘প্রকৃতির সান্নিধ্যে শিশুরা’ এ ভাবনা নিয়ে আর্ট ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে উলচাপাড়া মালেকা ছাহেব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর্ট ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলমগীর ভূইয়া।

আগামী শনিবার পর্যন্ত তিনদিন চলবে এ আর্ট ক্যাম্প। আয়োজকরা জানান, শিশুদেরকে চার দেয়ালের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে আনতে এ আয়োজন। শিশুরা নিজ চোখে দেখে সামনে থাকা দৃশ্য কাগজে ফুটিয়ে তুলেছে। তিনদিনের প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শিশুরা গ্রামের ছবি আঁকবে। এতে তাদের মেধা ও মননের বিকাশ ঘটবে।

শিশুরাও এ আয়োজনে অংশ নিতে পেরে খুব খুশি। তারা জানিয়েছে, এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলো তারা। এতে তারা আনন্দিত। প্রতি বছর এ আয়োজন যেন অব্যাহত থাকে এ অনুরোধ তারা করে।

শিশু শিক্ষার্থী সৃজন পাল জানায়, সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের অঙ্কন বিভাগের ছাত্র। সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের গ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। এখানে আসতে পেরে ও চোখের সামনে যা আছে তা আঁকতে পেরে খুবই ভালো লাগছে।

শিক্ষার্থী বুশরা আক্তার জানায়, আমরা এমনিতে যেটা বলা হয় সেটা অনুমান করে আঁকি। কিন্তু বাস্তবে দেখে আঁকার বিষয়টা অন্যরকম। রাস্তার ধারে বসে গ্রামের একটি দু’চালা টিনের ঘরের ছবি আঁকছে তারা কয়েকজন। বিষয়টিকে তারা বেশ উপভোগ করছে।

শিশু নাট্যমের প্রশিক্ষক দীপ্ত মোদক বলেন, ‘আমাদের শহরের শিশুরা চার দেয়ালে বন্দি। আমরা চিন্তা করেছি একটু ভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাদের মেধাকে যাচাই করছে। শিশুরা এভাবে বাস্তবে দেখে ছবি আঁকার বিষয়টি আনন্দের সঙ্গে করে যাচ্ছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মুহাম্মদ খান বিটু বলেন, ‘আমাদের শিশু শিক্ষার্থীদের চিন্তা চেতনাকে বিকশিত করতে এ আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তারা গ্রাম যেমন ঘুরে দেখতে পারবে তেমনিভাবে বাস্তবে দেখে ছবি আঁকতে পারবে। শিশুরা এতে খুব উৎসাহত বোধ করছে।’