ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

“বাঞ্ছারামপুরে জেলা পরিষদের কোটি টাকার অডিটোরিয়াম এখন বিষফোঁড়া!! “

মোঃ আবু নাছের রতন ও ফয়সল আহমেদ খান:
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৩৬২ বার পড়া হয়েছে

কথায় আছে লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন। অনেকটা সেভাবেই আওয়ামী লীগ আমলের সাবেক এমপি অনেকেই বিভিন্ন প্রকল্পের নামে সরকারি টাকার যথেচ্ছ অপব্যবহার করেছেন। অনেকেই এসব করেছেন এলাকার মানুষের কাছে জনদরদি বা সমাজসেবীর তকমা লাগাতে। কেউ আবার উচ্চ দামে নিজের জমি বিক্রি করার উদ্দেশ্যে কিংবা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে নিয়েছেন ‘সুবিধাজনক’ এসব সরকারি প্রকল্প। বাদ যাননি বাঞ্ছারামপুরের সাবেক এমপি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যা.এবি তাজুল ইসলাম এমপিও।
তার বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল ইসলামের নামে নিজ গ্রামে নিজেকে জাহির করা ও প্রভাব দেখানোর জন্য জনগনের টাকায় গড়ে তুলেন আধুনিক অডিটোরিয়াম। যা এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে। না পারছে পরিত্যক্ত ঘোষনা করতে, না পারছে চালু করতে। বিদ্যুৎ বিল, রক্ষণাবেক্ষণ ও ষ্টাফ বেতন দিয়ে প্রতি বছর গচ্চা যাচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
বিগত ৫ আগষ্টের পর এলাকাবাসীর দাবীর মুখে আশরাফুল ইসলাম অডিটোরিয়াম এর নাম পাল্টে করা হয় ‘শাহ রাহাত আলী অডিটোরিয়াম ” ।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে বিশাল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ৬’শ আসনের ডিজিটাল অডিটোরিয়াম নির্মাণ করান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদকে দিয়ে।বাঞ্ছারামপুর সদর উপজেলা থেকে প্রায় ৬ কিঃমিঃ দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় উদ্ধোধনের ১২ বছরে মাত্র ৫ টি প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান মিলনায়তনের কেয়ারটেকার জালাল মিয়া। তবে সবগুলো বিনামূল্যের।একটাও ভাড়া দিয়ে সরকারি রাজস্ব ঘরে দিতে পারিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো: আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী বলেন,আমি নতুন যোগদান করেছি। বাঞ্ছারামপুরের পল্লী গ্রামে যে অডিটোরিয়াম করা হয়েছে তা ঠিক করা হয়নি।কারন,২০১০-১১ অর্থ বছরে ৩ কোটি টাকা দিয়ে দিয়ে শুধু ভবন করা হলেও আজোও একটি টাকা রাজস্ব আসেনি। হলরুম ভাড়া দেয়া যায়নি। উল্টো কেয়ারটেকার কে প্রতি মাসে বেতন দিতে হচ্ছে ১৬ হাজার ৫শ টাকা। স্রেফ অপচয়।
তিনি তথ্য দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আগের সরকার অডিটোরিয়ামটির সংস্কার কাজ করার জন্য ১ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে যায়। আমরা ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ের পর কোন কাজে আসবে না জেনে ৮৫ লক্ষ টাকা সংস্কার কাজ শেষ না করেই ফেরত নিয়ে আসি।এই নিয়ে পরে ভাবা যাবে”।

আজ (মঙ্গলবার) সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসী জানান,ঐ সময় ক্যা. তার ভাই আশরাফ চেয়ারম্যানের নামে কমদামে জমি কিনে এই অডিটোরিয়াম গড়ে তুলেন, যা বর্তমানে কোন কাজে আসে না। অন্যকিছু স্থাপন করলে জনতার কাজে লাগতো।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকল্পে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেশুমার লুটপাট চালিয়েছেন তাজ ও তার ভাতিজা তুষার চেয়ারম্যান ।
বাঞ্ছারামপুরের সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, রুপসদীর ইউনুস বিএসসি বলেন, তাজ এমপি গং এমন অডিটোরিয়াম বানিয়েছেন সরকারি টাকায় যা, ১৫ বছরে নেওয়া অনেক প্রকল্প এখন সরকারের বোঝায় পরিণত হয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এই অডিটোরিয়াম এখন কোন কাজে আসে না এখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হোক।

বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আ.করিম চেয়ারম্যান (আওয়ামী লীগ আমলে পুনঃ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত) বলেন, আমি শুনেছি মাজার কমিটি অডিটোরিয়ামটির জমি কেনার জন্য অর্থ দিয়েছিলো। তবে,এখানে দলীয় অনেক প্রোগ্রাম এখানে হয়েছে।
শাহ রাহাত আলী কলেজের প্রিন্সিপাল জাহাঙ্গীর আলম দাবী করে বলেন, অডিটোরিয়ামের বিশাল জায়গা কলেজ থেকে নেয়া হয়েছে। কলেজের জায়গা কলেজকে ফেরত দেয়া হোক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা আজ বলেন, ‘অনেকেই নিজ এলাকায় প্রকল্প নিয়েছেন। তবে সব প্রকল্পকে ঢালাওভাবে অপচয়ের প্রকল্প বলা ঠিক হবে না। কিছু প্রকল্প জনবান্ধবও ছিল। তবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যেসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর তালিকা তৈরির কাজ চলছে। যেগুলোর কাজ মাঝপথে রয়েছে বা কিছু অর্থ ব্যয় হয়েছে। এমন প্রকল্প একটি পর্যায়ে পৌঁছার পর বন্ধ করে দেওয়া ঠিক হবে না,বরং এটিকে যেনো পরিত্যক্ত ঘোষনা না করে সমাজের ভালো কোনো কাজে লাগানো যায় সে জন্য পদক্ষেপ নিয়া হবে।’
উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ধরুন কোনো প্রকল্পের আওতায় ২০টি সেতু নির্মাণ করা হবে। এখন ১০টির চাহিদা রয়েছে, বাকিগুলোর এখনও নেই। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সেগুলো নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে এখন ১০টি সেতু নির্মাণ করে প্রকল্প সমাপ্ত ঘোষণা করা হবে। কোথাও দুই লেনের সড়ক হলেই হয়, কিন্তু প্রকল্পের আওতায় চার লেন করা হচ্ছে। এমন প্রকল্পেও দুই লেনের কাজ শেষ করে প্রকল্প সমাপ্ত করা হবে। যেহেতু অর্থ ব্যয় হয়েছে কাজ শেষ না করে বন্ধ করে দিলে তো অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি জনদুর্ভোগও তৈরি হবে।’

 

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

“বাঞ্ছারামপুরে জেলা পরিষদের কোটি টাকার অডিটোরিয়াম এখন বিষফোঁড়া!! “

আপডেট সময় : ১১:৫৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কথায় আছে লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন। অনেকটা সেভাবেই আওয়ামী লীগ আমলের সাবেক এমপি অনেকেই বিভিন্ন প্রকল্পের নামে সরকারি টাকার যথেচ্ছ অপব্যবহার করেছেন। অনেকেই এসব করেছেন এলাকার মানুষের কাছে জনদরদি বা সমাজসেবীর তকমা লাগাতে। কেউ আবার উচ্চ দামে নিজের জমি বিক্রি করার উদ্দেশ্যে কিংবা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে নিয়েছেন ‘সুবিধাজনক’ এসব সরকারি প্রকল্প। বাদ যাননি বাঞ্ছারামপুরের সাবেক এমপি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যা.এবি তাজুল ইসলাম এমপিও।
তার বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল ইসলামের নামে নিজ গ্রামে নিজেকে জাহির করা ও প্রভাব দেখানোর জন্য জনগনের টাকায় গড়ে তুলেন আধুনিক অডিটোরিয়াম। যা এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে। না পারছে পরিত্যক্ত ঘোষনা করতে, না পারছে চালু করতে। বিদ্যুৎ বিল, রক্ষণাবেক্ষণ ও ষ্টাফ বেতন দিয়ে প্রতি বছর গচ্চা যাচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
বিগত ৫ আগষ্টের পর এলাকাবাসীর দাবীর মুখে আশরাফুল ইসলাম অডিটোরিয়াম এর নাম পাল্টে করা হয় ‘শাহ রাহাত আলী অডিটোরিয়াম ” ।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে বিশাল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ৬’শ আসনের ডিজিটাল অডিটোরিয়াম নির্মাণ করান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদকে দিয়ে।বাঞ্ছারামপুর সদর উপজেলা থেকে প্রায় ৬ কিঃমিঃ দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় উদ্ধোধনের ১২ বছরে মাত্র ৫ টি প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান মিলনায়তনের কেয়ারটেকার জালাল মিয়া। তবে সবগুলো বিনামূল্যের।একটাও ভাড়া দিয়ে সরকারি রাজস্ব ঘরে দিতে পারিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো: আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী বলেন,আমি নতুন যোগদান করেছি। বাঞ্ছারামপুরের পল্লী গ্রামে যে অডিটোরিয়াম করা হয়েছে তা ঠিক করা হয়নি।কারন,২০১০-১১ অর্থ বছরে ৩ কোটি টাকা দিয়ে দিয়ে শুধু ভবন করা হলেও আজোও একটি টাকা রাজস্ব আসেনি। হলরুম ভাড়া দেয়া যায়নি। উল্টো কেয়ারটেকার কে প্রতি মাসে বেতন দিতে হচ্ছে ১৬ হাজার ৫শ টাকা। স্রেফ অপচয়।
তিনি তথ্য দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আগের সরকার অডিটোরিয়ামটির সংস্কার কাজ করার জন্য ১ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে যায়। আমরা ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ের পর কোন কাজে আসবে না জেনে ৮৫ লক্ষ টাকা সংস্কার কাজ শেষ না করেই ফেরত নিয়ে আসি।এই নিয়ে পরে ভাবা যাবে”।

আজ (মঙ্গলবার) সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসী জানান,ঐ সময় ক্যা. তার ভাই আশরাফ চেয়ারম্যানের নামে কমদামে জমি কিনে এই অডিটোরিয়াম গড়ে তুলেন, যা বর্তমানে কোন কাজে আসে না। অন্যকিছু স্থাপন করলে জনতার কাজে লাগতো।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকল্পে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেশুমার লুটপাট চালিয়েছেন তাজ ও তার ভাতিজা তুষার চেয়ারম্যান ।
বাঞ্ছারামপুরের সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, রুপসদীর ইউনুস বিএসসি বলেন, তাজ এমপি গং এমন অডিটোরিয়াম বানিয়েছেন সরকারি টাকায় যা, ১৫ বছরে নেওয়া অনেক প্রকল্প এখন সরকারের বোঝায় পরিণত হয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এই অডিটোরিয়াম এখন কোন কাজে আসে না এখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হোক।

বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আ.করিম চেয়ারম্যান (আওয়ামী লীগ আমলে পুনঃ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত) বলেন, আমি শুনেছি মাজার কমিটি অডিটোরিয়ামটির জমি কেনার জন্য অর্থ দিয়েছিলো। তবে,এখানে দলীয় অনেক প্রোগ্রাম এখানে হয়েছে।
শাহ রাহাত আলী কলেজের প্রিন্সিপাল জাহাঙ্গীর আলম দাবী করে বলেন, অডিটোরিয়ামের বিশাল জায়গা কলেজ থেকে নেয়া হয়েছে। কলেজের জায়গা কলেজকে ফেরত দেয়া হোক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা আজ বলেন, ‘অনেকেই নিজ এলাকায় প্রকল্প নিয়েছেন। তবে সব প্রকল্পকে ঢালাওভাবে অপচয়ের প্রকল্প বলা ঠিক হবে না। কিছু প্রকল্প জনবান্ধবও ছিল। তবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যেসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর তালিকা তৈরির কাজ চলছে। যেগুলোর কাজ মাঝপথে রয়েছে বা কিছু অর্থ ব্যয় হয়েছে। এমন প্রকল্প একটি পর্যায়ে পৌঁছার পর বন্ধ করে দেওয়া ঠিক হবে না,বরং এটিকে যেনো পরিত্যক্ত ঘোষনা না করে সমাজের ভালো কোনো কাজে লাগানো যায় সে জন্য পদক্ষেপ নিয়া হবে।’
উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ধরুন কোনো প্রকল্পের আওতায় ২০টি সেতু নির্মাণ করা হবে। এখন ১০টির চাহিদা রয়েছে, বাকিগুলোর এখনও নেই। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সেগুলো নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে এখন ১০টি সেতু নির্মাণ করে প্রকল্প সমাপ্ত ঘোষণা করা হবে। কোথাও দুই লেনের সড়ক হলেই হয়, কিন্তু প্রকল্পের আওতায় চার লেন করা হচ্ছে। এমন প্রকল্পেও দুই লেনের কাজ শেষ করে প্রকল্প সমাপ্ত করা হবে। যেহেতু অর্থ ব্যয় হয়েছে কাজ শেষ না করে বন্ধ করে দিলে তো অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি জনদুর্ভোগও তৈরি হবে।’